করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলাদেশে

নতুন আক্রান্ত মোট আক্রান্ত সুস্থ মৃত্যু
১০৮৮৮ ১৬,৫৩,১৮২ ১৫,৫৪,৮৪৫ ২৮,১৮০

জনগণের ভোটে নির্বাচিত না হলে আওয়ামী লীগ ১৩ বছর ক্ষমতায় থাকতে পারতো না

জনগণের ভোটে নির্বাচিত না হলে আওয়ামী লীগ ১৩ বছর ক্ষমতায় থাকতে পারতো না, এ বাস্তবতা সবাইকেই মানতে হবে। জনরায়ের বিরুদ্ধে ক্ষমতায় গেলে জনগণ ছেড়ে দেয় না। ভোটের অধিকার যারা কেড়ে নিয়েছিল জনগণ তাদের জবাব দিয়েছে ক্ষমতাচ্যুত করে। এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) আয়োজিত আলোচনা সভায় গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভার আয়োজন করে আওয়ামী লীগ। এতে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দেন দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর অত্যাচার করে বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। যারা নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলে তাদের ১৫ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের কথা স্মরণ করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ভোট চোরদের জনগণ রেহাই দেয় না বলেই ভোট চুরির অভিযোগে খালেদা জিয়াকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল। ১৯৯৬ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া কেমন নির্বাচন করেছিল, কত শতাংশ ভোট পড়েছিল। সব জায়গায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করে, ভোটের বাক্স সিল দিয়ে খালেদা জিয়া তিন বারের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। খালেদা জিয়া জনগণের ভোট চুরি করেছিল বলে গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল, আন্দোলন-সংগ্রাম হয়েছিল। সেই সংগ্রামের মধ্যে নাকে খৎ দিয়ে ৩০শে মার্চ খালেদা জিয়া বাধ্য হয়েছিলেন পদত্যাগ করতে। বঙ্গভবনে পদত্যাগ করতে যাওয়ার সময় জনগণের অনুমতি নিয়ে তাকে যেতে হয়েছিল। ভোট চুরি করলে জনগণ ছেড়ে দেয় না।টানা তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে আওয়ামী লীগ পরপর তিনবার সরকারে এসেছে, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছে, জণগণের ভোটে যদি নির্বাচিত না হতাম তাহলে তিন তিন বার আমরা সরকারে আসতে পারতাম না। আর আজকে ১৩ বছর পূর্ণ করতে পারতাম না। এটা হলো বাস্তবতা। এই বাস্তবতাকে স্বীকার করতে হবে। ’

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান এবং জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সময়কার নির্বাচনের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজকে যারা নির্বাচন নিয়ে কথা বলে, প্রশ্ন তোলে তাদের কাছে আমার প্রশ্ন? …রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছে ক্ষমতায় বসে, উর্দি পরে, একদিকে সেনাবাহিনী প্রধান, আরেকদিনে রাষ্ট্রপতি, স্বঘোষিত রাষ্ট্রপতি। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী। সে নির্বাচনে জনগণ কি ভোট দিতে পেরেছিল? সেখানে ভোট ছিল কোথায়? তারপর আবার দল গঠন করা হলো, ক্ষমতায় বসে ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে দল গঠন করা, সেই দলেরই নাম হচ্ছে বিএনপি। ’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচন, বহু পূর্ব থেকে ঘোষণা, আওয়ামী লীগ ৪০টার বেশি সিট পাবে না। তখন শুধু সরকারি পত্রিকাই ছিল, সেখানে সেটাই লেখা হয়েছিল। আওয়ামী লীগ একটি সংগঠন, ৪৯ সালে যার জন্ম, যে সংগঠনের মাধ্যমে ভাষার আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ সেই সংগঠন এ রকম ভোট পাবে না। এটা কি করে হতে পারে? কিন্তু সেই ঘটনাই বাংলাদেশে ঘটেছিল। ’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তাহলে সে নির্বাচনের খেলাটা কি ছিল? ওই নির্বাচনটা জনগণের ভোটে হয়নি। অবৈধ ক্ষমতাকে বৈধ করার জন্য সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সেটাকে বৈধকরণ করার প্রচেষ্টা। সেই খেলাটাই হয়েছিল জনগণের ভোট নিয়ে। জনগণের ভোটের অধিকার লঙ্ঘন করে। এ খেলাই চলছিল দীর্ঘদিন। ’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘তারপর ’৮১ সালের নির্বাচনটা দেখি, …’৮১ সালের নির্বাচনে আমাদের ক্যান্ডিডেট ছিলেন, তিনিও ভুলে গেছেন তার নির্বাচনে কি ঘটেছিল। সমস্ত জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ওপরে অকথ্য অত্যাচার-নির্যাতন। তারপর আসলো ’৮৬ সালের নির্বাচন, ৪৮ ঘণ্টা নির্বাচন বন্ধ করে রেজাল্ট পাল্টে দেওয়া হলো। ’

