বিএনপি’র নেতিবাচক রাজনীতি না থাকলে দেশ এগিয়ে যেতো আরো বহুদূর : তথ্যমন্ত্রী

Spread the love

চট্টগ্রাম: তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, যদি বিএনপি ও তার মিত্রদের নেতিবাচক রাজনীতি না থাকতো তাহলে গত দশ বছরে বাংলাদেশ আরো বহুদূর এগিয়ে যেতে পারতো। ইকোনোমিক লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক যদি দিনের পর দিন অবরোধ করে না রাখতো, মানুষের উপর পেট্টোলবোমা নিক্ষেপ ও হামলা পরিচালনা করে জনগণকে জিম্মী করে রাখার যে রাজনীতি সেটা যদি না থাকতো তাহলে দেশের পরিবর্তন আরো অনেক বেশি ঘটতে পারতো।

তিনি বলেন, সবকিছুতে না বলার যে নেতিবাচক রাজনীতি দেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে অন্যতম প্রতিবন্ধকতা। অবশ্যই যারা দায়িত্বে থাকবে তাদের সমালোচনা হবে। আমরা মনে করি সমালোচনা পথচলাকে শাণিত করে। সমালোচনা ভুল শুদ্ধ করার ক্ষেত্রে সহায়তা করে। সেজন্য সমালোচনাকে সমাদৃত করার রাজনীতি আমরা করি। কিন্তু অন্ধের মতো সমালোচনা দেশ, রাজনীতি ও সমাজ, কোনটির জন্যই সহায়ক নয়। সমালোচনার পাশাপাশি ভালো কাজের প্রশংসাও থাকতে হবে। নাহলে কেউ ভালো কাজ করার জন্য উৎসাহিত হবেনা।

শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রামের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য উপ কমিটি আয়োজিত ‘শিল্প ও বাণিজ্য ক্ষেত্রে উন্নয়নের এক দশক’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও শিল্প ও বাণিজ্য উপ কমিটির চেয়ারম্যান কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে
আালোচনা সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী প্রফেসর ড. অনুপম সেন।

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য এম এ লতিফ ও চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম। আওয়ামীলীগের শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক সাবেক এমপি মো. আব্দুছ ছাত্তার স্বাগত বক্তৃতা দেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ নতুন উচ্চতায় উন্নিত হয়েছে। দশ বছর আগে আমাদের মাথাপিছু আয় ছিল ৬’শ ডলার। বর্তমানে মাথাপিছু আয় ২ হাজার ডলার ছুঁই ছুঁই। ২০০৮ সালে আমাদের দেশে দারিদ্র সীমার নিচে বাস করতো ৪১ শতাংশ মানুষ। বর্তমানে দারিদ্র‍্যসীমার নিচে বাস করে ২০ শতাংশ মানুষ। অর্থাৎ দারিদ্র‍্য কমে অর্ধেকে নেমে এসেছে।
তিনি বলেন, ৫০’এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে আমাদের দেশ খাদ্য ঘাটতির জনপদে রূপান্তরিত হয়। তখন এই জনপদে লোক সংখ্যা ছিল ৪ কোটি ৭০ লাখ। সেই থেকে এখন লোকসংখা দাঁড়িয়েছে ১৬ কোটি ৭০ লাখ। নগরায়ন, রাস্তা প্রশস্তকরণ, স্থাপনা নির্শাণসহ বিভিন্ন কারণে গত ৬০ বছরে মাথা পিছু কৃষি জমির পরিমাণ কমেছে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ। এতদসত্ত্বেও বাংলাদেশ খাদ্যে শুধু স্বয়ংসম্পূর্ণ নয় খাদ্যে উদ্বৃত্তের দেশ রূপান্তর হয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সেই দেশ, যেখানে মাথাপিছু জমির পরিমাণ পৃথিবীতে সর্বনিম্ন এবং মানুষের ঘনত্ব সর্বোচ্চ। সেই দেশ পৃথিবীকে অবাক করে দিয়ে শুধু নয়, বিশ্ব খাদ্য সংস্থাকেও অবাক করে দিয়ে আজ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে খাদ্যে উদ্বেৃত্তের দেশে রূপান্তরিত হয়েছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্ব খাদ্য সংস্থার কাছে একটি কেইস স্টাডি। কারণ বিশ্ব খাদ্য সংস্থা বাংলাদেশকে সফল কেইস স্টাডি হিসেবে আফ্রিকার দেশগুলোর সামনে উপস্থাপন করে। কিভাবে পৃথিবীর সবচে ঘণবসতিপূর্ণ একটি দেশ ঝড়, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করে এমন সফলতা অর্জন করেছে।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ক্ষুধাকে জয় করেছে বাংলাদেশ। তাই আমরা পোস্টারে ‘ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ চাই’ লিখি না। লিখি দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ চাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ক্ষুধাকে জয় করেছি আমরা। তাই অলিগলিতে কেউ আজ বলে না, মা আমাকে এক মুঠো বাসি ভাত দাও।

