জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৬’ এর বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৬’ এর বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।রোববার (৮ জুলাই) বিকেলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পুরস্কার তুলে দেন সরকারপ্রধান। ২৫টি বিভাগে ৩১ জন বিজয়ী পুরস্কার পান।তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছেন, তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য এ কে এম রহমতুল্লাহ, তথ্য সচিব আবদুল মালেকসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তারা। এবার যুগ্ম-ভাবে আজীবন সম্মাননা গ্রহণ করেছেন চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠান ফারুক ও চিত্রনায়িকা ফরিদা আক্তার ববিতা। দু’জনেই উপস্থিত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে চঞ্চল চৌধুরী ‘আয়নাবাজি’ চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতা এবং নুসরাত ইমরোজ তিশা ‘অস্তিত্ব’ চলচ্চিত্রের জন্য এবং কুসুম সিকদার ‘শঙ্খচিল’ চলচ্চিত্রের জন্য যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার লাভ করেন।শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ‘অজ্ঞাতনামা’র জন্য ফরিদুর রেজা সাগর,‘আয়নাবাজি’ চলচ্চিত্রের জন্য অমিতাভ রেজা চৌধুরী শ্রেষ্ঠ পরিচালকের পুরস্কার লাভ করেন।নাট্য অভিনেতা ও কাহিনীকার তৌকির আহমেদ তাঁর ‘অজ্ঞাতনামা’ চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার, রাশেদ জামান শ্রেষ্ঠ চিত্র গ্রাহক, শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক হিসেবে উত্তম গুহ, শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে গাজী মাজহারুল আনোয়ার, শেষ্ঠ সুরকার এবং সঙ্গীত পরিচালকের পৃথক দুটি ক্যাটাগরিতে ইমন সাহা এবং শ্রেষ্ঠ গায়িকা হিসেবে মেহের আফরোজ শাওন প্রধানমন্ত্রীর নিকট থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন।শ্রেষ্ঠ খল অভিনেতা হিসেবে শহীদুজ্জামান সেলিম, সেরা অভিনেতা পার্শ্বচরিত্রের জন্য যৌথভাবে আলীরাজ ও ফজলুর রহমান বাবু এবং তানিয়া আহমেদ শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পার্শ্বচরিত্রের পুরস্কার লাভ করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘কোনদিক থেকেই আমরা পিছিয়ে থাকতে চাই না। কাজেই শিল্পের দিক থেকে এমনকি চলচ্চিত্র শিল্পে আমরা বিশ্বমানের চলচ্চিত্র নির্মাণের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে চাই।’প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘আমাদের দেশে এখন অনেক ভালো সিনেমা হয়। সবসময় তো দেখতে পারি না, তবে বিমানে যাতায়াতের সময় সিনেমা দেখি। ওই একটাই সুযোগ, নিরিবিলি দেখি। এর বাইরে তো সময় পাই না। সারাদিন মিটিং আর ফাইল নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘এর জন্য যা করা দরকার আমরা তা করব। কারণ এদেশের এফডিসি এবং চলচ্চিত্র শিল্পের জন্ম আমার বাবার হাত ধরেই।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলচ্চিত্র শিল্পের কলা-কুশলীদের মাঝে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ আরো বেশি করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য প্রযোজকদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসকে যত বেশি সম্ভব চলচ্চিত্রের পর্দায় তুলে ধরতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং সংগ্রাম সে চিত্রগুলো মানুষের কাছে তুলে ধরা একান্তভাবে প্রয়োজন। কারণ আমাদের স্বাধীনতা দীর্ঘ ২৩ বছরের সংগ্রাম আর ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের বিজয় অর্জনের ফসল।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের সবসময় একটা কথা মনে রাখতে হবে আমরা মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ী জাতি। বিজয়ী জাতি হিসেবে বিশ্ব দরবারে আমরা মাথা উঁচু করে চলতে চাই।’পরে এ প্রজন্মের চিত্রনায়ক ফেরদৌস এবং চিত্রনায়িকা পূর্ণিমার উপস্থাপনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও উপভোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।
ঢাকা,রোববার,০৮ জুলাই,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

সর্বশেষ আপডেট



» চট্টগ্রামে দুর্ঘটনার কবলে ইউএস বাংলার বিমান শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ

» খালেদার জামিন বহাল এবং আদালতের প্রতি অনাস্থার আদেশ আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর

» জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ায় পাঁচমিশালি নেতৃত্বে জনগণের আস্থা নাই

» বাউফলে চীফ হুইপের সাথে পেশাজীবীদের প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা শীর্ষক মতবিনিময় সভা

» বুধবার ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে ভাসাভি স্কুল কাবাডি প্রতিযোগিতা-২০১৮

