X

১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ৭:৩৮:২৭ | ৬ ফাল্গুন ১৪২৪ রবিবার | ১০ জমা: সানি ১৪৩৯

প্রচ্ছদ  »   জাতীয়

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৮ সালের শেষে অনুষ্ঠিত হবে-প্রধানমন্ত্রী

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৮ সালের শেষে অনুষ্ঠিত হবে-প্রধানমন্ত্রী

সংবিধানের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনেই পরবর্তী নির্বাচন ২০১৮ সালের শেষে অনুষ্ঠিত হবে আজ শুক্রবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সরকারের টানা দ্বিতীয় মেয়াদের চার বছরের পূর্তি উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। দেশের গণতান্ত্রিক ধারা সমুন্নত রাখতে আগামী নির্বাচনে সব দলকে অংশ গ্রহণের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। ২৬ মিনিটের এ ভাষণে সরকারের উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন।
ভাষণে ২০১৪ সালে নির্বাচন ঠেকানোর নামে সারাদেশে বিএনপি-জামায়াতের সহিংসতা কথা স্মরণ করিয়ে দেন। বলেন, আগামী নির্বাচনকে ঘিরে দেশে এমন অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টা হতে পারে। এ ব্যাপারে জনগণকে সর্তক থাকতে আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা অতীতকে আঁকড়ে ধরে রাখতে চাই না, তবে এটা ভুলে গেলেও আমাদের চলবে না। আমাদের অতীতের সাফল্য এবং ব্যর্থতার মূল্যায়ন এবং ভুল-ক্রুটিগুলো সংশোধন করেই এগিয়ে যেতে হবে।’প্রধানমন্ত্রী বলেন,  ‘আমরা এখন উন্নয়নের মহাসড়কে রয়েছি, কাজেই পেছনে ফিরে তাকানোর আর সুযোগ নেই এবং আশা করছি বর্তমান এবং ভবিষ্যত প্রজন্ম সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির পথে সকল বাধা অপসারণের দায়িত্ব নেবে।’প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সাল নাগাদ একটি উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে তাঁর দৃঢ় সংকল্প পুণর্ব্যক্ত করেন।শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা আমাদের লক্ষ্য নির্ধারণ করে শুধু বসে থাকতে চাই না। আমরা পরিকল্পনা প্রণয়ন করে সেগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।’ তিনি আরো বলেন, ‘স্বাধীনতার পর থেকে ৪৭ বছর অতিবাহিত হয়েছে এবং এখন আমরা বিশ্ব দরবারে মর্যাদাপূর্ণ জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে চলতে চাই।’ তিনি বলেন, ‘যদি আপনাদের এটাই প্রত্যাশা হয় তাহলে সবসময়ই আমরা আপনাদের পাশে থাকবো।’
ভাষণে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের সংবিধান অনুযায়ী ২০১৮ সালের শেষের দিকে একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কীভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সেটা আমাদের সংবিধানে স্পষ্টভাবে বলা আছে। আর সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের আগে নির্বাচন কালীন সরকার গঠিত হবে।আর সেই সরকার নির্বাচন কালীন সময়ে নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করবেন। আমি আশা করি নির্বাচন কমিশনের সকল নিবন্ধিত দল একাদশ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। এবং দেশের গণতান্ত্রিক ধারা সমুন্নত রাখতে সকলেই সচেষ্ট হবেন।প্রধানমন্ত্রী দলমত নির্বিশেষে সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত, সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলায় একযোগে কাজ করে যাবার জন্যও দেশবাসীর প্রতি আহবান জানান।
ঢাকা,শুক্রবার,১২ জানুয়ারি, এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

User Comments

  • জাতীয়