করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলাদেশে

নতুন আক্রান্ত মোট আক্রান্ত সুস্থ মৃত্যু
১৩০৮ ৩,৯৮,৮১৫ ৩,১৫,১০৭ ৫৮০৩

যেকোনো শিশুর অকাল মৃত্যু আমাকে ভীষণভাবে নাড়া দেয়-প্রধানমন্ত্রী

শিশুদের নিরাপত্তা ও বিকাশে নানা পদক্ষেপ বাস্তবায়নের মাধ্যমে চেষ্টা করছে সরকার।যেকোনো শিশুর অকাল মৃত্যু আমাকে ভীষণভাবে নাড়া দেয়।অপরাধীদের বিচার নিশ্চিতসহ শিশু নির্যাতন বন্ধে সরকার বিশেষ দৃষ্টি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে বিশ্ব শিশু অধিকার দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ ২০২০-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি অংশগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী।শেখ হাসিনা জানান, মহামারীতেও শিশুর জ্ঞানগত বিকাশে ডিজিটাল পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

করোনাকালে ঘরবন্দী জীবনে সবচে বেশি সমস্যায় পড়েছে কোমলমতি শিশুরা। নেই স্কুল। ইচ্ছেমত বাইরে বের হওয়ায় বিধিনিষেধ। এসবকিছুই উঠে এসেছে বিশ্ব শিশু অধিকার দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। এ বছর করোনার কারণে ভার্চুয়াল মাধ্যমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শিশুর সঙ্গে শিশুর তরে, বিশ্ব গড়ি নতুন করে প্রতিপাদ্যে দিবসটি পালনের পাশাপাশি দেশে শিশু অধিকার সপ্তাহ চলবে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত।করোনায় শিশুর মানসিক স্বাস্থ্যের যত্নে সপ্তাহে অন্তত একদিন বাসার বাইরে নিয়ে যেতে অভিভাবকদের আহ্বান জানান সরকার প্রধান।শিশুর জন্য নিরাপদ বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ার তাগিদ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বে দেখি নানা ধরনের সংঘাত। যখন দেখি কোনো শিশুর অকাল মৃত্যু সেটা সত্যি আমাকে ভীষণভাবে নাড়া দেয়। সেটা আমার দেশেই হোক বা বিদেশেই হোক, বঙ্গোপসাগরেই হোক, ভূমধ্যসাগরের পাড়েই হোক প্রতিটি ঘটনাই আমাদের নাড়া দেয়। কিন্তু আমরা চাই, শিশুদের জন্য এ পৃথিবীটা একটা নির্ভরযোগ্য, শান্তিপূর্ণ বাসযোগ্য স্থান হোক।

শিশু নির্যাতন বন্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুদের নিরাপত্তার ব্যবস্থাও আমরা নিচ্ছি। আমরা চাই, আমাদের শিশুরা নিরাপত্তা নিয়ে সুন্দরভাবে বাঁচবে, মানুষের মতো মানুষ হবে। সেটাই আমাদের লক্ষ্য।
করোনা সংক্রমণে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক ক্ষতির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা স্কুল খুলতে পারছি না, বাচ্চারা স্কুলে যেতে পারছে না, এটা বাচ্চাদের জন্য সত্যি খুব কষ্টের। কারণ ঘরের মধ্যে বসে থাকা, কোনো কিছু করা বা আর কী করবে তারা? তবে যৌথ পরিবারের শিশুদের খবু একটা কষ্ট হয় না। তাদের কথা বলার একটা সুন্দর পরিবেশ থাকে, কথা বলার একটা সুযোগ পায়। কিন্তু যেখানে একা পরিবার, একা শিশু বা মাত্র এক ভাই বা দুই ভাই-বোন, এ রকম ছোট্ট পরিবার তাদের জন্য সত্যি খুব কষ্টকর। তারা কী করবে?

শিশুদের মানসিক চাপ কমাতে স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে খেলাধুলা ও কাছাকাছি পার্কে ঘুরতে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে অভিভাবকদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে যেহেতু স্কুলে যেতে পারছে না তাই বাচ্চাদের অন্তত কাছাকাছি কোনো পার্ক বা কোথাও আপনাদের বাচ্চাদের দিনে এক ঘণ্টার জন্য হলেও একটু নিয়ে যাবেন। ছোটাছুটি করা, খেলাধুলা সেগুলো যেন তারা করতে পারে, সেই সুযোগটা সৃষ্টি করে দেওয়া আমি মনে করি। কারণ তাদের স্বাস্থ্যের জন্য, তাদের মানসিক অবস্থার দিক থেকে এটা খুবই দরকার।বিনামূল্যে বই বিতরণ, উপবৃত্তি, বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনাসহ শিশুদের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
ঢাকা,সোমবার,০৫ অক্টেবর,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

সর্বশেষ আপডেট



» স্টার প্লাস, স্টার জলসাসহ ৭ চ্যানেল বন্ধের হুমকি দিয়েছে কোয়াব

» ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী জাহিদ তিনদিনের রিমান্ডে

» নতুন করে আরও ১৪৯৩ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত,মৃত্যু ২৩ জন

» বিএনপি নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে সরকারের ওপর দোষ চাপাচ্ছে

