X

১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ২৩:৩১:১৩ | ৭ ফাল্গুন ১৪২৪ সোমবার | ২০ জমা: সানি ১৪৩৯
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ের সত্যায়িত কপি পেলেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা brak আশি দশকের জনপ্রিয় পপ গায়িকা সাবাতানি আর নেই brak জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িতদের বাংলার মাটিতে কোন স্থান হবে না-প্রধানমন্ত্রী brak নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়া অংশ নিতে পারবেন কি-না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত আদালতের brak গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আনব brak বাংলা‌দেশ শিশু একা‌ডে‌মি অগ্রনী ব্যাংক সা‌হিত্য পুরস্কারে ভূষিত হলেন ডিসি মোশতাক brak অমর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবসে কোনো ধরনের নিরাপত্তা হুমকি নেই-ডিএমপি কমিশনার brak

প্রচ্ছদ  »   এক্সক্লুসিভ

তিন সন্তান পুলিশ এক মেয়ে শিক্ষিকা থাকার পরও মাকে ভিক্ষা বৃত্তি করে খেতে হয়

তিন সন্তান পুলিশ এক মেয়ে শিক্ষিকা থাকার পরও মাকে ভিক্ষা বৃত্তি করে খেতে হয়

তিন সন্তান পুলিশ এক মেয়ে শিক্ষিকা থাকার পরও মা মনোয়ারা বেগমকে দুইবেলা দুইমুঠো খাবারের জন্যে ৮২বছর বয়সে বেছে নিতে হয়েছিলো ভিক্ষা বৃত্তি।অসুস্থ মনোয়ারা বেগমের পাঁচ ছেলের একজন পুলিশের কনস্টেবল, একজন এসআই এবং আরেকজন অবসরপ্রাপ্ত হাবিলদার। বাকি দুই ছেলেও কাটাচ্ছেন সচ্ছল জীবন। এছাড়া তার মেয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মরিয়ম।অসুস্থ বৃদ্ধা মা মনোয়ারা বেগমের চিকিৎসাসহ সকল ব্যায়ভার গ্রহণ করেছে বরিশাল পুলিশ। একই সাথে সামর্থ্যবান ছয় সন্তান থাকার পর ভিক্ষাবৃত্তিতে নামা মনোয়ারা বেগমের সুচিকিৎসা নিশ্চিত না হওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখতেও গঠন করা হয়েছে তদন্ত কমিটি। তদন্তে প্রমাণ মিললে মা চাইলে সন্তানদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বিভাগের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম।
জানা গেছে, বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের আয়ুব আলীর সঙ্গে বিয়ে হয় মনোয়ারা বেগমের। অভাব-অনটনের সংসার হলেও ৬ সন্তান নিয়ে সুখেই দিন কাটছিল তাদের। কিন্তু ২০০৪ সালের ১ অক্টোবর আয়ুব আলী মারা গেলে মনোয়ারার জীবনে অন্ধকার নেমে আসে। এর পরও তিনি ৬ সন্তানকে সাধ্যমতো শিক্ষিত করেছেন।বর্তমানে তার ৫ ছেলের মধ্যে তিনজন পুলিশে চাকরি করছেন। আর এক মেয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। এক ছেলে ব্যবসা করেন, অন্য এক ছেলে ইজিবাইক চালক গিয়াস উদ্দিন। অথচ তাদের গর্ভধারিণী মায়ের দুর্ভাগ্য যে, তিনি শেষ বয়সে এসে দুটো ভাতের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরে ভিক্ষা করছেন।বরিশাল ৩-সংসদ শেখ টিপু সুলতান জানায়, তাঁর সন্তানের অবহেলা কারণে তিনি ভিক্ষাবৃত্তি করতো। এমনকি দুর্ঘটনায় পা ভেঙে গুরুতর অবস্থায় বাড়িতে পড়ে থাকলেও টানা পাঁচ-মাসে তাঁর কোন সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করেননি স্বজনরা। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এগিয়ে আসেন স্থানীয় সংসদ সদস্য। ১৮ সেপ্টেম্বর মনোয়ারা বেগমকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে।
বরিশালের রেঞ্জের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম বলেন, তার চিকিৎসার জন্য সমস্ত খরচ ররিশাল মেডিকেল কলেজ থেকে বহন করা হবে। এছাড়াও কোন প্রকার অর্থের প্রয়োজন হলেও সেটা বাংলাদেশ পুলিশ তাঁদের পক্ষ থেকে বহন করবে।

বরিশাল,বৃহস্পতিবার,২১ সেপ্টম্বর,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

User Comments

  • এক্সক্লুসিভ