X

২০ অক্টোবর ২০১৭ ৩:৪৭:৪৮ | ৬ কাতর্িক ১৪২৪ শুক্রবার | ২৯ মহরম ১৪৩৯

প্রচ্ছদ  »   জেলার খবর

ঝড়-জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষায় উপকূলীয় সবুজ দেয়াল নির্মান কাজ শুরু

ঝড়-জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষায় উপকূলীয় সবুজ দেয়াল নির্মান কাজ শুরু

ঝড়-জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষা পেতে সমুদ্র উপকূলীয় পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় তৃণমূল পর্যায়ের গ্রাম গঞ্জের মানুষ বৃক্ষ রোপন অভিযানে নেমেছে। জান-মাল রক্ষার্থে ব্যাক্তি উদ্যোগে প্রতিটি বাড়ির পরিত্যক্ত জমিতে হাজার হাজার ফলোদ ও বনজ গাছের চরা রোপন করছে। উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে বিভিন্ন গ্রামের মানুষ যেন সবুজ বিপ্লবে নেমেছে। চারিদিকে শুধুই সবুজের সমারোহ। এছাড়া বিভিন্ন বে-সরকারি সংস্থা বিভিন্ন রাস্তার দু’পাশেও চারা গাছ রোপানের কাজ শুরু করেছে দিয়েছে। এর ফলে এ উপকূলীয় এলাকায় একসময় প্রাকৃতিক সবুজ দেয়াল তৈরী হবে এমটাই মনে করছেন পরিবেশবিধরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় ব্যক্তি উদ্যোগে হাজার হাজার মানুষ চারা গাছ রোপন করা হচ্ছে। এছাড়া বে-সরকারি সংস্থা ওয়ার্ল্ড কনসার্ন বাংলাদেশ বালিয়তলী, মিঠাগঞ্জ, ডালবুগঞ্জ ও মহিপুর ইউনিয়নের ছয় কিলোমিটার সড়কের উভয় পার্শ্বে চার হাজার বনজ বৃক্ষ রোপন কার হয়েছে। ওইসব গাছের চারা রক্ষনাবেক্ষনের দ্বায়িত্বে থাকবে স্থানীয় ওয়ার্ড দূর্যোগ কমিটি বলে জানা গেছে। চারা গাছ বিক্রেতা উপজেলার টিয়াখালী ইউনিযনের মেহেদী হাসান জানান, তিনি প্রায় দেড় লক্ষাধিক গাছের চারা বিক্রি করা হয়েছে। অপর
চারা গাছ বিক্রেতা কবির, জাহিদ,বাবুল, হালিম এ বছর এক থেকে দেড় লাখ ফলদ ও বনজ চারা গাছ বিক্রি করেছেন। তারা জানান, লাভজনক হওয়ায় সবাই চারা গাছ রোপনের প্রতি ঝুঁকে পড়ছে। তাছাড়া এ আঞ্চলের মানুষের চারা গাছ লাগানোর আগ্রহ বেড়ে গেছে। একাধিক লোকজনের সাথে আলাপ করলে তারা জানান, এক মাত্র গাছই পারে তাদের জীবন বাঁচাতে,এ ধারনায় ব্যক্তি উদ্যোগে প্রতিটি গ্রামের বাড়ির ওঠান পরিত্যক্ত জমিতে চারা গাছ রোপন শুরু করেছে। ধলাসার ইউনিয়নের চাপলী এলাকার মো.লুৎফুল হাসান রানা জানান, সামান্য
ঝড় হলেই ঘর বাড়ি উড়িয়ে নিয়ে যায়। ঝড়ো বাতাস থেকে রক্ষা পেতে গ্রামবাসিরা এখন বাড়ির চারপাশে দ্রুত বর্ধনশীল বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপন করেছে। নিজেও শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির চারা গাছ রোপন করেছেন বলে তিনি জানান।
ওয়ার্ল্ড কনসার্ন বাংলাদেশ উপজেলা সমন্বয়কারী জেমস্ রাজিব বিশ্বাস জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় টিয়ার ফান্ড, সিডর ফান্ড ও ইন্টারএক্ট’র অর্থায়নে ওইসব ইউনিয়রে গুরুত্বপূর্ন সড়কে এ বৃক্ষ রোপন করা হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.মশিউর রহমান জানান, সরকারি ভাবে এ বছর উপজেলায় বিভিন্ন প্রজাতির ফলোদ, বনজ ও ঔষধী গাছের বিতরন করা হয়েছে। এলাকার লোকজন এভাবে যদি চারা গাছ রোপন করে তা হলে এক সময় এ সমুদ্র উপকূলীয় এলকায় সবুজ বেস্টনী তৈরী হবে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
উত্তম কুমার হাওলাদার কলাপাড়া (পটুয়াখালী)প্রতিনিধি
পটুয়াখালী,বুধবার,১১ অক্টোবর, এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

User Comments

  • জেলার খবর