মহান মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

Spread the love

ঢাকা : ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমান ছিল পাকিস্তানি দালাল- দোসরের চরিত্রে। খুনি জিয়া পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এ ১৯৫৯-১৯৬৪ সাল পর্যন্ত কাজ করেছিল। মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমান কোন সম্মুখ যুদ্ধে অংশগ্রহণ তো করেন নাই বরং পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে কাজ করেছিল।

বুধবার প্রেস ক্লাবের মরহুম জহুর হোসেন হলে বঙ্গমাতা সাংস্কৃতিক জোট কর্তৃক আয়োজিত জাতীয় চার নেতার স্মরণে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জোড়ালো কন্ঠে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের অপশক্তি, রাজাকার, আল শামস, আলবদর, পাকিস্তানি প্রেতাত্মারা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা মেনে নিতে পারে নাই, এই অপশক্তি গোষ্ঠী খুনি জিয়ার মদদে বাংলাদেশের সকল নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল এবং বাংলাদেশকে পাকিস্তানি ভাবধারায় পরিচালিত করার মূল পরিকল্পনা করেছিল জাতির পিতার হত্যার মধ্য দিয়ে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তান হানাদার বাহিনী জাতিকে মেধাশূন্য করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ৭১’এর ১৪ ডিসেম্বর ঘটিয়েছিল বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড। এরপর ৭৫’এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে বাঙ্গালী জাতিকে নিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টায় থেমে না থেকে ৩ নভেম্বর জাতিকে নেতৃত্বশূন্য করার মহাপরিকল্পনা হিসেবে কারাগারের নিরাপত্তা বেষ্টনির ভেতর ঢুকে চার নেতাকে প্রথমে গুলি করে পরে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। সমাপ্তি ঘটায় স্বাধীনতার উজ্জ্বল আলোকিত অধ্যায়ের।

প্রতিমন্ত্রী জাতীয় চার নেতার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, এই মহান নেতারা বঙ্গবন্ধুর প্রতিটি আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন, বঙ্গবন্ধুর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ছিলেন। তারা ছিলেন বঙ্গবন্ধুর আজীবন সহচর। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় তাকে রাষ্ট্রপতি করে গঠিত এই প্রবাসী সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ। এএইচএম কামারুজ্জামান এবং এম মনসুর আলী ছিলেন ওই সরকারের দুই প্রভাবশালী মন্ত্রী। জাতীয় চার নেতা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ৯ মাস সাফল্যের সঙ্গে রাজনৈতিক নেতৃত্ব দেন। স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রে মূল খলনায়ক ছিল খুনি জিয়া এবং খন্দকার মোশতাক আহমেদ। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর খন্দকার মোশতাকচক্র চার নেতাকে তাদের সাথে যোগ দেয়ার আহ্বান জানায়। কিন্তু তাদের এই নোংরা প্রস্তাব চার নেতা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেন। এই ঘৃণিত প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাদের গ্রেফতার করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীরা পাকিস্তানি দালাল – দোসরচক্র কারাগারে ঢুকে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করে।

ইতিহাসের এক রক্তাক্ত এই অধ্যায় বাংলাদেশের রাজনীতিতে যেমন দুর্দিন নিয়ে আসে তেমনি সামরিক বাহিনীর জন্য আনে রক্ত আর বিশৃঙ্খলার পৌনঃপৌনিক আগমন। ৭৫’এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে বোঝানোর চেষ্টা করা হয় যে, শুধুমাত্র একটি পরিবারকে রাষ্ট্রক্ষমতা থেকে সরানো হয়েছে। কারণ যারা হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন, তারা সকলেই ছিলেন পরস্পর আত্মীয়। কিন্তু পরবর্তী প্রেক্ষাপট ও বিশেষ করে ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে হত্যার পর স্পষ্ট হয় স্বাধীন বাংলাদেশের স্তম্ভকেই শুধু হত্যা করা হয়নি, ধ্বংস করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনাকে। পৃথিবীর কোনো সভ্য সমাজে এমন জঘন্য কর্মকান্ডের নজীর নেই বলে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বিশ্বাস করেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ এবং জাতীয় চার নেতার সাহস-ত্যাগ থেকে শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি করার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের খুনিচক্র কিংবা তাদের দোসররা এখনও সক্রিয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে যে ষড়যন্ত্র শুরু হয় সেই ষড়যন্ত্র এখনও শেষ হয়নি। ষড়যন্ত্রের দ্বিতীয় ধাক্কা ছিল ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা। তাদের চিহ্নিত করার দাবি উঠেছে। তাদের খুঁজে বের করে ষড়যন্ত্রের পথ চিরদিনের জন্য বন্ধ করতে হবে।

