নুসরাত হত্যাকাণ্ড : ফেনীর পুলিশ সুপার জহাঙ্গীর আলম প্রত্যাহার

মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাতকে হত্যার ঘটনায় ফেনীর পুলিশ সুপার জহাঙ্গীর আলমকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়েছে।রোববার (১২ মে) সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নুসরাত হত্যাকান্ডের ঘটনা তদন্তে পুলিশ সদর দফতরের গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে পুলিশ সুপারকে প্রত্যাহার করা হয়।এর আগে সারা দেশে আলোচিত নুসরাত হত্যাকাণ্ডের পর সোনাগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। এ ছাড়া তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে অভিযুক্ত এসআই (নিরস্ত্র) মো. ইউসুফকে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় এবং এসআই (নিরস্ত্র) মো. ইকবাল আহাম্মদকে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় সংযুক্ত করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার এস এম জাহাঙ্গীর আলম অভিযুক্ত ওসিকে রক্ষায় ঘটনা সম্পর্কে ভুল তথ্য পাঠান পুলিশ সদর দপ্তরে।এদিকে, দুপুরে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্লা নজরুল ইসলাম জানান, নুসরাতকে হত্যার জন্য শামীমকে ১০ হাজার টাকা দিয়েছিল স্থানীয় কাউন্সিলর মাকসুদ। এ টাকা দিয়ে শামীম হত্যার জন্য বোরকা, কেরোসিনসহ অন্যান্য জিনিস কেনে।
গত ৬ এপ্রিল সকালে আলিম পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় যান নুসরাত জাহান রাফি। মাদ্রাসার এক ছাত্রী (নুসরাতের সহপাঠী উম্মে সুলতানা পপি ওরফে শম্পা) তাঁর বান্ধবী নিশাতকে ছাদের ওপর কেউ মারধর করছে—এমন সংবাদ দিলে ওই ভবনের ছাদে যান নুসরাত। সেখানে বোরকা ও নেকাব পরা চার-পাঁচজন তাঁকে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে মামলা ও অভিযোগ তুলে নিতে চাপ দেয়। নুসরাত অস্বীকৃতি জানালে তারা গায়ে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়।
গত ১০ এপ্রিল রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে যাওয়া নুসরাত।
পরের দিন ১১ এপ্রিল বিকেলে জানাজা শেষে নুসরাতকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে প্রধান আসামি করে আটজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো চার-পাঁচজনকে আসামি করে নুসরাতের ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান ৮ এপ্রিল সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন।
ঢাকা,রোববার,১২ মে,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

সর্বশেষ আপডেট



» ভারতের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি জোটের বিশাল জয়, নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অভিনন্দন

» আসন্ন ঈদ উপলক্ষে নগরীতে জনগণের নিরাপত্তা বিধানে সবধরণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে-ডিএমপি কমিশনার

» ঈদযাত্রা স্বস্তির করতে সম্মিলিত উদ্যোগ নিতে হবে-ওবায়দুল কাদের

» ৫২টি মানহীন পণ্যের একটিও বাজার থেকে না সরানোয় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব

» ব্যাংককে চিকিৎসা শেষে আজ সন্ধায় দেশে ফিরবেন মির্জা ফখরুল

» নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পথে এগিয়ে চলেছে বিজেপি

» সংগীতশিল্পী খালিদ হোসেনকে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা

» গাজীপুরে সিলিন্ডার লিকেজ থেকে অগ্নিকাণ্ড দুই শিশুসহ এক পরিবারের চারজনের মৃত্যু

» রাজধানীর বনশ্রী এলাকায় কাভার্ড ভ্যানচাপায় এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু

» কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে আসছে মৃত কচ্ছপ

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

 

 

সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
,

নুসরাত হত্যাকাণ্ড : ফেনীর পুলিশ সুপার জহাঙ্গীর আলম প্রত্যাহার

মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাতকে হত্যার ঘটনায় ফেনীর পুলিশ সুপার জহাঙ্গীর আলমকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়েছে।রোববার (১২ মে) সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নুসরাত হত্যাকান্ডের ঘটনা তদন্তে পুলিশ সদর দফতরের গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে পুলিশ সুপারকে প্রত্যাহার করা হয়।এর আগে সারা দেশে আলোচিত নুসরাত হত্যাকাণ্ডের পর সোনাগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। এ ছাড়া তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে অভিযুক্ত এসআই (নিরস্ত্র) মো. ইউসুফকে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় এবং এসআই (নিরস্ত্র) মো. ইকবাল আহাম্মদকে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় সংযুক্ত করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার এস এম জাহাঙ্গীর আলম অভিযুক্ত ওসিকে রক্ষায় ঘটনা সম্পর্কে ভুল তথ্য পাঠান পুলিশ সদর দপ্তরে।এদিকে, দুপুরে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্লা নজরুল ইসলাম জানান, নুসরাতকে হত্যার জন্য শামীমকে ১০ হাজার টাকা দিয়েছিল স্থানীয় কাউন্সিলর মাকসুদ। এ টাকা দিয়ে শামীম হত্যার জন্য বোরকা, কেরোসিনসহ অন্যান্য জিনিস কেনে।
গত ৬ এপ্রিল সকালে আলিম পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় যান নুসরাত জাহান রাফি। মাদ্রাসার এক ছাত্রী (নুসরাতের সহপাঠী উম্মে সুলতানা পপি ওরফে শম্পা) তাঁর বান্ধবী নিশাতকে ছাদের ওপর কেউ মারধর করছে—এমন সংবাদ দিলে ওই ভবনের ছাদে যান নুসরাত। সেখানে বোরকা ও নেকাব পরা চার-পাঁচজন তাঁকে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে মামলা ও অভিযোগ তুলে নিতে চাপ দেয়। নুসরাত অস্বীকৃতি জানালে তারা গায়ে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়।
গত ১০ এপ্রিল রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে যাওয়া নুসরাত।
পরের দিন ১১ এপ্রিল বিকেলে জানাজা শেষে নুসরাতকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে প্রধান আসামি করে আটজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো চার-পাঁচজনকে আসামি করে নুসরাতের ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান ৮ এপ্রিল সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন।
ঢাকা,রোববার,১২ মে,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

© Copyright BY HBnews24.Com

Design & Developed BY PopularITLimited