X

২০ অক্টোবর ২০১৭ ২২:৮:৩৭ | ৬ কাতর্িক ১৪২৪ শুক্রবার | ২৯ মহরম ১৪৩৯
বার বার সময় নিয়ে বিচারিক কার্যক্রমকে বিলম্বিত করছেন বেগম খালেদা জিয়া brak বিএনপি যাতে আগামী নির্বাচনে আসতে না পারে সে জন্য নানামুখী ষড়যন্ত্র করছে brak ঢাবি ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ১৫ জন আটক brak জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এর দীর্ঘায়ূ ও সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত brak গ্রামের পর গ্রাম প্লাবিত কলাপাড়ায় জোয়ারের পানিতে বেড়িবাঁধ বিধ্বস্ত।। brak সাংবাদিক জসিম পারভেজ এর বাবা আর নেই brak নারায়ণগঞ্জের খন্দকার ডকইয়ার্ডে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৪ জন দগ্ধ brak নকলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহাবুব আলী চৌধুরী মনিরের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার brak আইজিপি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০১৭ পেলেন হাবিব ও মাকসুদুন্নবী brak

প্রচ্ছদ  »   এক্সক্লুসিভ

হতদরিদ্র পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থী সুমনা জীবনে এনে দিয়েছে সাফল্য

হতদরিদ্র পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থী সুমনা জীবনে এনে দিয়েছে সাফল্য

 ধৈর্য্য আর পরিশ্রম হতদরিদ্র পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থী সুমনা আক্তারের জীবনে এনে দিয়েছে সাফল্য।পটুয়াখালীর কলাপাড়া ধুলাসার ইউনিয়নের পশ্চিম চাপলীর গ্রামের শ্রমজীবি দিনমজুর শাহআলম মাঝির মেয়ে এবছর এসএসসি পরিক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। গ্রামীণ ওই জনপদে বিদ্যুতের আলোয় গত বছর আলোকিত থাকলেও আলোকিত এই শিক্ষার্থীর বাড়িতে ছিলোনা বিদ্যুতের আলো। কিন্তু তার পরেও সুমনার শিক্ষার আলোয় আলোকিত করেছে শ্রমজীবি বাবার সংসার।সুমনার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, অভাব-অনটন, উপোস কিংবা অর্ধাহার খুবই স্বাভাবিক ছিল সুমনার কাছে। বাবা শাহআলম মাঝি শ্রমজীবি, দিনমজুর। মা আসমা বেগম গৃহিনী। ছোট বোন তানজিলা সে চতুর্থ শ্রেণিতে পরে। বাবার কাজ জোটলে আয় হতো সর্বোচ্চ দুইশ টাকা। আর কাজ না জোটলে উপোস থাকতে হতো তাদের। এভাবেই চলছিল মেধাবী ছাত্রী সুমনাদের সংসার। এত কিছুর পরেও তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। শুধু মাত্র সংসারের কথা ভেবে পড়াশুনার ফাঁকে সেলাইয়ের কাজ করে সে ধুলাসার ইউনিয়নের চরচাপলী ইসলামিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে পরিক্ষা দিয়ে এবছর এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে। ধৈর্য্য আর পরিশ্রম তার জীবনে এনে দিয়েছে এ সাফল্য। মেধাবী সুমনা জানায়, আনেক সময় না খেয়ে স্কুলে যেতে হত। বাড়িতে এসে সেলাইয়ের কাজ ধরতাম। রাতে কুপি জ¦ালিয়ে পড়তাম বলে ওই মেধাবী ছাত্রী জানান।
মা আসমা বেগম বলেন, ‘দুইডা মাইয়ার পড়া, আর সংসারের খরচ ওদের বাবার পক্ষে চালানো সম্ভব ছিলনা। পড়ার খরচ জোগার করতে সেলাইয়ের কাজ শুরু করে মেয়েরা। সোলাইয়ের কাজের আয় থেকে ওদের বই খাতা কেনার জোগান দিত।বাবা শাহআলম মাঝি বলেন, সুমনা স্কুলের ক্লাশ শেষে বাড়িতে এসে গ্রামের লোকজনের সেলাইয়ের অর্ডারের কাজ করত। এরপর লেখাপড়া করত। অভাব-অনটনের পরও পড়াশোনার হাল ছাড়ে নাই। সাইন্সের ছাত্রী কিন্তু টাকার অভাবে প্রাইভেট পড়তে পারে নাই। তবে এখন কীভাবে কলেজের ভর্তি কিংবা লেখাপড়া করাবেন এ নিয়ে শ্রমজীবি শাহআলম চরম উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলী আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, সুমনার মেধার তুলনা হয়না। শত কষ্টের মাঝেও সে পড়াশোনা চালিয়েছে।

উত্তম কুমার হাওলাদার,কলাপাড়া (পটুয়াখালী)প্রতিনিধি,
পটুয়াখালী, রোববার, ১৪ মে, এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

User Comments

  • এক্সক্লুসিভ