করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলাদেশে

নতুন আক্রান্ত মোট আক্রান্ত সুস্থ মৃত্যু
২২৭৩ ৪,৫৮,৭১১ ৩,৭৩,৬৭৬ ৬৫৪৪

আজ শোকাবহ জেলহত্যা দিবস,ইতিহাসে কলঙ্কময় একটি দিন

আজ শোকাবহ জেলহত্যা দিবস। বাংলাদেশের ইতিহাসে কলঙ্কময় একটি দিন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর ৩ নভেম্বর মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে চালানো হয় নৃশংস হত্যাযজ্ঞ। করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সারাদেশে সীমিত পরিসরে পালিত হয়েছে দিবসটি।মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর)স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতকচক্র ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর বঙ্গবন্ধুর আজীবন রাজনৈতিক সহকর্মী, তার অবর্তমানে যারা মুক্তিযুদ্ধের নেতৃতত্ব দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেন সেই জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, ক্যাপ্টেন মুনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে জেলখানার অভ্যন্তরে গুলি করে ও বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযু্েদ্ধর পরাজিত শত্রুরা এদেশের স্বাধীনতাকে মেনে নিতে পারেনি। পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে স্বাধীনতা বিরোধী দেশি-বিদেশি ওই চক্রটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যা করে। এরপর খুনি মোশতাকের নেতুত্বে স্বাধীনতা বিরোধী ওই চক্রটি এদেশকে পাকিস্তান বানানোর ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বাংলাদেশ যাতে আর আগাতে না পারে, স্বাধীনতা যাতে ব্যর্থ হয়, বাংলাদেশ যাতে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয় সেই চক্রান্ত করে স্বাধীনতা বিরোধী চক্র অগ্রসর হয়। এরই অংশ হিসেবে এবং এদেশে যাতে কোনোদিন স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে সেই ষড়যন্ত্র থেকেই জেলখানার অভ্যন্তরে এই হত্যাকাণ্ড তারা সংগঠিত করে।

মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে থেকে এই চার নেতা ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। ওই সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ, অর্থমন্ত্রী ক্যাপ্টেন মুনসুর আলী, খাদ্য ও ত্রাণ মন্ত্রী এ এইচ এম কামারুজ্জামান।

শুধু মুক্তিযুদ্ধ নয়, সব আন্দোলন-সংগ্রামে এই চার নেতা বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহযোদ্ধা হিসেবে বঙ্গবন্ধুর পাশে থেকেছেন। বিভিন্ন সময় বঙ্গবন্ধুকে যখন কারাগারের বন্দি রাখা হয়েছে তখন আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দিয়ে এই চার নেতা আন্দলন-সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়েছেন।জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে সকালে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে প্রথমে শ্রদ্ধা জানানো হয় ৷ এরপর বনানী কবরস্থানে জাতীয় তিন নেতার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।সকাল ৮টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। পরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন।পরে আওয়ামী লীগ নেতাদের রাজধানীর বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের শহীদ ও জাতীয় নেতাদের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। বনানী কবরস্থানে ফাতেহাপাঠ, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
ঢাকা,মঙ্গলবার,০৩ নভেম্বর,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

সর্বশেষ আপডেট



» সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের জ্যেষ্ঠ পরমাণুবিজ্ঞানী মুহসেন ফাখরিজাদে

» রাজধানীর বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন আলী যাকের

» গাইবান্ধায় ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের রদেহ উদ্ধার

» শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলন দিবস পালিত

» নতুন করে আরও ২২৭৩ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত,মৃত্যু ২০ জন

» রাজধানীর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী যাকেরকে শেষ শ্রদ্ধা

» পদ্মাসেতুতে ৩৯তম স্প্যান বসানোর কাজ সম্পন্ন,দৃশ্যমান হলো ৫ হাজার ৮৫০ মিটার

» সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও প্রবীণ অভিনেতা নাট্যজন আলী যাকের আর নেই

» নতুন করে আরও ২২৯২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত,মৃত্যু ৩৭ জন

» কিংবদন্তি ফুটবলার ডিয়েগো ম্যারাডোনা আর নেই

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

 

 

সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com




আজ শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০ খ্রিষ্টাব্দ, ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

আজ শোকাবহ জেলহত্যা দিবস,ইতিহাসে কলঙ্কময় একটি দিন

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

আজ শোকাবহ জেলহত্যা দিবস। বাংলাদেশের ইতিহাসে কলঙ্কময় একটি দিন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর ৩ নভেম্বর মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে চালানো হয় নৃশংস হত্যাযজ্ঞ। করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সারাদেশে সীমিত পরিসরে পালিত হয়েছে দিবসটি।মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর)স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতকচক্র ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর বঙ্গবন্ধুর আজীবন রাজনৈতিক সহকর্মী, তার অবর্তমানে যারা মুক্তিযুদ্ধের নেতৃতত্ব দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেন সেই জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, ক্যাপ্টেন মুনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে জেলখানার অভ্যন্তরে গুলি করে ও বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযু্েদ্ধর পরাজিত শত্রুরা এদেশের স্বাধীনতাকে মেনে নিতে পারেনি। পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে স্বাধীনতা বিরোধী দেশি-বিদেশি ওই চক্রটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যা করে। এরপর খুনি মোশতাকের নেতুত্বে স্বাধীনতা বিরোধী ওই চক্রটি এদেশকে পাকিস্তান বানানোর ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বাংলাদেশ যাতে আর আগাতে না পারে, স্বাধীনতা যাতে ব্যর্থ হয়, বাংলাদেশ যাতে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয় সেই চক্রান্ত করে স্বাধীনতা বিরোধী চক্র অগ্রসর হয়। এরই অংশ হিসেবে এবং এদেশে যাতে কোনোদিন স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে সেই ষড়যন্ত্র থেকেই জেলখানার অভ্যন্তরে এই হত্যাকাণ্ড তারা সংগঠিত করে।

মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে থেকে এই চার নেতা ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। ওই সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ, অর্থমন্ত্রী ক্যাপ্টেন মুনসুর আলী, খাদ্য ও ত্রাণ মন্ত্রী এ এইচ এম কামারুজ্জামান।

শুধু মুক্তিযুদ্ধ নয়, সব আন্দোলন-সংগ্রামে এই চার নেতা বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহযোদ্ধা হিসেবে বঙ্গবন্ধুর পাশে থেকেছেন। বিভিন্ন সময় বঙ্গবন্ধুকে যখন কারাগারের বন্দি রাখা হয়েছে তখন আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দিয়ে এই চার নেতা আন্দলন-সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়েছেন।জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে সকালে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে প্রথমে শ্রদ্ধা জানানো হয় ৷ এরপর বনানী কবরস্থানে জাতীয় তিন নেতার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।সকাল ৮টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। পরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন।পরে আওয়ামী লীগ নেতাদের রাজধানীর বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের শহীদ ও জাতীয় নেতাদের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। বনানী কবরস্থানে ফাতেহাপাঠ, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
ঢাকা,মঙ্গলবার,০৩ নভেম্বর,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

© Copyright BY HBnews24.Com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com

Translate »