করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলাদেশে

নতুন আক্রান্ত মোট আক্রান্ত সুস্থ মৃত্যু
২৬১১ ২,৫৫,১১৩ ১,৪৬,৬০৪ ৩৩৬৫

জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে বড় আশ্রয়কেন্দ্র উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে বড় আশ্রয়কেন্দ্র খুরুশকুল আশ্রায়ণ প্রকল্পের প্রথম ধাপে নির্মিত ২০টি ভবনের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।প্রথম ধাপে উদ্বোধন হওয়া ভবনগুলোতে ফ্ল্যাট পেয়েছেন ৬০০টি পরিবার। ১০০১ টাকা নামমাত্র মূল্যে এসব ফ্ল্যাট হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই আশ্রয়ণ প্রকল্পে ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ব্যায়ে ২৫৩ একর জমিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্প গড়ে তুলেছে সরকার। যেখানে রয়েছে পাঁচতলা বিশিষ্ট ১৯টি ভবন। আজ প্রথম ভাগে ৬০০ পরিবারকে বসবাসের জন্য চাবি হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ তদারকিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। অনুষ্ঠানে কক্সবাজার থেকে স্থানীয় সংসদ সদস্য, প্রশাসন ছাড়া সেখানকার সাধারণ মানুষ যুক্ত হন।
প্রকল্প পরিচালক মো. মাহবুব হোসেন জানান, প্রকল্প এলাকায় ১৪টি খেলার মাঠ, সবুজ জায়গা, মসজিদ, মন্দির, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পুলিশ ও ফায়ার স্টেশন, তিনটি পুকুর, নদীতে দু’টি জেটি, দুটি বিদ্যুতের সাবস্টেশন থাকবে।

এছাড়াও থাকবে ২০ কিলোমিটার অভ্যন্তরীণ রাস্তা, ৩৬ কিলোমিটার ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বর্জ্য পরিশোধন ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা, তীর রক্ষা বাঁধ, ছোট সেতু, পুকুর-খাল থাকবে পুরো প্রকল্প এলাকায়।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে সবাইকে মাস্ক পরার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, গৃহহীন মানুষের গৃহ নিশ্চিতের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর নহমান। তাঁরই পদচিহ্ন অনুসরণ করে তা বাস্তবায়নে কাজ করছেন আওয়ামী লীগ সরকার। বিশ্ব পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণে কক্সবাজার নগরীকে আরো উন্নত ও দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তোলার আশ্বাস দেন সরকারপ্রধান।এছাড়া, কক্সবাজার সদরের খুরুশকুল ইউনিয়নের বাঁকখালী নদীর তীরঘেঁষা এই প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন তিনি। সারা বাংলাদেশে গৃহহীন ভূমিহীন মানুষের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

আশ্রয়ণ প্রকল্পে যারা ফ্ল্যাট পাবেন তাদের ঋণ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা হবে। প্রকল্প এলাকায় একটি শুঁটকি মহালও থাকবে এবং এখানে পর্যায়ক্রমে বিক্রয় কেন্দ্র ও প্যাকেজিং শিল্পও গড়ে তুলবে সরকার।

ভবনগুলোর নাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই রেখেছেন। প্রথম ধাপে নির্মিত ভবনগুলোর নাম হলো-দোঁলনচাপা, কেওড়া, রজনীগন্ধা, গন্ধরাজ, হাসনাহেনা, কামিনী, গুলমোহর, গোলাপ, সোনালী, নীলাম্বরী, ঝিনুক, কোরাল, মুক্তা, প্রবাল, সোপান, মনখালী, শনখালী, বাঁকখালী, ইনানী ও সাম্পান।

প্রকল্প পরিচালক মো. মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, এটাই দেশের সবচেয়ে বড় আশ্রয়ণ প্রকল্প এবং জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য দেশের প্রথম আশ্রয়ণ প্রকল্প। জলবায়ু উদ্বাস্তু পরিবারগুলোর জন্য এখানে যে পুনর্বাসন, এটাকে আমরা বিশ্বের বৃহত্তম জলবায়ু পুনর্বাসন প্রকল্প বলতে পারি। এ ধরনের প্রকল্প পৃথিবীতে বিরল।
ঢাকা,বৃহস্পতিবার,২৩ জুলাই,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

সর্বশেষ আপডেট



» কলাপাড়ায় বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকীতে ৬ নারীর মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ

» বরগুনায় সিফাতের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধনে পুলিশের লাঠিচার্জ

» একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন ভর্তির কার্যক্রম শুরু হচ্ছে রোববার

» ময়মনসিংহের যাত্রীবাহী একটি বাসের ধাক্কায় সিএনজি চালিত অটোরিকশার ৭ আরোহী নিহত

» ময়মনিসংহের মুক্তাগাছা উপজেলায় বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংর্ঘষে সাতজন নিহত

