X

১২ ডিসেম্বর ২০১৭ ২১:৫৩:২০ | ২৮ অগ্রায়ণ ১৪২৪ মঙ্গলবার | ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯
জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার ফল আগামী ৩০ ডিসেম্বর প্রকাশিত হবে brak পবিত্র জেরুজালেমকে রক্ষায় বাংলাদেশের জনগণকে জেগে ওঠারও আহ্বান.এরশাদ brak আমরাও উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ৯৯৯ সেবাটি চালু করেছি-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী brak রাজনৈতিক অস্তিত্বের স্বার্থেই বিএনপিকে নির্বাচনে আসা অত্যন্ত জরুরি-ওবায়দুল কাদের brak জরুরী পুলিশ, দমকল ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা পেতে ৯৯৯ উদ্বোধন করলেন সজীব ওয়াজেদ জয় brak ওআইসির বিশেষ অধিবেশনে যোগ দিতে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি brak

প্রচ্ছদ  »   এক্সক্লুসিভ

জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারনে সমুদ্র উপকূল থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে শাপলা

জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারনে সমুদ্র উপকূল থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে শাপলা

 জমিতে অধিক মাত্রায় কীটনাশক প্রয়োগ করায় ও জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারনে সমুদ্র উপকূল থেকে শাপলা বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। মাত্র কয়েক বছর আগেও পটুয়াখালীর কলাপাড়ার বিভিন্ন এলাকার খাল-বিলে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকত হাজার হাজর শাপলা ফুল। রং-বেরংয়ের শাপলার বাহারী রূপ দেখে চোখ জুড়িয়ে যেত। এখন গ্রামের পর গ্রাম ঘুড়লেও সেই শাপলা দেখা মিলছেনা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্ষা থেকে শরতের শেষ পর্যন্ত বিল জলাশয় ও নিচু জমিতে প্রাকৃতিকভাবে এ শাপলার জন্মাতো। জমিতে অধিক মাত্রায় আগাছা নাশক ও কীটনাশক প্রয়োগের ফলে এখন সেই শাপলা ক্রমশই হারিয়ে যেতে বসেছে। এসময় এ এলাকার মানুষ শাপলার ফল দিয়ে সুস্বাদু খৈ ভাজাতো। প্রত্যন্ত গ্রাম গাঁেয় (ঢ্যাপের খৈ) বলে পরিচিত। মাটির নিচের মূল অংশকে স্থানীয় ভাষায় শালুক বলা হয়।
শিক্ষক মুজিবুর রহমান জানান, শাপলার ভেষজ গুণও কম নয়। শাপলা সাধারণত লাল ও সাদা রংয়েরই চোখে পড়েছে। এছাড়া আরও বেশ কয়েক রংয়ের শাপলা রয়েছে।
এর মধ্যে লাল ও সাদা ফুল বিশিষ্ট শাপলা সবজি হিসেবে ভোজন রসিকরা খায়। তবে লাল রংয়ের শাপলা ঔষধী কাজে ব্যবহৃত হয়। লাল ও সাদা রংয়ের শাপলা খুব পুষ্টি সমৃদ্ধ সবজি। শাক-সবজির চেয়ে এর পুষ্টিগুন খুব বেশি। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে। তিনি আরো জানান, শাপলা চুলকানী ও রক্ত আমাশয়ের জন্য বেশ উপকারী।
বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা ওয়াল্ড কনসার্ন কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা রজিব বিশ্বাস জানান, চাষের জমিতে অধিক মাত্রায় আগাছা নাশক ও কীটনাশক প্রয়োগের ফলে জমির উর্বরতা দিন দিন কমে গেছে। এছাড়া নিচু জলাশায় জমি ভড়াট করে বসতি স্থাপন করার কারনে শাপলার বংশ বিস্তার কমে যাচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমান, খাল-বিল ও আবদ্ধ জলাশয়গুলো দিন দিন শুকিয়ে যাওয়ার কারনে শাপলার শালুক নষ্ট হচ্ছে। এর ফলে শাপলার বংশ বিস্তারে বাঁধার সম্মুখীন হচ্ছে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
উত্তম কুমার হাওলাদার কলাপাড়া (পটুয়াখালী)প্রতিনিধি
পটুয়াখালী,রোববার,০৮ অক্টোবর, এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

User Comments

  • এক্সক্লুসিভ