করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলাদেশে

নতুন আক্রান্ত মোট আক্রান্ত সুস্থ মৃত্যু
২০৬০ ৪,৪৭,৩৪১ ৩,৬২,৪২৮ ৬৩৮৮

জনসভা থেকে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ ৭ দফা দাবি জানিয়েছে বিএনপি

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই ৭ দফা দাবি মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন দলের শীর্ষ নেতারা।
রোববার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপি আয়োজিত জনসভায় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং ‘নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার’ গঠনসহ বিভিন্ন দাবিতে এ সভার আয়োজন করা হয়।
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন ফখরুল। কারাবন্দি বিএনপি প্রধান খালেদা জিয়ার জন্য ‘প্রধান অতিথি’র আসন ফাঁকা রাখা হয়। তবে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।জনসভায় সরকারের উদ্দেশে বিএনপির পক্ষ থেকে ৭ দফা দাবি ও ১২ দফা লক্ষ্য (অঙ্গীকার) ঘোষণার আগে ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ দেশটাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। দুর্নীতি-লুটপাট করে আজ অর্থনীতিকে শেষ করে দেওয়া হয়েছে। আমাদের অসংখ্য সহযোদ্ধাকে গুম ও হত্যা করেছে। প্রতিদিন কয়েক হাজার ‘গায়েবি মামলা’ দিচ্ছে।
সরকার ও পুলিশ-প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই ‘মিথ্যা মামলার’ জন্য ভবিষ্যতে জবাবদিহি করতে হবে। সব ঘটনার তদন্ত হবে। তখন কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এই সরকারকে বিএনপির ভয়ে ধরেছে। তারা খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান আতঙ্কে ভুগছে।খালেদা জিয়ার মুক্তি, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠনসহ সাত দফা দাবি আদায়ে কর্মসূচি ঘোষণা করে ফখরুল বলেন, এসব দাবি আদায়ে আগামী ৩ অক্টোবর জেলায় জেলায় বিক্ষোভ কর্মসূচি ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান এবং ৪ অক্টোবর মহানগর পর্যায়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে। এভাবে দাবি আদায়ে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদ বলেন, ‘আমরা যদি ক্ষমতায় যাই, এই ডিজিটাল নিরপত্তা আইন আমরা ৭ দিনের মধ্যে বাতিল করে দেব। আপনারা যদি আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে প্রতিহত করেন, আমরাও আপনাদের প্রতিহত করবো।’মওদুদ আহমদ বলেন, এবার আর সরকারকে মাঠ দখল করতে দেওয়া হবে না। বিনা বাধায় ছেড়ে দেওয়া হবে না। আবার একতরফা নির্বাচন করে ক্ষমতায় দখল করতে দেওয়া হবে না। আপনারা যদি মনে করেন আপনারা মাঠ দখল করবেন, আর আমরা বসে থাকব, সেটি হবে দুঃস্বপ্ন। জনসভার প্রধান বক্তা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, আমি সরকারকে বলতে চাই, আপনারা ২৪ ঘণ্টার সময় দিয়ে মিটিং করতে দিয়েছেন। এ সভা জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। সাহস থাকলে সাতদিনের সময় দিয়ে সভা করার সুযোগ দিন, দেখবেন ঢাকা শহর জনসমুদ্র হয়ে যাবে। আপনারা বলেন, আমরা সভা করলে নাশকতা হবে। আজ দেখে যান, আমাদের সভা হচ্ছে শান্তিপূর্ণ। কোথাও আপনারা বিশৃঙ্খলা দেখতে পান?
ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, এ সরকার রাষ্ট্রের সব স্তম্ভকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এ সরকার ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচারে পরিণত হয়েছে। তাই এ দেশের মানুষ স্বৈরাচার সরকারকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। তাদের বিদায় নিতে হবে। জনগণের প্রতিনিধির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই নেতা বলেন, আওয়ামী লীগ এখন আতঙ্কিত। তাই তারা ক্ষমতা ছাড়তে চায় না। এজন্য উল্টা-পাল্টা কথা বলে। আমাদের সামনে আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি আদায় করতে হলে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।জনসভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার বলেন, আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে এ সরকারের পতন ঘটিয়ে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করব। কারণ সরকার একের পর এক মামলা দিচ্ছে খালেদা জিয়া যেন বের হয়ে আসতে না পারেন।
জমির উদ্দিন সরকার বলেন, আমাদের সবাইকে রাজপথের আন্দোলনের জন্য ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। কারণ রাজপথ ছাড়া দাবি আদায় হবে না, খালেদা জিয়ার মুক্তি হবে না। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি আদায় হবে না।স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, এ দেশে কেউ বাকি নাই, যাদের বিরুদ্ধে মামলা নাই। সরকার গত এক মাস বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে গায়েবি মামলা দিচ্ছে। বাংলাদেশে মনে হয় কখনো কারো বিরুদ্ধে এত অমানসিক নির্যাতন হয়েছে বলে আমার জানা নেই। এ সরকার বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীকে ভয় পায়। তাই সবার নামে গায়েবি মামলা দিচ্ছে।
সরকারের উদ্দেশে সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী মির্জা আব্বাস বলেন, সরকারের নেতারা বলেন, তারা রাজপথ দখল করবেন। তারা রাজপথ দখল করবে কীভাবে, গোটা বাংলাদেশই তারা দখল করে আছে।
মির্জা আব্বাস বলেন, বিএনপি নয়, আওয়ামী লীগই ষড়যন্ত্র করছে ক্ষমতা দখলে রাখার জন্য। কিন্তু আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে তাদের ষড়যন্ত্র সফল হতে দেব না। রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করব, নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আদায় করব।
ঢাকা,রোববার,৩০ সেপ্টম্বর,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

