X

১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ৭:৩৭:৩৮ | ৬ ফাল্গুন ১৪২৪ রবিবার | ১০ জমা: সানি ১৪৩৯

প্রচ্ছদ  »   বিশেষ সংবাদ

ডিআইজি মিজানুর রহমানকে প্রত্যাহার,বর্তমানে তাকে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত

ডিআইজি মিজানুর রহমানকে প্রত্যাহার,বর্তমানে তাকে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত

ঢাকা: অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে এক নারীকে বিয়ে করার অভিযোগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনারের (ডিআইজি) পদ থেকে মিজানুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (০৯ জানুয়ারি ২০১৮)দুপুর সোয়া তিনটায় রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সপ্তাহের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ডিআইজি মিজানের নৈতিক স্খলনের কথা জানতে পেরেছি। এ বিষয়ে তদন্তের পর জানতে পারবো আসলে সে কতটা দোষী। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।এখন প্রাথমিকভাবে অভিযোগের ভিত্তিতে ডিআইজি মিজানকে ডিএমপি থেকে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়েছে।
কত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পুলিশ সপ্তাহ চলছে। দুই-একদিন পর আইজিপি-ডিএমপি কমিশনারের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করে তদন্ত কাজ শুরু করবে। কোনো ব্যক্তির দায় বাহিনী নেবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। পুলিশের অনেক সদস্যও বিভিন্ন অপরাধে কারাগারে রয়েছে। ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে একটি জাতীয় দৈনিককে এক নারী বলেন, পান্থপথের স্কয়ার হাসপাতালের কাছে তার বাসা। গত বছরের জুলাইয়ে সেখান থেকে কৌশলে তাকে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা মিজান। পরে বেইলি রোডের মিজানের বাসায় নিয়ে তিনদিন আটকে রাখা হয়েছিল তাকে।
ওই নারীর দাবি, আটকে রাখার পর বগুড়া থেকে তার মা’কে ১৭ জুলাই ডেকে আনা হয় এবং ৫০ লাখ টাকা কাবিননামায় মিজানকে বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়। পরে লালমাটিয়ার একটি ভাড়া বাড়িতে তাকে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে রাখেন আগে থেকেই বিবাহিত মিজান।
ওই নারীর অভিযোগ, কয়েক মাস কোনো সমস্যা না হলেও ফেসবুকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে একটি ছবি তোলার পর ক্ষিপ্ত হন মিজান। ভাঙচুরের ‘মিথ্যা’ একটি মামলা দিয়ে তাকে গত ১২ ডিসেম্বর কারাগারে পাঠানো হয়। সেই মামলায় জামিন পাওয়ার পর মিথ্যা কাবিননামা তৈরির অভিযোগে আরেকটি মামলা করানো হয়।ওই মামলাতেও জামিনে বেরিয়ে এসে ডিআইজির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন ওই নারী। একই দৈনিকে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের টিভি উপস্থাপিকার জীবন এই ডিআইজি বিষিয়ে তুলেছিলেন বলেও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
তবে ডিআইজি মিজানুর রহমান দাবি করেছেন তার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি ওই নারীকে প্রতারক হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
মোঃ মাসুদ হাসান মোল্লা রিদম,
ঢাকা,মঙ্গলবার,০৯ জানুয়ারি, এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

User Comments

  • বিশেষ সংবাদ