সব পর্যায়ে আইন না মানার সংস্কৃতি সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম প্রধান কারণ-ডিএমপি কমিশনার

সিনিয়ার নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা: সবপর্যায়ে আইন না মানার সংস্কৃতিই সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার(ডিএমপি) মোঃ আছাদুজ্জামান মিয়া বিপিএম(বার),পিপিএম।
আজ শনিবার (০৬ অক্টোবর ২০১৮) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি) মিলনায়তনে ‘সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালকের সতর্কতা’ শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এই ছায়া সংসদের আয়োজন করে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি। ছায়া সংসদে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি সরকারি দল ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি বেসরকারি দল হিসেবে অংশ নেয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএমপি কমিশনার বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা এই শহরে এ মুহূর্তের বার্নিং ইস্যু। এ দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্দোলন হলো। এরপর আমরা দশ দিনব্যাপী ট্রাফিক সপ্তাহ পালন করেছি, গত সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে রাজধানীতে ট্রাফিক সচেতনতা মাস পালন করেছি।
সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালকের ভূমিকা রয়েছে, কিন্তু একমাত্র চালকের সচেতনতায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
কমিশনার বলেন, এর সঙ্গে যাত্রী-পথচারীদের সচেতনতা এবং ভৌত কাঠামো একটি বড় বিষয়। তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনির যে স্থানে দুর্ঘটনার স্বীকার হয়েছিলেন সে স্থানটি ছিল দেশের অন্যতম দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা। সড়কের ওই স্থানটিতে বাঁক থাকার কারণে অপরপাশের যানবাহন দেখা যেতো না।
পরবর্তিতে সড়কটিকে সোজা করা হয়, যার ফলে ওই স্থানের ৯৫ শতাংশ দুর্ঘটনা কমে গেছে। এ থেকে বোঝা যায়, ওই স্থানটিতে দুর্ঘটনার জন্য চালকরা দায়ী নয়, এর জন্য দায়ী ছিল সড়ক ইঞ্জিনিয়ারিং।
আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, আমাদের দেশের মহাসড়কগুলোকে সাধারণত আঞ্চলিক সড়ক বলা যায়। কারণ একই সড়কে দূরপাল্লার যানবাহন যেমন চলে; সেই সড়কেই নসিমন, করিমন, ভটভটি লক্কর-ঝক্কর যান চলাচল করে। একই সড়কে ৮০ কিলোমিটার গতির যানবাহন চলে আবার ৫ কিলোমিটার গতিরও যানবাহন চলে। এটিও মহাসড়কে দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।
কিন্তু ওভারটেকিংয়ের কারণে যে দুর্ঘটনা ঘটে সেখানে চালকের অসচেতনতা, নির্বুদ্ধিতা ও অদক্ষতাই দায়ী। চালকদের প্রশিক্ষিত করার জন্য দেশে এখনো কোন প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি এবং তাদেরকে পর্যাপ্ত লাইসেন্স সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়নি, যা দুর্ভাগ্যজনক।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, তাই দুর্ঘটনা প্রতিরোধে নিজে আইন মানা এবং অন্যকে আইন মানতে উদ্বুদ্ধ করার অনুরোধ করেন।
আইন না মানার সংস্কৃতি সবচেয়ে বড় সমস্যা উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চালকের একটি বিশাল ভূমিকা রয়েছে। চালকের একার পক্ষে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব নয়। আমাদের দেশে আইন না মানার সংস্কৃতি সড়ক দুর্ঘটনার মূল কারণ। এছাড়া যত্রতত্র গাড়ি থামিয়ে যাত্রী তোলা এবং যত্রতত্র পারাপার সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।
কমিশনার বলেন, ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন, ফুটওভার ব্রীজ ও জেব্রা ক্রসিংয়ের সঠিক ব্যবহার করলে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব। আসুন আমরা নিজেরা পরিবর্তন হই, নিজেরা সচেতন হই, আইন মানি এবং পরিবারের সকলকে আইন মানার প্রতি উদ্বুদ্ধ করি। তাহলেই ভবিষ্যতে আমাদেরকে আর কোন অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা দেখতে হবে না এবং নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা নিশ্চিত হবে।
সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, প্রত্যেকটি সড়ক দুর্ঘটনা একটি পরিবারকে ছিন্নভিন্ন, অসহায় করে তোলে। লাইসেন্স বিহীন চালক দিয়ে গাড়ি চালানো, অ-অনুমোদিত ও ফিটনেস বিহীন গাড়ি, রোড সংকেত না মানা, পথচারীদের বেপরোয়া চলাফেরা, জেব্রাক্রসিং না মানা, ফুটওভার ব্রীজ ব্যবহার না করা সর্বোপরি চালকদের বেপরোয়া গাড়ি চালানো সড়ক দুর্ঘটনা বাড়িয়ে দিচ্ছে। কিছু কিছু চালকদের পাল্লাপাল্লি এবং কার আগে কে যাবে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়ে গাড়ি চালানোর কারনেও সড়ক দুর্ঘটনা প্রাণহানির সংখ্যা বেড়েই চলেছে। চালকের বিরামহীন গাড়ি চালানোও সড়ক দুর্ঘটনা বাড়িয়ে দিচ্ছে। উন্নত দেশগুলোতে প্রতি চারঘন্টা অন্তর গাড়িচালকদের বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ এবং দিনে সর্বোচ্চ ৯ ঘণ্টা গাড়ি চালানোর বিধান রয়েছে। অথচ আমাদের দেশে একজন চালকের গাড়ি চালানোর কর্মঘণ্টা বলে কিছুই নেই। গড়ে প্রতিনিয়ত একজন গণপরিবহনের ড্রাইভারকে ১২-১৬ ঘণ্টা গাড়ি চালাতে হয়।
ছায়া সংসদে সরকারি দল সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালকের সচেতনতার উপর জোর দেন এবং এ সংক্রান্ত একটি বিল সংসদে উত্থাপন করেন। তবে বিরোধীদল এর বিরোধিতা করে শুধুমাত্র চালকদের সচেতনাতেই সড়ক দুর্ঘটনা রোধ সম্ভব নয় বলে বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেন।
দুই দলের যুক্তি উপস্থাপন শেষে বিচারকরা বিরোধী দল অর্থাৎ বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজিকে বিজয়ী ঘোষণা করে।

