করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলাদেশে

নতুন আক্রান্ত মোট আক্রান্ত সুস্থ মৃত্যু
৫৮১৯ ৬,৮৪,৭৫৬ ৫,৭৬,৫৯০ ৯৭৩৯

ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণই বাঙালির প্রকৃত স্বাধীনতার ঘোষণা-প্রধানমন্ত্রী

ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণই বাঙালির প্রকৃত স্বাধীনতার ঘোষণা, এই ভাষণের মধ্য দিয়েই বঙ্গবন্ধু বাঙালিকে যুদ্ধের সকল প্রস্তুতির নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।ইতিহাস মুছে ফেলা যায় না এটি আজ প্রমাণিত সত্য। রোববার (৭ মার্চ) বিকেলে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ২০২১ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে (ভার্চ্যুয়াল) তিনি এ মন্তব্য করেন।সরকারপ্রধান বলেন, বঙ্গবন্ধুর দেখানো অর্থনৈতিক মুক্তির পথে দেশ অনেক দূর এগিয়েছে।

তিনি বলেন, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে দেয়া ওই ভাষণ জাতি অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছিলো বলেই পরাধীনতা ঘুচেছে জাতির।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এটাও জানতেন যেই মুহূর্তে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণাটা বাস্তবে অফিসিয়ালভাবে দেবেন সেই মুহূর্তে হয়তো তিনি বেঁচে নাও থাকতে পারেন। সেজন্য তার এ ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের ভেতরেই কিন্তু তিনি স্বাধীনতার ঘোষণাটা দিয়ে গেলেন। তিনি বলে গেলেন যে ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম। ’

‘৭ মার্চের ভাষণ… এটা যে স্বাধীনতার সংগ্রাম আর এ যুদ্ধটা যে স্বাধীনতা যুদ্ধ হবে সেই কথাটাই কিন্তু তিনি (বঙ্গবন্ধু) স্পষ্ট বলে গেছেন। কাজেই এটা একদিক দিয়ে বলতে গেলে ৭ মার্চই তো প্রকৃত স্বাধীনতার ঘোষণা। ’

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বলেন, সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এ ভাষণের মধ্য দিয়ে তিনি (বঙ্গবন্ধু) একটা যুদ্ধের প্রস্তুতি নেবার সব নির্দেশনা দিয়ে গেছেন। কারণ একটা গেরিলা যুদ্ধ হবে সেই গেরিলা যুদ্ধ হতে হলে কী কী করতে হবে, সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোলা থেকে শুরু করে যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে বলেছেন।

তিনি বলেন, এ ভাষণের ভেতরে তিনটা স্তর পাবেন। একটা ঐতিহাসিক পটভূমি আছে যে বাঙালির বঞ্চনার ইতিহাস, অত্যাচার নির্যাতনের ইতিহাস, তখনকার বর্তমান অবস্থাটা- কীভাবে সেই পাকিস্তানি সামরিক জান্তারা গুলি করে মানুষকে হত্যা করেছে, কীভাবে মানুষ ভোট দিয়েছে। তাদের সেই অধিকার থেকে তাদের বঞ্চিত করছে সেই বঞ্চনার ইতিহাস। তখনকার নির্যাতনের ইতিহাস বলেছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণ কিন্তু লিখিত ভাষণ না, তিনি তার জীবনের সমস্ত সংগ্রামের সমগ্র অভিজ্ঞতা এবং জাতিকে তার যে লক্ষ্য, সেই লক্ষ্য স্থির করেই কিন্তু তিনি এ ভাষণটা দিয়েছিলেন।শেখ হাসিনা বলেন, প্রতিটি ক্ষেত্রে সংগ্রামের ক্ষেত্রে আন্দোলনের ক্ষেত্রে একটা পরিমিতিবোধ কিন্তু থাকতে হয়। ৭ মার্চের ভাষণ যখন দিতে যাবেন তখন আমার মায়ের একটাই পরামর্শ ছিল। সারাটা জীবন সংগ্রাম করেছো তুমি। তোমার মনে যেই কথা আছে তুমি ঠিক সেই কথাটাই বলবে। কারো কথা শুনবার তোমার প্রয়োজন নেই।
’৭৫ এর ১৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর ৭ মার্চের ঐতিহসিক ভাষণ প্রচার নিষিদ্ধ ছিল এবং অলিখিত নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। কিন্তু সত্য ইতিহাসকে এতো সহজে মুছে ফেলা যায় না। সত্যকে কখনো দাবিয়ে রাখা যায় না।
শেখ হাসিনা বলেন, আজকে সত্য উদ্ভাসিত হয়েছে। আজকে এ ভাষণ বিশ্বস্বীকৃতি যেমন পেয়েছে, তেমনি জাতিসংঘের প্রতিটি ভাষায় এ ভাষণটা অনুবাদ করা হয়েছে। প্রতিটি ভাষায় এটা অনুবাদ করে প্রচার করা হচ্ছে। ইউনিসেফ সেই পদক্ষেপটা নিয়েছে।
ঢাকা,রোববার,০৭ মার্চ,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

সর্বশেষ আপডেট



» সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে রোজা শুরু হবে মঙ্গলবার

» করোনায় আক্রান্ত বেগম খালেদা জিয়া

» নতুন করে আরও ৫৮১৯ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত,মৃত্যু ৭৮ জন

» ঝড়ে ১১টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে যাওয়ায় সুনামগঞ্জ-জামালগঞ্জ সড়কে যান চলাচল বন্ধ

» সরকারি চিনির দাম কেজিতে ৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে

» বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারের জেরে সংঘর্ষ: নিহত ২

» প্রথম ধাপের চলমান লকডাউনের ধারাবাহিকতা চলবে ১২ ও ১৩ এপ্রিল

» চলে গেলেন জনপ্রিয় রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী মিতা হক

» চট্টগ্রামের এনায়েত বাজার এলাকায় একটি পাঁচ তলা ভবন হেলে পড়েছে

» নতুন করে আরও ৫৩৪৩ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত,মৃত্যু ৭৭ জন

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

 

 

সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১ খ্রিষ্টাব্দ, ২৯শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণই বাঙালির প্রকৃত স্বাধীনতার ঘোষণা-প্রধানমন্ত্রী

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণই বাঙালির প্রকৃত স্বাধীনতার ঘোষণা, এই ভাষণের মধ্য দিয়েই বঙ্গবন্ধু বাঙালিকে যুদ্ধের সকল প্রস্তুতির নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।ইতিহাস মুছে ফেলা যায় না এটি আজ প্রমাণিত সত্য। রোববার (৭ মার্চ) বিকেলে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ২০২১ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে (ভার্চ্যুয়াল) তিনি এ মন্তব্য করেন।সরকারপ্রধান বলেন, বঙ্গবন্ধুর দেখানো অর্থনৈতিক মুক্তির পথে দেশ অনেক দূর এগিয়েছে।

তিনি বলেন, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে দেয়া ওই ভাষণ জাতি অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছিলো বলেই পরাধীনতা ঘুচেছে জাতির।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এটাও জানতেন যেই মুহূর্তে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণাটা বাস্তবে অফিসিয়ালভাবে দেবেন সেই মুহূর্তে হয়তো তিনি বেঁচে নাও থাকতে পারেন। সেজন্য তার এ ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের ভেতরেই কিন্তু তিনি স্বাধীনতার ঘোষণাটা দিয়ে গেলেন। তিনি বলে গেলেন যে ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম। ’

‘৭ মার্চের ভাষণ… এটা যে স্বাধীনতার সংগ্রাম আর এ যুদ্ধটা যে স্বাধীনতা যুদ্ধ হবে সেই কথাটাই কিন্তু তিনি (বঙ্গবন্ধু) স্পষ্ট বলে গেছেন। কাজেই এটা একদিক দিয়ে বলতে গেলে ৭ মার্চই তো প্রকৃত স্বাধীনতার ঘোষণা। ’

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বলেন, সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এ ভাষণের মধ্য দিয়ে তিনি (বঙ্গবন্ধু) একটা যুদ্ধের প্রস্তুতি নেবার সব নির্দেশনা দিয়ে গেছেন। কারণ একটা গেরিলা যুদ্ধ হবে সেই গেরিলা যুদ্ধ হতে হলে কী কী করতে হবে, সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোলা থেকে শুরু করে যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে বলেছেন।

তিনি বলেন, এ ভাষণের ভেতরে তিনটা স্তর পাবেন। একটা ঐতিহাসিক পটভূমি আছে যে বাঙালির বঞ্চনার ইতিহাস, অত্যাচার নির্যাতনের ইতিহাস, তখনকার বর্তমান অবস্থাটা- কীভাবে সেই পাকিস্তানি সামরিক জান্তারা গুলি করে মানুষকে হত্যা করেছে, কীভাবে মানুষ ভোট দিয়েছে। তাদের সেই অধিকার থেকে তাদের বঞ্চিত করছে সেই বঞ্চনার ইতিহাস। তখনকার নির্যাতনের ইতিহাস বলেছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণ কিন্তু লিখিত ভাষণ না, তিনি তার জীবনের সমস্ত সংগ্রামের সমগ্র অভিজ্ঞতা এবং জাতিকে তার যে লক্ষ্য, সেই লক্ষ্য স্থির করেই কিন্তু তিনি এ ভাষণটা দিয়েছিলেন।শেখ হাসিনা বলেন, প্রতিটি ক্ষেত্রে সংগ্রামের ক্ষেত্রে আন্দোলনের ক্ষেত্রে একটা পরিমিতিবোধ কিন্তু থাকতে হয়। ৭ মার্চের ভাষণ যখন দিতে যাবেন তখন আমার মায়ের একটাই পরামর্শ ছিল। সারাটা জীবন সংগ্রাম করেছো তুমি। তোমার মনে যেই কথা আছে তুমি ঠিক সেই কথাটাই বলবে। কারো কথা শুনবার তোমার প্রয়োজন নেই।
’৭৫ এর ১৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর ৭ মার্চের ঐতিহসিক ভাষণ প্রচার নিষিদ্ধ ছিল এবং অলিখিত নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। কিন্তু সত্য ইতিহাসকে এতো সহজে মুছে ফেলা যায় না। সত্যকে কখনো দাবিয়ে রাখা যায় না।
শেখ হাসিনা বলেন, আজকে সত্য উদ্ভাসিত হয়েছে। আজকে এ ভাষণ বিশ্বস্বীকৃতি যেমন পেয়েছে, তেমনি জাতিসংঘের প্রতিটি ভাষায় এ ভাষণটা অনুবাদ করা হয়েছে। প্রতিটি ভাষায় এটা অনুবাদ করে প্রচার করা হচ্ছে। ইউনিসেফ সেই পদক্ষেপটা নিয়েছে।
ঢাকা,রোববার,০৭ মার্চ,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

© Hbnews24 || Phone: +8801714043198, email: hbnews24@gmail.com

Translate »
error: Alert: Content is protected !!