» মৌসুমের সেরা খেলোয়াড় এবং কোচের পুরস্কার প্রদান করেছে ফিফা।

» ঢাবি ‘খ’ ইউনিটের প্রথম বর্ষ স্নাতক সম্মান শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ উত্তীর্ণ ১৪ শতাংশ

» আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির জনসভা

» চট্টগ্রামে ট্রাক চাপায় দু’টি সিএনজি অটোরিকশার চালকসহ ৫ জন নিহত

» রোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসনে তিনটি প্রস্তাব তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

 

 

সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
,

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৬’ এর বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৬’ এর বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।রোববার (৮ জুলাই) বিকেলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পুরস্কার তুলে দেন সরকারপ্রধান। ২৫টি বিভাগে ৩১ জন বিজয়ী পুরস্কার পান।তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছেন, তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য এ কে এম রহমতুল্লাহ, তথ্য সচিব আবদুল মালেকসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তারা। এবার যুগ্ম-ভাবে আজীবন সম্মাননা গ্রহণ করেছেন চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠান ফারুক ও চিত্রনায়িকা ফরিদা আক্তার ববিতা। দু’জনেই উপস্থিত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে চঞ্চল চৌধুরী ‘আয়নাবাজি’ চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতা এবং নুসরাত ইমরোজ তিশা ‘অস্তিত্ব’ চলচ্চিত্রের জন্য এবং কুসুম সিকদার ‘শঙ্খচিল’ চলচ্চিত্রের জন্য যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার লাভ করেন।শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ‘অজ্ঞাতনামা’র জন্য ফরিদুর রেজা সাগর,‘আয়নাবাজি’ চলচ্চিত্রের জন্য অমিতাভ রেজা চৌধুরী শ্রেষ্ঠ পরিচালকের পুরস্কার লাভ করেন।নাট্য অভিনেতা ও কাহিনীকার তৌকির আহমেদ তাঁর ‘অজ্ঞাতনামা’ চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার, রাশেদ জামান শ্রেষ্ঠ চিত্র গ্রাহক, শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক হিসেবে উত্তম গুহ, শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে গাজী মাজহারুল আনোয়ার, শেষ্ঠ সুরকার এবং সঙ্গীত পরিচালকের পৃথক দুটি ক্যাটাগরিতে ইমন সাহা এবং শ্রেষ্ঠ গায়িকা হিসেবে মেহের আফরোজ শাওন প্রধানমন্ত্রীর নিকট থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন।শ্রেষ্ঠ খল অভিনেতা হিসেবে শহীদুজ্জামান সেলিম, সেরা অভিনেতা পার্শ্বচরিত্রের জন্য যৌথভাবে আলীরাজ ও ফজলুর রহমান বাবু এবং তানিয়া আহমেদ শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পার্শ্বচরিত্রের পুরস্কার লাভ করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘কোনদিক থেকেই আমরা পিছিয়ে থাকতে চাই না। কাজেই শিল্পের দিক থেকে এমনকি চলচ্চিত্র শিল্পে আমরা বিশ্বমানের চলচ্চিত্র নির্মাণের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে চাই।’প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘আমাদের দেশে এখন অনেক ভালো সিনেমা হয়। সবসময় তো দেখতে পারি না, তবে বিমানে যাতায়াতের সময় সিনেমা দেখি। ওই একটাই সুযোগ, নিরিবিলি দেখি। এর বাইরে তো সময় পাই না। সারাদিন মিটিং আর ফাইল নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘এর জন্য যা করা দরকার আমরা তা করব। কারণ এদেশের এফডিসি এবং চলচ্চিত্র শিল্পের জন্ম আমার বাবার হাত ধরেই।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলচ্চিত্র শিল্পের কলা-কুশলীদের মাঝে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ আরো বেশি করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য প্রযোজকদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসকে যত বেশি সম্ভব চলচ্চিত্রের পর্দায় তুলে ধরতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং সংগ্রাম সে চিত্রগুলো মানুষের কাছে তুলে ধরা একান্তভাবে প্রয়োজন। কারণ আমাদের স্বাধীনতা দীর্ঘ ২৩ বছরের সংগ্রাম আর ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের বিজয় অর্জনের ফসল।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের সবসময় একটা কথা মনে রাখতে হবে আমরা মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ী জাতি। বিজয়ী জাতি হিসেবে বিশ্ব দরবারে আমরা মাথা উঁচু করে চলতে চাই।’পরে এ প্রজন্মের চিত্রনায়ক ফেরদৌস এবং চিত্রনায়িকা পূর্ণিমার উপস্থাপনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও উপভোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।
ঢাকা,রোববার,০৮ জুলাই,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

© Copyright BY HBnews24.Com

Design & Developed BY Abir bbm