‘’৯১ সালের নির্বাচন, কোনো দলই তখন সংখ্যাঘরিষ্ঠতা পেল না। আমাকে প্রস্তাব দিয়েছিল তখনকার রাষ্ট্রপতি, আমরা মেজরিটি পাইনি বলে আমি সে প্রস্তাবে রাজি হইনি। যে জামায়াত আর জাতীয় পার্টির সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করতে পারি। আমি বললাম যে, এই দুর্বল অবস্থায় তো আমি ক্ষমতায় যেতে চাই না। …কারণ আমার ক্ষমতার প্রয়োজন হচ্ছে দেশের উন্নয়ন করা। যাই হোক বিএনপি জামায়াতের সহযোগিতায় সরকার গঠন করে। ’

অনেকে বাংলাদেশে উন্নয়ন সহ্য করতে পারে না মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়নটা যারা সহ্যই করতে পারে না, তাদের মুখে ওই কিছুই হলো না, কিছুই হলো না কথা। তাদের বলবো নিজেরা আয়নায় একটু চেহারা দেখেন। আর অতীতে কী করেছেন সেটা দেখেন। ’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ ভালো কাজ করলে পেছনে লেগে থাকা এক শ্রেণীর মানুষের অভ্যাস। যারা এদেশের স্বাধীনতা চায়নি, যারা খুনিদের নিয়ে, যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে সরকার গঠন করে রাষ্ট্রপরিচালনার মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়নকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল তাদের কিছু প্রেতাত্মা এখনো সমাজে আছে, রাজনৈতিক অঙ্গনে আছে এবং তারাই এগুলো করে বেড়াচ্ছে। ২০০১ সাল থেকে দুর্নীতি করে বিদেশে টাকা পাচার করেছে বিএনপি।

শেখ হাসিনা অভিযোগ করেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের সুযোগ ব্যবহার করে সরকারের বদনাম করে যাচ্ছে বিএনপি। ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার সাথে জড়িত খুনিরা এখনও সক্রিয় বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়নের চাকা গতিশীল থাকে উল্লেখ করে সকল ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করে নেতাকর্মীদের কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ঢাকা,মঙ্গলবার ১১ জানুয়ারি,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

সর্বশেষ আপডেট



» রাজধানীর মগবাজার মোড়ে দুই বাসের রেষারেষিতে প্রাণ হারালো এক কিশোর

» ৪৩তম বিসিএসের প্রিলিমিনারির ফল প্রকাশ

» নতুন করে আরও ১০৮৮৮ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত, মৃত্যু ৪ জন

» নরসিংদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ছোট ভাই নিহত

» ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন পেয়েছেন অভিনেতা ও গায়ক তাহসান খান

» উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে শাবিপ্রবিতে অনশনরত এক শিক্ষার্থী অসুস্থ

» করোনা নিয়ন্ত্রণে সামাজিক বা যেকোনো অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

» গাজীপুরে মহুয়া এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনসহ দুইটি বগি লাইনচ্যুত

» ওয়ারীতে ভাড়া নিয়ে বাকবিতণ্ডার এক ব্যক্তিকে বাস থেকে ফেলে দিয়ে হত্যার অভিযোগ

» টেকনাফে পিকআপ ভ্যান ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকসহ দুইজন নিহত

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

 

 

সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ শুক্রবার, ২১ জানুয়ারি ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ, ৭ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

জনগণের ভোটে নির্বাচিত না হলে আওয়ামী লীগ ১৩ বছর ক্ষমতায় থাকতে পারতো না




জনগণের ভোটে নির্বাচিত না হলে আওয়ামী লীগ ১৩ বছর ক্ষমতায় থাকতে পারতো না, এ বাস্তবতা সবাইকেই মানতে হবে। জনরায়ের বিরুদ্ধে ক্ষমতায় গেলে জনগণ ছেড়ে দেয় না। ভোটের অধিকার যারা কেড়ে নিয়েছিল জনগণ তাদের জবাব দিয়েছে ক্ষমতাচ্যুত করে। এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) আয়োজিত আলোচনা সভায় গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভার আয়োজন করে আওয়ামী লীগ। এতে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দেন দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর অত্যাচার করে বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। যারা নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলে তাদের ১৫ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের কথা স্মরণ করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ভোট চোরদের জনগণ রেহাই দেয় না বলেই ভোট চুরির অভিযোগে খালেদা জিয়াকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল। ১৯৯৬ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া কেমন নির্বাচন করেছিল, কত শতাংশ ভোট পড়েছিল। সব জায়গায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করে, ভোটের বাক্স সিল দিয়ে খালেদা জিয়া তিন বারের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। খালেদা জিয়া জনগণের ভোট চুরি করেছিল বলে গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল, আন্দোলন-সংগ্রাম হয়েছিল। সেই সংগ্রামের মধ্যে নাকে খৎ দিয়ে ৩০শে মার্চ খালেদা জিয়া বাধ্য হয়েছিলেন পদত্যাগ করতে। বঙ্গভবনে পদত্যাগ করতে যাওয়ার সময় জনগণের অনুমতি নিয়ে তাকে যেতে হয়েছিল। ভোট চুরি করলে জনগণ ছেড়ে দেয় না।টানা তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে আওয়ামী লীগ পরপর তিনবার সরকারে এসেছে, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছে, জণগণের ভোটে যদি নির্বাচিত না হতাম তাহলে তিন তিন বার আমরা সরকারে আসতে পারতাম না। আর আজকে ১৩ বছর পূর্ণ করতে পারতাম না। এটা হলো বাস্তবতা। এই বাস্তবতাকে স্বীকার করতে হবে। ’

