এক বছরে খালেদা জিয়াকে বহু নির্যাতন ও কষ্ট দিয়েছেন। এবার তাকে মুক্তি দিন-রুহুল কবির রিজভী

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে সাজানো মিথ্যা মামলায় এক বছর পরিত্যক্ত নির্জন কারাগারে বন্দী রাখা হয়েছে এক বছরে খালেদা জিয়াকে বহু নির্যাতন ও কষ্ট দিয়েছেন। এবার তাকে মুক্তি দিন।অসুস্থ বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে টেনেহিঁচড়ে জবরদস্তি করে আদালতে আনা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন রিজভী। এ সময় তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন।খালেদা জিয়াকে সাজানো মিথ্যা মামলায় এক বছর পরিত্যক্ত নির্জন কারাগারে বন্দী রাখা হয়েছে দাবি করে রিজভী বলেন, খালেদা জিয়ার বয়স ৭৩ বছর। প্রচণ্ড ঝুঁকিপূর্ণ অসুস্থ শরীর। একা চলতেপারেন না। তারপরও টেনে হিঁচড়ে জবরদস্তি করে আনা হচ্ছে ‘ক্যাঙ্গারু’ কোর্টে। স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে থাকলেও তিলেতিলে শেষ করে দেওয়ার জিঘাংসা চরিতার্থ করে চলেছে সরকার।তাঁর অসুস্থতা দিন দিন বাড়লেও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে না। পুরোনো রোগগুলো বেড়ে গেছে।’
‘চোখেও প্রচণ্ড ব্যথা, পা ফুলে গেছে। নির্যাতন সহ্য করতে গিয়ে তাঁর পূর্বের অসুস্থতা এখন আরো গুরুতর রূপ ধারণ করেছে। তাঁকে বিশেষায়িত হাসপাতালের সুবিধা ও ব্যক্তিগত বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের দ্বারা নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা থেকেও বঞ্চিত করা হচ্ছে। তাঁর আর্থ্রাইটিসের ব্যথা, ফ্রোজেন শোল্ডার, হাত নড়াচড়া করতে পারেন না। রিস্ট জয়েন্ট ফুলে গেছে, সার্ভাইক্যাল স্পন্ডিলোসিসের জন্য কাঁধে প্রচণ্ড ব্যথা, এই ব্যথা হাত পর্যন্ত রেডিয়েট করে। হিপ-জয়েন্টেও ব্যথার মাত্রা প্রচণ্ড। ফলে শরীর অনেক অসুস্থ, তিনি পা তুলে ঠিকমতো হাঁটতেও পারেন না।’‘এই রকম শারীরিক অসুস্থতার মধ্যেও অমানবিকভাবে কারাগারের ভেতরে স্থাপিত ছোট্ট অপরিসর কক্ষের ক্যাঙ্গারু আদালতে’ বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ঘন ঘন হাজির করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন রুহুল কবির রিজভী।রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আপনি দেয়ালের ভাষা পড়ুন। চারদিকের মানুষ চোখেমুখে কি বলছে বোঝার চেষ্টা করুন। পৃথিবীটা ক্ষণিকের। কিন্তু কর্মফল অনন্তকালের। এখনোসময় আছে। এক বছরে খালেদা জিয়াকে বহু নির্যাতন ও কষ্ট দিয়েছেন। এবার তাকে মুক্তি দিন।
তিনি বলেন, সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে খালেদা জিয়া ছাড়াও শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের অনেক নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা হয়েছিল। কিন্তু খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের মামলাগুলো সচল রাখা হয়েছে। শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে। আর শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এক এগারোর সরকার ১৫টি মামলা করেছিল। তিনি যখন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তখন তার মাথার উপর ১৫টি দুর্নীতির মামলা ছিল। কিন্তু সেগুলোকে আদালতের মাধ্যমে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। আর খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের মামলাগুলোকে চলমান রেখে এখন সাজা দেওয়া হচ্ছে। মূল উদ্দেশ্য তাদের রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখা।
সংবাদ সম্মেলনে দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সহদপ্তর সম্পাদক মো. মুনির হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা,রোববার,১০ ফেব্রুয়ারি,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

সর্বশেষ আপডেট



» রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়কের লালমনিরহাটের বড়বাড়িতে বাসের সঙ্গে সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩

» ঐক্যফ্রন্টের গণশুনানি ২৪ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে ২২ ফেব্রুয়ারি

» মেয়র পদপ্রার্থী আতিকুর রহমানের আগামী প্রজন্মের স্বপ্নের ঢাকা শীর্ষক গোল টেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত

» ডাকসু’র নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু

» খাগড়াছড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে সাতজন দগ্ধ

» জাজিরা প্রান্তে বসছে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর সপ্তম স্প্যান