মোঃ মাসুদ হাসান মোল্লা রিদম,
ঢাকা,শনিবার,০৬ অক্টোম্বর,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

সর্বশেষ আপডেট



» আওয়ামী লীগ সুষ্ঠু নির্বাচন চায়,যথাসময়েই অনুষ্ঠিত হবে নির্বাচন-প্রধানমন্ত্রী

» ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ

» কলাপাড়ায় একটি গ্রামের ১৯৪ বাড়ি বিদ্যুতের আলোয়ে আলোকিত

» নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে সংলাপের দাবি অবাস্তব, অযৌক্তিক ও অপ্রয়োজনীয়

» আজকে বাংলাদেশের মানুষের জীবনে ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে, দিনবদলের পালা শুরু হয়েছে-প্রধানমন্ত্রী

» রাজধানীর মোহাম্মদপুরে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় মায়ের কোল থেকে পড়ে এক শিশুর মৃত্যু

» জিম্বাবুয়েকে ২৭২ রানের টার্গেট দিয়েছে বাংলাদেশ

» দুটি মামলায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর আগাম জামিন

» মানহানি মামলায় ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

» জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

 

 

সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
,

সব পর্যায়ে আইন না মানার সংস্কৃতি সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম প্রধান কারণ-ডিএমপি কমিশনার