তিনি বলেন, দেশের ১৫ কোটি মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করে। সাড়ে ৩ কোটি মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করে। চট্টগ্রামের রিকশাওয়ালা ভোলায় পরিবারের কাছে মোবাইলে টাকা পাঠায়। বিদেশে সন্তানের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলে। ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন বাস্তব।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর, অন্যতম শিল্পনগরী। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ নতুন উচ্চতায় উঠেছে। দারিদ্র্য কমে অর্ধেকে নেমে এসেছে। খাদ্যঘাটতির বাংলাদেশ এখন খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশ। বাংলাদেশ এখন বিশ্ব খাদ্য সংস্থার কাছে কেস স্টাডির দেশ।

‘দেশে আগে দুর্যোগ হলে বহির্বিশ্বের কাছে সাহায্য আহ্বান করা হতো। এখন আমরা অন্যদের সাহায্য দিই। বিদেশের শোরুমের পোষাকে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ দেখলে গর্বে বুক ভরে যায়। এ পরিবর্তন, দেশের বদলে যাওয়া শেখ হাসিনার জাদুকরী নেতৃত্বের কারণে হয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, দেশের ৯৪ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে। এখন গ্রামে এয়ার কন্ডিশনারের শোরুম গড়ে উঠছে। মুজিববর্ষ শেষে শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পাবেন। এখন কলকাতার মানুষ বাংলাদেশে বেড়াতে আসে। টাকার মানও কাছাকাছি। বিএনপির অপরাজনীতি, পেট্রল বোমা হামলা, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরুদ্ধ না করলে দেশ আরও এগিয়ে যেত।
মোঃ মাসুদ হাসান মোল্লা রিদম,
শুক্রবার,১৫ নভেম্বর,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

সর্বশেষ আপডেট



» নিরাপদ খাদ্যের জন্য সচেতনতা বেশি প্রয়োজন : কৃষিমন্ত্রী

» বাজারে পর্যাপ্ত চাল আছে। চালের বাজার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে-কৃষিমন্ত্রী

» আদালতকক্ষে বিএনপিপন্থী আইনজীবিদের ঔদ্ধত্বপূর্ণ আচরণ ক্ষমার অযোগ্য-ওবায়দুল কাদের

» এরশাদের আগে-পরে যারাই ক্ষমতায় এসেছে সবাইকেই কম-বেশি স্বৈরাচারের অপবাদ নিতে হয়েছে-জি এম কাদের

» খালেদা জিয়া মুক্ত হলে সরকার ক্ষমতায় থাকতে পারবে না জেনেই কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে -মির্জা ফখরুল

» ভুটানকে ১০ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ

» ভারতে গণধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা : অভিযুক্ত ৪ জনই পুলিশের গুলিতে নিহত

» টাঙ্গাইলে মাইক্রোবাস ও কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজন নিহত

» না ফেরার দেশে চলে গেলেন প্রখ্যাত চিত্রগ্রাহক মাহফুজুর রহমান খান

» সব সমস্যা সমাধানের জন্য বিকাশে জ্বীনের বাদশাকে দিলেন ২৫ লাখ টাকা

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

 

 

সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বিএনপি’র নেতিবাচক রাজনীতি না থাকলে দেশ এগিয়ে যেতো আরো বহুদূর : তথ্যমন্ত্রী

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

চট্টগ্রাম: তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, যদি বিএনপি ও তার মিত্রদের নেতিবাচক রাজনীতি না থাকতো তাহলে গত দশ বছরে বাংলাদেশ আরো বহুদূর এগিয়ে যেতে পারতো। ইকোনোমিক লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক যদি দিনের পর দিন অবরোধ করে না রাখতো, মানুষের উপর পেট্টোলবোমা নিক্ষেপ ও হামলা পরিচালনা করে জনগণকে জিম্মী করে রাখার যে রাজনীতি সেটা যদি না থাকতো তাহলে দেশের পরিবর্তন আরো অনেক বেশি ঘটতে পারতো।

তিনি বলেন, সবকিছুতে না বলার যে নেতিবাচক রাজনীতি দেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে অন্যতম প্রতিবন্ধকতা। অবশ্যই যারা দায়িত্বে থাকবে তাদের সমালোচনা হবে। আমরা মনে করি সমালোচনা পথচলাকে শাণিত করে। সমালোচনা ভুল শুদ্ধ করার ক্ষেত্রে সহায়তা করে। সেজন্য সমালোচনাকে সমাদৃত করার রাজনীতি আমরা করি। কিন্তু অন্ধের মতো সমালোচনা দেশ, রাজনীতি ও সমাজ, কোনটির জন্যই সহায়ক নয়। সমালোচনার পাশাপাশি ভালো কাজের প্রশংসাও থাকতে হবে। নাহলে কেউ ভালো কাজ করার জন্য উৎসাহিত হবেনা।

শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রামের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য উপ কমিটি আয়োজিত ‘শিল্প ও বাণিজ্য ক্ষেত্রে উন্নয়নের এক দশক’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও শিল্প ও বাণিজ্য উপ কমিটির চেয়ারম্যান কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে
আালোচনা সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী প্রফেসর ড. অনুপম সেন।

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য এম এ লতিফ ও চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম। আওয়ামীলীগের শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক সাবেক এমপি মো. আব্দুছ ছাত্তার স্বাগত বক্তৃতা দেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ নতুন উচ্চতায় উন্নিত হয়েছে। দশ বছর আগে আমাদের মাথাপিছু আয় ছিল ৬’শ ডলার। বর্তমানে মাথাপিছু আয় ২ হাজার ডলার ছুঁই ছুঁই। ২০০৮ সালে আমাদের দেশে দারিদ্র সীমার নিচে বাস করতো ৪১ শতাংশ মানুষ। বর্তমানে দারিদ্র‍্যসীমার নিচে বাস করে ২০ শতাংশ মানুষ। অর্থাৎ দারিদ্র‍্য কমে অর্ধেকে নেমে এসেছে।
তিনি বলেন, ৫০’এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে আমাদের দেশ খাদ্য ঘাটতির জনপদে রূপান্তরিত হয়। তখন এই জনপদে লোক সংখ্যা ছিল ৪ কোটি ৭০ লাখ। সেই থেকে এখন লোকসংখা দাঁড়িয়েছে ১৬ কোটি ৭০ লাখ। নগরায়ন, রাস্তা প্রশস্তকরণ, স্থাপনা নির্শাণসহ বিভিন্ন কারণে গত ৬০ বছরে মাথা পিছু কৃষি জমির পরিমাণ কমেছে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ। এতদসত্ত্বেও বাংলাদেশ খাদ্যে শুধু স্বয়ংসম্পূর্ণ নয় খাদ্যে উদ্বৃত্তের দেশ রূপান্তর হয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সেই দেশ, যেখানে মাথাপিছু জমির পরিমাণ পৃথিবীতে সর্বনিম্ন এবং মানুষের ঘনত্ব সর্বোচ্চ। সেই দেশ পৃথিবীকে অবাক করে দিয়ে শুধু নয়, বিশ্ব খাদ্য সংস্থাকেও অবাক করে দিয়ে আজ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে খাদ্যে উদ্বেৃত্তের দেশে রূপান্তরিত হয়েছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্ব খাদ্য সংস্থার কাছে একটি কেইস স্টাডি। কারণ বিশ্ব খাদ্য সংস্থা বাংলাদেশকে সফল কেইস স্টাডি হিসেবে আফ্রিকার দেশগুলোর সামনে উপস্থাপন করে। কিভাবে পৃথিবীর সবচে ঘণবসতিপূর্ণ একটি দেশ ঝড়, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করে এমন সফলতা অর্জন করেছে।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ক্ষুধাকে জয় করেছে বাংলাদেশ। তাই আমরা পোস্টারে ‘ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ চাই’ লিখি না। লিখি দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ চাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ক্ষুধাকে জয় করেছি আমরা। তাই অলিগলিতে কেউ আজ বলে না, মা আমাকে এক মুঠো বাসি ভাত দাও।

তিনি বলেন, দেশের ১৫ কোটি মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করে। সাড়ে ৩ কোটি মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করে। চট্টগ্রামের রিকশাওয়ালা ভোলায় পরিবারের কাছে মোবাইলে টাকা পাঠায়। বিদেশে সন্তানের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলে। ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন বাস্তব।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর, অন্যতম শিল্পনগরী। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ নতুন উচ্চতায় উঠেছে। দারিদ্র্য কমে অর্ধেকে নেমে এসেছে। খাদ্যঘাটতির বাংলাদেশ এখন খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশ। বাংলাদেশ এখন বিশ্ব খাদ্য সংস্থার কাছে কেস স্টাডির দেশ।

‘দেশে আগে দুর্যোগ হলে বহির্বিশ্বের কাছে সাহায্য আহ্বান করা হতো। এখন আমরা অন্যদের সাহায্য দিই। বিদেশের শোরুমের পোষাকে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ দেখলে গর্বে বুক ভরে যায়। এ পরিবর্তন, দেশের বদলে যাওয়া শেখ হাসিনার জাদুকরী নেতৃত্বের কারণে হয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, দেশের ৯৪ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে। এখন গ্রামে এয়ার কন্ডিশনারের শোরুম গড়ে উঠছে। মুজিববর্ষ শেষে শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পাবেন। এখন কলকাতার মানুষ বাংলাদেশে বেড়াতে আসে। টাকার মানও কাছাকাছি। বিএনপির অপরাজনীতি, পেট্রল বোমা হামলা, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরুদ্ধ না করলে দেশ আরও এগিয়ে যেত।
মোঃ মাসুদ হাসান মোল্লা রিদম,
শুক্রবার,১৫ নভেম্বর,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

© Copyright BY HBnews24.Com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com