» শাজাহান খানের নেতৃত্বে সড়কে শৃঙ্খলার কমিটি হাস্যকর ও তামাশা : রিজভী

» একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে মহানগরীর নিরাপত্তায় ১৬ হাজার পুলিশ

» বিশ্বশান্তি ও কল্যাণ কামনায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো এবারের ইজতেমা

» সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

 

 

সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
,

এক বছরে খালেদা জিয়াকে বহু নির্যাতন ও কষ্ট দিয়েছেন। এবার তাকে মুক্তি দিন-রুহুল কবির রিজভী

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে সাজানো মিথ্যা মামলায় এক বছর পরিত্যক্ত নির্জন কারাগারে বন্দী রাখা হয়েছে এক বছরে খালেদা জিয়াকে বহু নির্যাতন ও কষ্ট দিয়েছেন। এবার তাকে মুক্তি দিন।অসুস্থ বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে টেনেহিঁচড়ে জবরদস্তি করে আদালতে আনা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন রিজভী। এ সময় তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন।খালেদা জিয়াকে সাজানো মিথ্যা মামলায় এক বছর পরিত্যক্ত নির্জন কারাগারে বন্দী রাখা হয়েছে দাবি করে রিজভী বলেন, খালেদা জিয়ার বয়স ৭৩ বছর। প্রচণ্ড ঝুঁকিপূর্ণ অসুস্থ শরীর। একা চলতেপারেন না। তারপরও টেনে হিঁচড়ে জবরদস্তি করে আনা হচ্ছে ‘ক্যাঙ্গারু’ কোর্টে। স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে থাকলেও তিলেতিলে শেষ করে দেওয়ার জিঘাংসা চরিতার্থ করে চলেছে সরকার।তাঁর অসুস্থতা দিন দিন বাড়লেও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে না। পুরোনো রোগগুলো বেড়ে গেছে।’
‘চোখেও প্রচণ্ড ব্যথা, পা ফুলে গেছে। নির্যাতন সহ্য করতে গিয়ে তাঁর পূর্বের অসুস্থতা এখন আরো গুরুতর রূপ ধারণ করেছে। তাঁকে বিশেষায়িত হাসপাতালের সুবিধা ও ব্যক্তিগত বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের দ্বারা নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা থেকেও বঞ্চিত করা হচ্ছে। তাঁর আর্থ্রাইটিসের ব্যথা, ফ্রোজেন শোল্ডার, হাত নড়াচড়া করতে পারেন না। রিস্ট জয়েন্ট ফুলে গেছে, সার্ভাইক্যাল স্পন্ডিলোসিসের জন্য কাঁধে প্রচণ্ড ব্যথা, এই ব্যথা হাত পর্যন্ত রেডিয়েট করে। হিপ-জয়েন্টেও ব্যথার মাত্রা প্রচণ্ড। ফলে শরীর অনেক অসুস্থ, তিনি পা তুলে ঠিকমতো হাঁটতেও পারেন না।’‘এই রকম শারীরিক অসুস্থতার মধ্যেও অমানবিকভাবে কারাগারের ভেতরে স্থাপিত ছোট্ট অপরিসর কক্ষের ক্যাঙ্গারু আদালতে’ বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ঘন ঘন হাজির করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন রুহুল কবির রিজভী।রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আপনি দেয়ালের ভাষা পড়ুন। চারদিকের মানুষ চোখেমুখে কি বলছে বোঝার চেষ্টা করুন। পৃথিবীটা ক্ষণিকের। কিন্তু কর্মফল অনন্তকালের। এখনোসময় আছে। এক বছরে খালেদা জিয়াকে বহু নির্যাতন ও কষ্ট দিয়েছেন। এবার তাকে মুক্তি দিন।
তিনি বলেন, সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে খালেদা জিয়া ছাড়াও শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের অনেক নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা হয়েছিল। কিন্তু খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের মামলাগুলো সচল রাখা হয়েছে। শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে। আর শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এক এগারোর সরকার ১৫টি মামলা করেছিল। তিনি যখন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তখন তার মাথার উপর ১৫টি দুর্নীতির মামলা ছিল। কিন্তু সেগুলোকে আদালতের মাধ্যমে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। আর খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের মামলাগুলোকে চলমান রেখে এখন সাজা দেওয়া হচ্ছে। মূল উদ্দেশ্য তাদের রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখা।
সংবাদ সম্মেলনে দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সহদপ্তর সম্পাদক মো. মুনির হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা,রোববার,১০ ফেব্রুয়ারি,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

© Copyright BY HBnews24.Com

Design & Developed BY PopularITLimited