করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলাদেশে

নতুন আক্রান্ত মোট আক্রান্ত সুস্থ মৃত্যু
৩৮৫ ৫,৪৬,৬১৬ ৪,৯৬,৯২৪ ৮৪০৮

উপকূল থেকে বিলুপ্তির পথে জাতীয় পাখি দোয়েল

কলাপাড়া(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি,২৮ সেপ্টেম্বর।।জাতীয় পাখি দোয়েল। বেশির ভাগই একাকী এর বিচরণ। এটি অত্যন্ত অস্থির পাখি। কোথাও একদন্ড বসে থাকার সময় নেই, সারাদিন ওড়াউড়ি। এক সময় সমুদ্র উপকূলবর্তী পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার গ্রামগঞ্জের বন-জঙ্গলে গাছের ডালে ডালে অবাধ বিচরন ছিল। চিরচেনা এ পাখি এখন আর দেখা যায়না। কানে বাজে না এর সু-মিষ্টি সুর। ক্রমশ পরিবেশ দূষণ, নির্বিচারে বন থেকে গাছ কাটা, জমিতে অধিক পরিমানে কিটনাশক ব্যবহার, পাখির
বিচরণ ক্ষেত্র আর খাদ্য সংকট সহ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দোয়ল পাখি
আজ প্রায় বিলুপ্তির পথে যেতে বসেছে। জানা গেছে, বাংলাদেশের পাখির তালিকায় মোট ৭৪৪ টি পাখি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ সমস্ত পাখির মধ্যে গত দুই শতকে বাংলাদেশে ছিল (কিন্তু এখন নেই) এবং বর্তমানে আছে এমন পাখির সংখ্যা মোট ৬৫০টি। এর মধ্যে ৩০টি বর্তমানে বিলুপ্ত। অবশিষ্ট ৬২০টি প্রজাতির পাখি
সাম্প্রতিককালে এদেশে দেখা গেছে বলে অনলাইন উইকিপিডিয়াতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে পাখি গবেষকরা। পরিবেশবীদরা জানান, পাখি কমে যাওয়ার কারন শুধুই প্রাকৃতিক বিপর্যয় নয়, এখানে মানব সৃষ্ট অনেক কারন রয়েছে। এর মধ্যে ফলজ গাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে, তাই সমস্যায় পড়েছে পাখিরা। পাখির বাচ্চারা বিভিন্ন ধরনের
ছোট ছোট পোকামাকড় খায়। পোকামাকড়ের সংখ্যা কমে যাওয়ায় তাদের
জীবনধারণও সঙ্কটে পরে আনেক পাখি অন্যত্র চলে গেছে।
জীববিজ্ঞানবীদ শিক্ষক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, গত এক দশক আগেও এ অঞ্চলে দোয়েল পাখি বুক ফুলিয়ে মিষ্টি সুরে ডেকে বেড়াতো।
আর সব সময় মানুষের সান্নিধ্যে থাকতে দেখা যেত এ পাখি। আবার মাটিতে লাফিয়ে লাফিয়ে খাদ্য সংগ্রহ করতো। কিন্তু আজ কালের পরিক্রমায় প্রায় বিলুপ্তির পথে। যেন চোখের আড়াল হয়ে গেছে। জাতীয় পুরুস্কার প্রাপ্ত পাখী প্রেমী মো.হান্নান খান বলেন, দোয়েল আমদের জাতীয় পাখি। এখন নাই বললেই চলে। এর কারন হিসাবে তিনি আরো বলেন, শিল্পায়ন, নগরায়ন ও যানবাহনের শব্দদূষনে প্রতিনিয়ত পাখিরা অন্যত্র চলে যাচ্ছে। এছাড়া নির্বিচারে বৃক্ষনিধনের মাধ্যমে পাখিদের আবাসস্থল ধ্বংস হচ্ছে। কৃষকরা অধিক ফসল পাওয়ার আসায় ক্ষেতে ক্ষতিকারণ কীটনাশক প্রয়োগে খাদ্য সংকটও দেখা দিয়েছে। আবার পাখি শিকারীরা বেশ পাখি মেরে ফেলেছে। এর ফলে দিন দিন এ অঞ্চল থেকে চিরচেনা অনেক প্রজাতির পাখিই প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
উত্তম কুমার হাওলাদার, (কলাপাড়া)প্রতিনিধি
পটুয়াখালী,শুক্রবার,২৮ সেপ্টম্বর,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

সর্বশেষ আপডেট



» নতুন করে আরও ৩৮৫ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত,মৃত্যু ৮ জন

» রোববার থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার কার্যক্রম পুরোদমে শুরু

» নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভা নির্বাচন চলাকালে নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত ১

» শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আগেই শিক্ষক-কর্মচারীদের করোনার টিকা নিতে হবে

» কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোরের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর