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান এবং জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সময়কার নির্বাচনের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজকে যারা নির্বাচন নিয়ে কথা বলে, প্রশ্ন তোলে তাদের কাছে আমার প্রশ্ন? …রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছে ক্ষমতায় বসে, উর্দি পরে, একদিকে সেনাবাহিনী প্রধান, আরেকদিনে রাষ্ট্রপতি, স্বঘোষিত রাষ্ট্রপতি। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী। সে নির্বাচনে জনগণ কি ভোট দিতে পেরেছিল? সেখানে ভোট ছিল কোথায়? তারপর আবার দল গঠন করা হলো, ক্ষমতায় বসে ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে দল গঠন করা, সেই দলেরই নাম হচ্ছে বিএনপি। ’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচন, বহু পূর্ব থেকে ঘোষণা, আওয়ামী লীগ ৪০টার বেশি সিট পাবে না। তখন শুধু সরকারি পত্রিকাই ছিল, সেখানে সেটাই লেখা হয়েছিল। আওয়ামী লীগ একটি সংগঠন, ৪৯ সালে যার জন্ম, যে সংগঠনের মাধ্যমে ভাষার আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ সেই সংগঠন এ রকম ভোট পাবে না। এটা কি করে হতে পারে? কিন্তু সেই ঘটনাই বাংলাদেশে ঘটেছিল। ’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তাহলে সে নির্বাচনের খেলাটা কি ছিল? ওই নির্বাচনটা জনগণের ভোটে হয়নি। অবৈধ ক্ষমতাকে বৈধ করার জন্য সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সেটাকে বৈধকরণ করার প্রচেষ্টা। সেই খেলাটাই হয়েছিল জনগণের ভোট নিয়ে। জনগণের ভোটের অধিকার লঙ্ঘন করে। এ খেলাই চলছিল দীর্ঘদিন। ’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘তারপর ’৮১ সালের নির্বাচনটা দেখি, …’৮১ সালের নির্বাচনে আমাদের ক্যান্ডিডেট ছিলেন, তিনিও ভুলে গেছেন তার নির্বাচনে কি ঘটেছিল। সমস্ত জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ওপরে অকথ্য অত্যাচার-নির্যাতন। তারপর আসলো ’৮৬ সালের নির্বাচন, ৪৮ ঘণ্টা নির্বাচন বন্ধ করে রেজাল্ট পাল্টে দেওয়া হলো। ’

‘’৯১ সালের নির্বাচন, কোনো দলই তখন সংখ্যাঘরিষ্ঠতা পেল না। আমাকে প্রস্তাব দিয়েছিল তখনকার রাষ্ট্রপতি, আমরা মেজরিটি পাইনি বলে আমি সে প্রস্তাবে রাজি হইনি। যে জামায়াত আর জাতীয় পার্টির সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করতে পারি। আমি বললাম যে, এই দুর্বল অবস্থায় তো আমি ক্ষমতায় যেতে চাই না। …কারণ আমার ক্ষমতার প্রয়োজন হচ্ছে দেশের উন্নয়ন করা। যাই হোক বিএনপি জামায়াতের সহযোগিতায় সরকার গঠন করে। ’

অনেকে বাংলাদেশে উন্নয়ন সহ্য করতে পারে না মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়নটা যারা সহ্যই করতে পারে না, তাদের মুখে ওই কিছুই হলো না, কিছুই হলো না কথা। তাদের বলবো নিজেরা আয়নায় একটু চেহারা দেখেন। আর অতীতে কী করেছেন সেটা দেখেন। ’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ ভালো কাজ করলে পেছনে লেগে থাকা এক শ্রেণীর মানুষের অভ্যাস। যারা এদেশের স্বাধীনতা চায়নি, যারা খুনিদের নিয়ে, যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে সরকার গঠন করে রাষ্ট্রপরিচালনার মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়নকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল তাদের কিছু প্রেতাত্মা এখনো সমাজে আছে, রাজনৈতিক অঙ্গনে আছে এবং তারাই এগুলো করে বেড়াচ্ছে। ২০০১ সাল থেকে দুর্নীতি করে বিদেশে টাকা পাচার করেছে বিএনপি।

শেখ হাসিনা অভিযোগ করেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের সুযোগ ব্যবহার করে সরকারের বদনাম করে যাচ্ছে বিএনপি। ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার সাথে জড়িত খুনিরা এখনও সক্রিয় বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়নের চাকা গতিশীল থাকে উল্লেখ করে সকল ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করে নেতাকর্মীদের কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ঢাকা,মঙ্গলবার ১১ জানুয়ারি,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

© Hbnews24 || Phone: +8801714043198, email: hbnews24@gmail.com