» রিফাত হত্যা মামলা: অপ্রাপ্তবয়স্ক ১১ আসামির সাজা,তিনজন বেকসুর খালাস

» নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর ও হত্যার হুমকির ঘটনায় প্রটোকল অফিসার দিপু রিমান্ডে

» আজই সাময়িক বরখাস্ত হচ্ছেন ৩০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইরফান সেলিম

» নতুন করে আরও ১৩৩৫ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত,মৃত্যু ২০ জন

» ইরফান সেলিমের এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত

» নতুন করে আরও ১৪৩৬ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত,মৃত্যু ১৫ জন

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

 

 

সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com




আজ বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০ খ্রিষ্টাব্দ, ১২ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

যেকোনো শিশুর অকাল মৃত্যু আমাকে ভীষণভাবে নাড়া দেয়-প্রধানমন্ত্রী

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

শিশুদের নিরাপত্তা ও বিকাশে নানা পদক্ষেপ বাস্তবায়নের মাধ্যমে চেষ্টা করছে সরকার।যেকোনো শিশুর অকাল মৃত্যু আমাকে ভীষণভাবে নাড়া দেয়।অপরাধীদের বিচার নিশ্চিতসহ শিশু নির্যাতন বন্ধে সরকার বিশেষ দৃষ্টি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে বিশ্ব শিশু অধিকার দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ ২০২০-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি অংশগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী।শেখ হাসিনা জানান, মহামারীতেও শিশুর জ্ঞানগত বিকাশে ডিজিটাল পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

করোনাকালে ঘরবন্দী জীবনে সবচে বেশি সমস্যায় পড়েছে কোমলমতি শিশুরা। নেই স্কুল। ইচ্ছেমত বাইরে বের হওয়ায় বিধিনিষেধ। এসবকিছুই উঠে এসেছে বিশ্ব শিশু অধিকার দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। এ বছর করোনার কারণে ভার্চুয়াল মাধ্যমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শিশুর সঙ্গে শিশুর তরে, বিশ্ব গড়ি নতুন করে প্রতিপাদ্যে দিবসটি পালনের পাশাপাশি দেশে শিশু অধিকার সপ্তাহ চলবে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত।করোনায় শিশুর মানসিক স্বাস্থ্যের যত্নে সপ্তাহে অন্তত একদিন বাসার বাইরে নিয়ে যেতে অভিভাবকদের আহ্বান জানান সরকার প্রধান।শিশুর জন্য নিরাপদ বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ার তাগিদ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বে দেখি নানা ধরনের সংঘাত। যখন দেখি কোনো শিশুর অকাল মৃত্যু সেটা সত্যি আমাকে ভীষণভাবে নাড়া দেয়। সেটা আমার দেশেই হোক বা বিদেশেই হোক, বঙ্গোপসাগরেই হোক, ভূমধ্যসাগরের পাড়েই হোক প্রতিটি ঘটনাই আমাদের নাড়া দেয়। কিন্তু আমরা চাই, শিশুদের জন্য এ পৃথিবীটা একটা নির্ভরযোগ্য, শান্তিপূর্ণ বাসযোগ্য স্থান হোক।

শিশু নির্যাতন বন্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুদের নিরাপত্তার ব্যবস্থাও আমরা নিচ্ছি। আমরা চাই, আমাদের শিশুরা নিরাপত্তা নিয়ে সুন্দরভাবে বাঁচবে, মানুষের মতো মানুষ হবে। সেটাই আমাদের লক্ষ্য।
করোনা সংক্রমণে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক ক্ষতির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা স্কুল খুলতে পারছি না, বাচ্চারা স্কুলে যেতে পারছে না, এটা বাচ্চাদের জন্য সত্যি খুব কষ্টের। কারণ ঘরের মধ্যে বসে থাকা, কোনো কিছু করা বা আর কী করবে তারা? তবে যৌথ পরিবারের শিশুদের খবু একটা কষ্ট হয় না। তাদের কথা বলার একটা সুন্দর পরিবেশ থাকে, কথা বলার একটা সুযোগ পায়। কিন্তু যেখানে একা পরিবার, একা শিশু বা মাত্র এক ভাই বা দুই ভাই-বোন, এ রকম ছোট্ট পরিবার তাদের জন্য সত্যি খুব কষ্টকর। তারা কী করবে?

শিশুদের মানসিক চাপ কমাতে স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে খেলাধুলা ও কাছাকাছি পার্কে ঘুরতে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে অভিভাবকদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে যেহেতু স্কুলে যেতে পারছে না তাই বাচ্চাদের অন্তত কাছাকাছি কোনো পার্ক বা কোথাও আপনাদের বাচ্চাদের দিনে এক ঘণ্টার জন্য হলেও একটু নিয়ে যাবেন। ছোটাছুটি করা, খেলাধুলা সেগুলো যেন তারা করতে পারে, সেই সুযোগটা সৃষ্টি করে দেওয়া আমি মনে করি। কারণ তাদের স্বাস্থ্যের জন্য, তাদের মানসিক অবস্থার দিক থেকে এটা খুবই দরকার।বিনামূল্যে বই বিতরণ, উপবৃত্তি, বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনাসহ শিশুদের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
ঢাকা,সোমবার,০৫ অক্টেবর,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

© Copyright BY HBnews24.Com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com

Translate »