X

১৯ অক্টোবর ২০১৭ ১৫:৭:১৭ | ৫ কাতর্িক ১৪২৪ বৃহস্পতিবার | ২৮ মহরম ১৪৩৯
দুই মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার পরবর্তী শুনানি ২৬ অক্টোবর brak পেপ্যাল জুম সার্ভিসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন সজীব ওয়াজেদ জয় brak জিয়া চ্যারেটেবল ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় জামিন পেয়েছেন খালেদা জিয়া brak

প্রচ্ছদ  »   অপরাধ ও দুর্নীতি

রাজধানীতে ১৫ জন অজ্ঞানপার্টি এবং ছিনতাই ও ডাকাত চক্রের ৬ সদস্য আটক

রাজধানীতে ১৫ জন অজ্ঞানপার্টি এবং ছিনতাই ও ডাকাত চক্রের ৬ সদস্য আটক

ঢাকা: রাজধানীতে ঈদকে সামনে রেখে তৎপরতা বেড়েছে ছিনতাইকারী ও প্রতারক চক্রের। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা (সিরিয়াস ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন)বিভাগ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে সংঘবদ্ধ অজ্ঞানপার্টির ১৫ এবং ছিনতাই ও ডাকাত চক্রের ৬ সদস্যকে আটক করেছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জুন ২০১৭ ) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মো. আবদুল বাতেন। আবদুল বাতেন বলেন,গতকাল ১৪/০৬/২০১৭ ইং তারিখ ১৯:০০ টায় রাজধানীর কমলাপুর রেলষ্টেশন
এলাকা হতে তাদেরকে আটক করা হয়।এছাড়াও রাজধানীর ১৪ জুন’১৭ রাত ২৩.০০ টায় তেজগাঁও থানার কারওয়ান বাজারের কাঁচাবাজার এলাকা হতে ছিনতাই ও ডাকাত চক্রের ৬ সদস্যকে আটক করা হয়। আটককৃত অজ্ঞানপার্টির সদস্যরা হলো- ১। মোঃ রওশন মিয়া, ২। মোঃ সোহাগ, ৩। মোঃ রাসেল, ৪। মোঃ বাবু, ৫। মোঃ হৃদয়, ৬। মোঃ ছোট বাবু, ৭। মোঃ সুমন হাওলাদার, ৮। বিজয় চন্দ্র, ৯। মোঃ সুমন, ১০। মোঃ ফয়সাল, ১১। মোঃ বিল্লাল হোসেন, ১২। মোঃ আবুল হোসেন, ১৩। মোঃ আকাশ ভূইয়া, ১৪। মোঃ ছালাম ও ১৫। মোঃ রুবেল। আটককৃত ছিনতাইকারী ও ডাকাত সদস্যদের নাম-মোঃ সুরুজ মিয়া, মোঃ শান্ত, মোঃ হাসান মোল্লা, মোঃ তাইমুন ভূইয়া, মোঃ পরান ও মোঃ সাগর।ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অজ্ঞানপার্টির সদস্যরা জানায় যে, তারা চেতনানাশক ট্যাবলেট বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য যেমন ডাবের পানি, খেজুর, চা, কফি ও তরল
দ্রব্যের সাথে মিশিয়ে নিজেদের হেফাজতে সংরক্ষণ করে । তারা যাত্রী বেশে বিভিন্ন গনপরিবহনে হকার বেশে উঠে। তাছাড়া বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন, লঞ্চটার্মিনালসহ জন সমাগমস্থলে নিরীহ যাত্রী বা পথচারীদের মধ্যে কোন ব্যক্তিকে টার্গেট করে তার সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে। সখ্যতার একপর্যায়ে তাদের পূর্বের প্রস্তুতকৃত খাদ্যদ্রব্যের সাথে চেতনানাশক ট্যাবলেট মিশ্রিত খাবার টার্গেটকৃত ব্যক্তিকে কৌশলে খাইয়ে অজ্ঞান করতঃটাকা পয়সা ও মূল্যবান দ্রব্যসহ সর্বস্ব লুটে নিয়ে পালিয়ে যায়। তারা সারা বছর এ পেশার মাধ্যমে জীবিকা
নির্বাহ করলেও ঈদ, পূজা, রোজা সহ অন্যান্য উৎসবের সময় তাদের তৎপরতা বৃদ্ধি পায়।
এছাড়া ছিনতাইকারী ও ডাকাত দলের সদস্যরা জানায় যে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ সাধারণ জনগণের চলার পথে অস্ত্রের ভয় দেখাইয়া তাদেরকে থামিয়ে সর্বস্ব ছিনতাই করে পালিয়ে যায়।এ সময় অজ্ঞানপার্টির সদস্যদের হেফাজত হতে চেতনানাশক তরল পদার্থ মিশ্রিত খেজুর ও বিপুল পরিমান চেতনানাশক ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।গ্রেফতারের পর ছিনতাইকারী ও ডাকাত সদস্যদের হেফাজত থেকে ২ টি পিস্তল সদৃশ কালো রংয়ের কক
করা এবং ট্রেগার করা যায় এমন খেলনা এবং ১ টি দেশী চাকু উদ্ধার করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উত্তর বিভাগের উপকমিশনার শেখ নাজমুল আলম,দক্ষিণ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত উপ কমিশনার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, পূর্ব বিভাগের উপকমিশনার খোন্দাকার নুরুন্নবী, পশ্চিম বিভাগের উপকমিশনার মো. সাজ্জাদুর রহমান, জনসংযোগ ও গণমাধ্যম শাখার উপকমিশনার মো. মাসুদুর রহমান এবং সিরিয়াস ক্রাইম বিভাগের উপ কমিশনার মো. মোদাচ্ছের হোসেন।
মো:মাসুদ হাসান মোল্লা রিদম,
ঢাকা,বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন, এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

User Comments

  • অপরাধ ও দুর্নীতি