সর্বশেষ আপডেট



» করোনা দিন দিন বাড়ছে। প্রয়োজনে কঠিন সিদ্ধান্ত আসবে

» নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে তাজরিন গার্মেন্টেসে নিহত শ্রমিকদের স্মরণ

» দৈনিক সংবাদের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুনীরুজ্জামানের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

» সন্ধ্যায় শপথ নেবেন নতুন ধর্মপ্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান দুলাল

» দৈনিক সংবাদের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক খন্দকার মুনীরুজ্জামান আর নেই

» মহাখালীর সাততলা বস্তিতে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে

» নতুন করে আরও ২৪১৯ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত,মৃত্যু ২৮ জন

» গোপালগ‌ঞ্জের মুকসুদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে একজন নিহত

» খুলনায় শ্রীফলতলা এলাকার ভ্যানচালক হত্যা মামলায় একজনের ফাঁসির আদেশ

» বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক তারকা ফুটবলার বাদল রায় মারা গেছেন

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

 

 

সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com




আজ মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০ খ্রিষ্টাব্দ, ৯ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

জনসভা থেকে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ ৭ দফা দাবি জানিয়েছে বিএনপি

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই ৭ দফা দাবি মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন দলের শীর্ষ নেতারা।
রোববার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপি আয়োজিত জনসভায় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং ‘নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার’ গঠনসহ বিভিন্ন দাবিতে এ সভার আয়োজন করা হয়।
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন ফখরুল। কারাবন্দি বিএনপি প্রধান খালেদা জিয়ার জন্য ‘প্রধান অতিথি’র আসন ফাঁকা রাখা হয়। তবে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।জনসভায় সরকারের উদ্দেশে বিএনপির পক্ষ থেকে ৭ দফা দাবি ও ১২ দফা লক্ষ্য (অঙ্গীকার) ঘোষণার আগে ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ দেশটাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। দুর্নীতি-লুটপাট করে আজ অর্থনীতিকে শেষ করে দেওয়া হয়েছে। আমাদের অসংখ্য সহযোদ্ধাকে গুম ও হত্যা করেছে। প্রতিদিন কয়েক হাজার ‘গায়েবি মামলা’ দিচ্ছে।
সরকার ও পুলিশ-প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই ‘মিথ্যা মামলার’ জন্য ভবিষ্যতে জবাবদিহি করতে হবে। সব ঘটনার তদন্ত হবে। তখন কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এই সরকারকে বিএনপির ভয়ে ধরেছে। তারা খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান আতঙ্কে ভুগছে।খালেদা জিয়ার মুক্তি, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠনসহ সাত দফা দাবি আদায়ে কর্মসূচি ঘোষণা করে ফখরুল বলেন, এসব দাবি আদায়ে আগামী ৩ অক্টোবর জেলায় জেলায় বিক্ষোভ কর্মসূচি ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান এবং ৪ অক্টোবর মহানগর পর্যায়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে। এভাবে দাবি আদায়ে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদ বলেন, ‘আমরা যদি ক্ষমতায় যাই, এই ডিজিটাল নিরপত্তা আইন আমরা ৭ দিনের মধ্যে বাতিল করে দেব। আপনারা যদি আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে প্রতিহত করেন, আমরাও আপনাদের প্রতিহত করবো।’