» প্রেসক্লাবের সামনে ছাত্রদলের বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘিরে সংঘর্ষ

» করোনায় বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২৫ লাখ ৩৬ হাজার

» পঞ্চম ধাপে দেশের ২৯টি পৌরসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু

» সিরাজগঞ্জে চুরি হওয়া দুই নবজাতককে একই বাসা থেকে উদ্ধার মৃত ১

» বরিশালের কীর্তরখোলা নদীতে মুসল্লিবাহী ট্রলার ডুবি

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

 

 

সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ খ্রিষ্টাব্দ, ১৫ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

উপকূল থেকে বিলুপ্তির পথে জাতীয় পাখি দোয়েল

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

কলাপাড়া(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি,২৮ সেপ্টেম্বর।।জাতীয় পাখি দোয়েল। বেশির ভাগই একাকী এর বিচরণ। এটি অত্যন্ত অস্থির পাখি। কোথাও একদন্ড বসে থাকার সময় নেই, সারাদিন ওড়াউড়ি। এক সময় সমুদ্র উপকূলবর্তী পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার গ্রামগঞ্জের বন-জঙ্গলে গাছের ডালে ডালে অবাধ বিচরন ছিল। চিরচেনা এ পাখি এখন আর দেখা যায়না। কানে বাজে না এর সু-মিষ্টি সুর। ক্রমশ পরিবেশ দূষণ, নির্বিচারে বন থেকে গাছ কাটা, জমিতে অধিক পরিমানে কিটনাশক ব্যবহার, পাখির
বিচরণ ক্ষেত্র আর খাদ্য সংকট সহ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দোয়ল পাখি
আজ প্রায় বিলুপ্তির পথে যেতে বসেছে। জানা গেছে, বাংলাদেশের পাখির তালিকায় মোট ৭৪৪ টি পাখি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ সমস্ত পাখির মধ্যে গত দুই শতকে বাংলাদেশে ছিল (কিন্তু এখন নেই) এবং বর্তমানে আছে এমন পাখির সংখ্যা মোট ৬৫০টি। এর মধ্যে ৩০টি বর্তমানে বিলুপ্ত। অবশিষ্ট ৬২০টি প্রজাতির পাখি
সাম্প্রতিককালে এদেশে দেখা গেছে বলে অনলাইন উইকিপিডিয়াতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে পাখি গবেষকরা। পরিবেশবীদরা জানান, পাখি কমে যাওয়ার কারন শুধুই প্রাকৃতিক বিপর্যয় নয়, এখানে মানব সৃষ্ট অনেক কারন রয়েছে। এর মধ্যে ফলজ গাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে, তাই সমস্যায় পড়েছে পাখিরা। পাখির বাচ্চারা বিভিন্ন ধরনের
ছোট ছোট পোকামাকড় খায়। পোকামাকড়ের সংখ্যা কমে যাওয়ায় তাদের
জীবনধারণও সঙ্কটে পরে আনেক পাখি অন্যত্র চলে গেছে।
জীববিজ্ঞানবীদ শিক্ষক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, গত এক দশক আগেও এ অঞ্চলে দোয়েল পাখি বুক ফুলিয়ে মিষ্টি সুরে ডেকে বেড়াতো।
আর সব সময় মানুষের সান্নিধ্যে থাকতে দেখা যেত এ পাখি। আবার মাটিতে লাফিয়ে লাফিয়ে খাদ্য সংগ্রহ করতো। কিন্তু আজ কালের পরিক্রমায় প্রায় বিলুপ্তির পথে। যেন চোখের আড়াল হয়ে গেছে। জাতীয় পুরুস্কার প্রাপ্ত পাখী প্রেমী মো.হান্নান খান বলেন, দোয়েল আমদের জাতীয় পাখি। এখন নাই বললেই চলে। এর কারন হিসাবে তিনি আরো বলেন, শিল্পায়ন, নগরায়ন ও যানবাহনের শব্দদূষনে প্রতিনিয়ত পাখিরা অন্যত্র চলে যাচ্ছে। এছাড়া নির্বিচারে বৃক্ষনিধনের মাধ্যমে পাখিদের আবাসস্থল ধ্বংস হচ্ছে। কৃষকরা অধিক ফসল পাওয়ার আসায় ক্ষেতে ক্ষতিকারণ কীটনাশক প্রয়োগে খাদ্য সংকটও দেখা দিয়েছে। আবার পাখি শিকারীরা বেশ পাখি মেরে ফেলেছে। এর ফলে দিন দিন এ অঞ্চল থেকে চিরচেনা অনেক প্রজাতির পাখিই প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
উত্তম কুমার হাওলাদার, (কলাপাড়া)প্রতিনিধি
পটুয়াখালী,শুক্রবার,২৮ সেপ্টম্বর,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

© Copyright BY HBnews24.Com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com

Translate »
error: Alert: Content is protected !!