» বঙ্গবন্ধুর পাশে থেকে আন্দোলন সংগ্রামে প্রেরণা যুগিয়েছেন বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব

» নতুন করে আরও ২৬১১ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত,মৃত্যু ৩২ জন

» টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ডোবা থেকে দুই যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

» চুয়াডাঙ্গার সরোজগঞ্জ বাজার এলাকায় বাসের ধাক্কায় ছয়জনের মৃত্যু

» শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বনানী কবরস্থানে আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

 

 

সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২০ খ্রিষ্টাব্দ, ২৫শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে বড় আশ্রয়কেন্দ্র উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে বড় আশ্রয়কেন্দ্র খুরুশকুল আশ্রায়ণ প্রকল্পের প্রথম ধাপে নির্মিত ২০টি ভবনের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।প্রথম ধাপে উদ্বোধন হওয়া ভবনগুলোতে ফ্ল্যাট পেয়েছেন ৬০০টি পরিবার। ১০০১ টাকা নামমাত্র মূল্যে এসব ফ্ল্যাট হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই আশ্রয়ণ প্রকল্পে ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ব্যায়ে ২৫৩ একর জমিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্প গড়ে তুলেছে সরকার। যেখানে রয়েছে পাঁচতলা বিশিষ্ট ১৯টি ভবন। আজ প্রথম ভাগে ৬০০ পরিবারকে বসবাসের জন্য চাবি হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ তদারকিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। অনুষ্ঠানে কক্সবাজার থেকে স্থানীয় সংসদ সদস্য, প্রশাসন ছাড়া সেখানকার সাধারণ মানুষ যুক্ত হন।
প্রকল্প পরিচালক মো. মাহবুব হোসেন জানান, প্রকল্প এলাকায় ১৪টি খেলার মাঠ, সবুজ জায়গা, মসজিদ, মন্দির, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পুলিশ ও ফায়ার স্টেশন, তিনটি পুকুর, নদীতে দু’টি জেটি, দুটি বিদ্যুতের সাবস্টেশন থাকবে।

এছাড়াও থাকবে ২০ কিলোমিটার অভ্যন্তরীণ রাস্তা, ৩৬ কিলোমিটার ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বর্জ্য পরিশোধন ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা, তীর রক্ষা বাঁধ, ছোট সেতু, পুকুর-খাল থাকবে পুরো প্রকল্প এলাকায়।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে সবাইকে মাস্ক পরার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, গৃহহীন মানুষের গৃহ নিশ্চিতের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর নহমান। তাঁরই পদচিহ্ন অনুসরণ করে তা বাস্তবায়নে কাজ করছেন আওয়ামী লীগ সরকার। বিশ্ব পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণে কক্সবাজার নগরীকে আরো উন্নত ও দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তোলার আশ্বাস দেন সরকারপ্রধান।এছাড়া, কক্সবাজার সদরের খুরুশকুল ইউনিয়নের বাঁকখালী নদীর তীরঘেঁষা এই প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন তিনি। সারা বাংলাদেশে গৃহহীন ভূমিহীন মানুষের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

আশ্রয়ণ প্রকল্পে যারা ফ্ল্যাট পাবেন তাদের ঋণ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা হবে। প্রকল্প এলাকায় একটি শুঁটকি মহালও থাকবে এবং এখানে পর্যায়ক্রমে বিক্রয় কেন্দ্র ও প্যাকেজিং শিল্পও গড়ে তুলবে সরকার।

ভবনগুলোর নাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই রেখেছেন। প্রথম ধাপে নির্মিত ভবনগুলোর নাম হলো-দোঁলনচাপা, কেওড়া, রজনীগন্ধা, গন্ধরাজ, হাসনাহেনা, কামিনী, গুলমোহর, গোলাপ, সোনালী, নীলাম্বরী, ঝিনুক, কোরাল, মুক্তা, প্রবাল, সোপান, মনখালী, শনখালী, বাঁকখালী, ইনানী ও সাম্পান।

প্রকল্প পরিচালক মো. মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, এটাই দেশের সবচেয়ে বড় আশ্রয়ণ প্রকল্প এবং জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য দেশের প্রথম আশ্রয়ণ প্রকল্প। জলবায়ু উদ্বাস্তু পরিবারগুলোর জন্য এখানে যে পুনর্বাসন, এটাকে আমরা বিশ্বের বৃহত্তম জলবায়ু পুনর্বাসন প্রকল্প বলতে পারি। এ ধরনের প্রকল্প পৃথিবীতে বিরল।
ঢাকা,বৃহস্পতিবার,২৩ জুলাই,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

© Copyright BY HBnews24.Com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com

Translate »