সিনিয়ার নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা: সবপর্যায়ে আইন না মানার সংস্কৃতিই সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার(ডিএমপি) মোঃ আছাদুজ্জামান মিয়া বিপিএম(বার),পিপিএম।
আজ শনিবার (০৬ অক্টোবর ২০১৮) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি) মিলনায়তনে ‘সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালকের সতর্কতা’ শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এই ছায়া সংসদের আয়োজন করে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি। ছায়া সংসদে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি সরকারি দল ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি বেসরকারি দল হিসেবে অংশ নেয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএমপি কমিশনার বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা এই শহরে এ মুহূর্তের বার্নিং ইস্যু। এ দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্দোলন হলো। এরপর আমরা দশ দিনব্যাপী ট্রাফিক সপ্তাহ পালন করেছি, গত সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে রাজধানীতে ট্রাফিক সচেতনতা মাস পালন করেছি।
সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালকের ভূমিকা রয়েছে, কিন্তু একমাত্র চালকের সচেতনতায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
কমিশনার বলেন, এর সঙ্গে যাত্রী-পথচারীদের সচেতনতা এবং ভৌত কাঠামো একটি বড় বিষয়। তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনির যে স্থানে দুর্ঘটনার স্বীকার হয়েছিলেন সে স্থানটি ছিল দেশের অন্যতম দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা। সড়কের ওই স্থানটিতে বাঁক থাকার কারণে অপরপাশের যানবাহন দেখা যেতো না।
পরবর্তিতে সড়কটিকে সোজা করা হয়, যার ফলে ওই স্থানের ৯৫ শতাংশ দুর্ঘটনা কমে গেছে। এ থেকে বোঝা যায়, ওই স্থানটিতে দুর্ঘটনার জন্য চালকরা দায়ী নয়, এর জন্য দায়ী ছিল সড়ক ইঞ্জিনিয়ারিং।
আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, আমাদের দেশের মহাসড়কগুলোকে সাধারণত আঞ্চলিক সড়ক বলা যায়। কারণ একই সড়কে দূরপাল্লার যানবাহন যেমন চলে; সেই সড়কেই নসিমন, করিমন, ভটভটি লক্কর-ঝক্কর যান চলাচল করে। একই সড়কে ৮০ কিলোমিটার গতির যানবাহন চলে আবার ৫ কিলোমিটার গতিরও যানবাহন চলে। এটিও মহাসড়কে দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।
কিন্তু ওভারটেকিংয়ের কারণে যে দুর্ঘটনা ঘটে সেখানে চালকের অসচেতনতা, নির্বুদ্ধিতা ও অদক্ষতাই দায়ী। চালকদের প্রশিক্ষিত করার জন্য দেশে এখনো কোন প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি এবং তাদেরকে পর্যাপ্ত লাইসেন্স সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়নি, যা দুর্ভাগ্যজনক।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, তাই দুর্ঘটনা প্রতিরোধে নিজে আইন মানা এবং অন্যকে আইন মানতে উদ্বুদ্ধ করার অনুরোধ করেন।
আইন না মানার সংস্কৃতি সবচেয়ে বড় সমস্যা উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে চালকের একটি বিশাল ভূমিকা রয়েছে। চালকের একার পক্ষে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব নয়। আমাদের দেশে আইন না মানার সংস্কৃতি সড়ক দুর্ঘটনার মূল কারণ। এছাড়া যত্রতত্র গাড়ি থামিয়ে যাত্রী তোলা এবং যত্রতত্র পারাপার সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।
কমিশনার বলেন, ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন, ফুটওভার ব্রীজ ও জেব্রা ক্রসিংয়ের সঠিক ব্যবহার করলে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব। আসুন আমরা নিজেরা পরিবর্তন হই, নিজেরা সচেতন হই, আইন মানি এবং পরিবারের সকলকে আইন মানার প্রতি উদ্বুদ্ধ করি। তাহলেই ভবিষ্যতে আমাদেরকে আর কোন অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা দেখতে হবে না এবং নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা নিশ্চিত হবে।
সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, প্রত্যেকটি সড়ক দুর্ঘটনা একটি পরিবারকে ছিন্নভিন্ন, অসহায় করে তোলে। লাইসেন্স বিহীন চালক দিয়ে গাড়ি চালানো, অ-অনুমোদিত ও ফিটনেস বিহীন গাড়ি, রোড সংকেত না মানা, পথচারীদের বেপরোয়া চলাফেরা, জেব্রাক্রসিং না মানা, ফুটওভার ব্রীজ ব্যবহার না করা সর্বোপরি চালকদের বেপরোয়া গাড়ি চালানো সড়ক দুর্ঘটনা বাড়িয়ে দিচ্ছে। কিছু কিছু চালকদের পাল্লাপাল্লি এবং কার আগে কে যাবে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়ে গাড়ি চালানোর কারনেও সড়ক দুর্ঘটনা প্রাণহানির সংখ্যা বেড়েই চলেছে। চালকের বিরামহীন গাড়ি চালানোও সড়ক দুর্ঘটনা বাড়িয়ে দিচ্ছে। উন্নত দেশগুলোতে প্রতি চারঘন্টা অন্তর গাড়িচালকদের বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ এবং দিনে সর্বোচ্চ ৯ ঘণ্টা গাড়ি চালানোর বিধান রয়েছে। অথচ আমাদের দেশে একজন চালকের গাড়ি চালানোর কর্মঘণ্টা বলে কিছুই নেই। গড়ে প্রতিনিয়ত একজন গণপরিবহনের ড্রাইভারকে ১২-১৬ ঘণ্টা গাড়ি চালাতে হয়।
ছায়া সংসদে সরকারি দল সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালকের সচেতনতার উপর জোর দেন এবং এ সংক্রান্ত একটি বিল সংসদে উত্থাপন করেন। তবে বিরোধীদল এর বিরোধিতা করে শুধুমাত্র চালকদের সচেতনাতেই সড়ক দুর্ঘটনা রোধ সম্ভব নয় বলে বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেন।
দুই দলের যুক্তি উপস্থাপন শেষে বিচারকরা বিরোধী দল অর্থাৎ বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজিকে বিজয়ী ঘোষণা করে।

মোঃ মাসুদ হাসান মোল্লা রিদম,
ঢাকা,শনিবার,০৬ অক্টোম্বর,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

© Copyright BY HBnews24.Com

Design & Developed BY PopularITLimited