মওদুদ আহমদ বলেন, এবার আর সরকারকে মাঠ দখল করতে দেওয়া হবে না। বিনা বাধায় ছেড়ে দেওয়া হবে না। আবার একতরফা নির্বাচন করে ক্ষমতায় দখল করতে দেওয়া হবে না। আপনারা যদি মনে করেন আপনারা মাঠ দখল করবেন, আর আমরা বসে থাকব, সেটি হবে দুঃস্বপ্ন। জনসভার প্রধান বক্তা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, আমি সরকারকে বলতে চাই, আপনারা ২৪ ঘণ্টার সময় দিয়ে মিটিং করতে দিয়েছেন। এ সভা জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। সাহস থাকলে সাতদিনের সময় দিয়ে সভা করার সুযোগ দিন, দেখবেন ঢাকা শহর জনসমুদ্র হয়ে যাবে। আপনারা বলেন, আমরা সভা করলে নাশকতা হবে। আজ দেখে যান, আমাদের সভা হচ্ছে শান্তিপূর্ণ। কোথাও আপনারা বিশৃঙ্খলা দেখতে পান?
ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, এ সরকার রাষ্ট্রের সব স্তম্ভকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এ সরকার ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচারে পরিণত হয়েছে। তাই এ দেশের মানুষ স্বৈরাচার সরকারকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। তাদের বিদায় নিতে হবে। জনগণের প্রতিনিধির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই নেতা বলেন, আওয়ামী লীগ এখন আতঙ্কিত। তাই তারা ক্ষমতা ছাড়তে চায় না। এজন্য উল্টা-পাল্টা কথা বলে। আমাদের সামনে আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি আদায় করতে হলে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।জনসভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার বলেন, আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে এ সরকারের পতন ঘটিয়ে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করব। কারণ সরকার একের পর এক মামলা দিচ্ছে খালেদা জিয়া যেন বের হয়ে আসতে না পারেন।
জমির উদ্দিন সরকার বলেন, আমাদের সবাইকে রাজপথের আন্দোলনের জন্য ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। কারণ রাজপথ ছাড়া দাবি আদায় হবে না, খালেদা জিয়ার মুক্তি হবে না। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি আদায় হবে না।স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, এ দেশে কেউ বাকি নাই, যাদের বিরুদ্ধে মামলা নাই। সরকার গত এক মাস বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে গায়েবি মামলা দিচ্ছে। বাংলাদেশে মনে হয় কখনো কারো বিরুদ্ধে এত অমানসিক নির্যাতন হয়েছে বলে আমার জানা নেই। এ সরকার বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীকে ভয় পায়। তাই সবার নামে গায়েবি মামলা দিচ্ছে।
সরকারের উদ্দেশে সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী মির্জা আব্বাস বলেন, সরকারের নেতারা বলেন, তারা রাজপথ দখল করবেন। তারা রাজপথ দখল করবে কীভাবে, গোটা বাংলাদেশই তারা দখল করে আছে।
মির্জা আব্বাস বলেন, বিএনপি নয়, আওয়ামী লীগই ষড়যন্ত্র করছে ক্ষমতা দখলে রাখার জন্য। কিন্তু আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে তাদের ষড়যন্ত্র সফল হতে দেব না। রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করব, নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আদায় করব।
ঢাকা,রোববার,৩০ সেপ্টম্বর,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

© Copyright BY HBnews24.Com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com

Translate »