স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি ও তাদের প্রেতাত্মারা এখনও ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে
ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে থাকা পাকিস্তানি দোসরদের খুঁজে বের করে শাস্তির ব্যবস্থা এই বাংলার মাটিতে হবে ।

চার নেতার স্মরণে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা পর্বে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য সৈয়দা রুবিনা আকতার, সংসদ সদস্য নাহিদ ইজারা খান, সাবেক সংসদ সদস্য প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয় এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য মোঃ নুরুল ইসলাম ঠান্ডু। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন শেখ শাহ আলম।
মোঃ মাসুদ হাসান মোল্লা রিদম,
ঢাকা,বুধবার,০৬ নভেম্বর,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

সর্বশেষ আপডেট



» রাজধানীতে পেঁয়াজের কেজি ২০০ টাকা

» টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে এক রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নিহত

» রাজধানীসহ সারাদেশে আজ থেকে শুরু হচ্ছে জাতীয় আয়কর মেলা

» রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে বাসের ধাক্কায় ৬ বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু

» সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নয়নের মাধ্যমে রফতানি বৃদ্ধি করা সম্ভব: বিশ্বব্যাংক

» বাউফলে যুবলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

» বিএনপি নয় বরং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিএনপিতে আসার অবস্থা তৈরি হয়েছে

» যারা অন্তঃকলহ করবে, অপকর্ম করবে, দুর্নীতি করবে- তাদের এ দলে স্থান হবে না’-ওবায়দুল কাদের

» নিজেকে বলিভিয়ার ‘অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট’ ঘোষণা হিনাইন আনেসের

» কেউ অন্ধকারে থাকবে না, মুজিববর্ষে সব ঘরে আলো জ্বলবে, শতভাগ মানুষ পাবে বিদ্যুৎ সুবিধা

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

 

 

সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ২৯শে কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

মহান মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

ঢাকা : ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমান ছিল পাকিস্তানি দালাল- দোসরের চরিত্রে। খুনি জিয়া পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এ ১৯৫৯-১৯৬৪ সাল পর্যন্ত কাজ করেছিল। মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমান কোন সম্মুখ যুদ্ধে অংশগ্রহণ তো করেন নাই বরং পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে কাজ করেছিল।

বুধবার প্রেস ক্লাবের মরহুম জহুর হোসেন হলে বঙ্গমাতা সাংস্কৃতিক জোট কর্তৃক আয়োজিত জাতীয় চার নেতার স্মরণে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জোড়ালো কন্ঠে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের অপশক্তি, রাজাকার, আল শামস, আলবদর, পাকিস্তানি প্রেতাত্মারা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা মেনে নিতে পারে নাই, এই অপশক্তি গোষ্ঠী খুনি জিয়ার মদদে বাংলাদেশের সকল নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল এবং বাংলাদেশকে পাকিস্তানি ভাবধারায় পরিচালিত করার মূল পরিকল্পনা করেছিল জাতির পিতার হত্যার মধ্য দিয়ে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তান হানাদার বাহিনী জাতিকে মেধাশূন্য করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ৭১’এর ১৪ ডিসেম্বর ঘটিয়েছিল বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড। এরপর ৭৫’এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে বাঙ্গালী জাতিকে নিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টায় থেমে না থেকে ৩ নভেম্বর জাতিকে নেতৃত্বশূন্য করার মহাপরিকল্পনা হিসেবে কারাগারের নিরাপত্তা বেষ্টনির ভেতর ঢুকে চার নেতাকে প্রথমে গুলি করে পরে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। সমাপ্তি ঘটায় স্বাধীনতার উজ্জ্বল আলোকিত অধ্যায়ের।

প্রতিমন্ত্রী জাতীয় চার নেতার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, এই মহান নেতারা বঙ্গবন্ধুর প্রতিটি আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন, বঙ্গবন্ধুর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ছিলেন। তারা ছিলেন বঙ্গবন্ধুর আজীবন সহচর। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় তাকে রাষ্ট্রপতি করে গঠিত এই প্রবাসী সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ। এএইচএম কামারুজ্জামান এবং এম মনসুর আলী ছিলেন ওই সরকারের দুই প্রভাবশালী মন্ত্রী। জাতীয় চার নেতা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ৯ মাস সাফল্যের সঙ্গে রাজনৈতিক নেতৃত্ব দেন। স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রে মূল খলনায়ক ছিল খুনি জিয়া এবং খন্দকার মোশতাক আহমেদ। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর খন্দকার মোশতাকচক্র চার নেতাকে তাদের সাথে যোগ দেয়ার আহ্বান জানায়। কিন্তু তাদের এই নোংরা প্রস্তাব চার নেতা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেন। এই ঘৃণিত প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাদের গ্রেফতার করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীরা পাকিস্তানি দালাল – দোসরচক্র কারাগারে ঢুকে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করে।

ইতিহাসের এক রক্তাক্ত এই অধ্যায় বাংলাদেশের রাজনীতিতে যেমন দুর্দিন নিয়ে আসে তেমনি সামরিক বাহিনীর জন্য আনে রক্ত আর বিশৃঙ্খলার পৌনঃপৌনিক আগমন। ৭৫’এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে বোঝানোর চেষ্টা করা হয় যে, শুধুমাত্র একটি পরিবারকে রাষ্ট্রক্ষমতা থেকে সরানো হয়েছে। কারণ যারা হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন, তারা সকলেই ছিলেন পরস্পর আত্মীয়। কিন্তু পরবর্তী প্রেক্ষাপট ও বিশেষ করে ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে হত্যার পর স্পষ্ট হয় স্বাধীন বাংলাদেশের স্তম্ভকেই শুধু হত্যা করা হয়নি, ধ্বংস করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনাকে। পৃথিবীর কোনো সভ্য সমাজে এমন জঘন্য কর্মকান্ডের নজীর নেই বলে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বিশ্বাস করেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ এবং জাতীয় চার নেতার সাহস-ত্যাগ থেকে শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি করার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের খুনিচক্র কিংবা তাদের দোসররা এখনও সক্রিয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে যে ষড়যন্ত্র শুরু হয় সেই ষড়যন্ত্র এখনও শেষ হয়নি। ষড়যন্ত্রের দ্বিতীয় ধাক্কা ছিল ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা। তাদের চিহ্নিত করার দাবি উঠেছে। তাদের খুঁজে বের করে ষড়যন্ত্রের পথ চিরদিনের জন্য বন্ধ করতে হবে।

স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি ও তাদের প্রেতাত্মারা এখনও ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে
ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে থাকা পাকিস্তানি দোসরদের খুঁজে বের করে শাস্তির ব্যবস্থা এই বাংলার মাটিতে হবে ।

চার নেতার স্মরণে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা পর্বে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য সৈয়দা রুবিনা আকতার, সংসদ সদস্য নাহিদ ইজারা খান, সাবেক সংসদ সদস্য প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয় এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য মোঃ নুরুল ইসলাম ঠান্ডু। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন শেখ শাহ আলম।
মোঃ মাসুদ হাসান মোল্লা রিদম,
ঢাকা,বুধবার,০৬ নভেম্বর,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

© Copyright BY HBnews24.Com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com