করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলাদেশে

নতুন আক্রান্ত মোট আক্রান্ত সুস্থ মৃত্যু
২২৫২ ৪,৭৩,৯৯১ ৩,৯০,৯৫১ ৬৭৭২

ডিজিটাল অ্যাটেনডেন্সে শিক্ষার্থীরা আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে প্রবেশ করছে শ্রেণী কক্ষে

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অবাধ ব্যবহারে এই প্রথম বারের মত চলু হয়েছে পটুয়াখালীর কলাপাড়া লতাচাপলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রতিদিন শিক্ষার্থীরা সুশৃঙ্খভাবে লাইনে দাড়িয়ে ডিজিটাল অ্যাটেনডেন্সে আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে শ্রেণী কক্ষে প্রবেশ করছে। কোন শিক্ষার্থী অনুপস্থিতি থাকলে অভিভাবকের মোবাইল ফোনে পৌঁছে যায় এসএমএস বার্তা। ১০টি সিসি ক্যামেরার নজরদারিতে চলছে শ্রেনী কক্ষের পাঠদান। ক্লাস নেওয়া হচ্ছে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরে মাধ্যমে। সাউন্ড সিস্টেমের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষিকা নজরদারি করছেন শ্রেণী কক্ষের পাঠদান। দিচ্ছেন প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা। অনলাইনের মাধ্যমে জানানো হচ্ছে পরীক্ষার ফলাফল। আধুনিক পাঠদান ও ২৭টি উদ্ভাবনী শিক্ষা পদ্ধতি বিদ্যালয়টিকে করে তুলেছে অনন্য। এরই মধ্যে ডিজিটাল মডেল স্কুল হিসাবে পরিচিত হয়ে উঠেছে সবার কাছে। পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটার একমাত্র শিশু বান্ধব বিদ্যালটিতে প্ররেশের সাথে সাথেই চোখে পড়ে শিক্ষার্থীদের কলকাকলিতে মুখরিত প্রাঙ্গন। আনন্দে উচ্ছসিত শিক্ষার্থীরা ব্যস্ত দোলনা, সৃস্টিসহ নানা খেলার উপকরন নিয়ে। নজর কেড়ে নেয় দেয়ালের রংতুলির বর্নিল নির্বাক চিত্র। দেয়াল জুড়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ৫২’র ভাষা আন্দোলন থেকে সকল ইতিহাসসহ বর্তমান বাংলাদেশের উন্নয়নের নানা চিত্র এবং বিবরন। রয়েছে দেশ-বিদেশের বিখ্যাত মনীষীদের প্রতিকৃতি, জীবনী, উক্তি। কম্পিউটার ল্যাবে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ল্যাপটপ চালিয়ে জানার চেষ্টা করছে বিশ্বকে। এছাড়া অবিভাবকদের বিনোদন কক্ষসহ পাঠাগার সহ ভৌগলিক কর্নার, প্রযুক্তি কর্নার, গ্রন্থাগার, স্পোর্টস কর্নার,
বিজ্ঞানাগার, সততা স্টোর, গনিত ল্যাব, সততা কুটির, মহানুভবতার জ্ঞানসহ ফুল, ফল,সবজির বাগান সাজানো গোছানো রয়েছে। প্রতিদিন ডিজিটাল অ্যাটেনডেন্সে আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে শিক্ষার্থীদের শ্রেণী কক্ষে প্রবেশ করতে হয় বলে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন। বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শতভাগ পাসের হারসহ ক্রীড়া-সংস্কৃতি প্রতিযোগিতায় জেলা, উপজেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রয়েছে ধারাবাহিক সাফল্য।
ইতোমধ্যে ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরিতে বাংলাদেশে চতুর্থ লাভ করেছে বিদ্যালয়টি। বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি অনন্ত মুর্খাজী বলেন, সাগর পাড়ের অনাগ্রসর জনগোষ্ঠীকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য ১৯৩৬সালে রাখাইন বাচিন তালুকদার প্রতিষ্ঠা করেন এ বিদ্যালয়টি। বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষিকা যোগদান করার পর দিয়েছেন বিদ্যালয়ের এক ভিন্ন রূপ। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নাজমুস সাকিব খান কনা বলেন, একসময়ের এ অপরিপাটি বিদ্যালয়টিকে প্রথমে মডেল বিদ্যালয় উন্নীত করি। এখন রূপ দেয়া হয়েছে বিজ্ঞানের
অগ্রযাত্রার আলোয়। সম্পূর্ন ডিজিটাল পব্দতিতে চলছে বিদ্যালয়ের পাঠদান। এরফলে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে। ঝড়ে পড়ার হার শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। পাশের হার হয়েছে শতভাগ। গ্রামীন জনপদের শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে আধুনিক বিজ্ঞানের জ্ঞান। যা তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষা জীবনের পথা চলাকে সহজ করে দেবে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হোসনে ইয়াসমিন করিমী বলেন, জেলার প্রথম মডেল বিদ্যালয় লতাচাপলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আদলে পর্যায়ক্রমে সকল বিদ্যালয়কে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
উত্তম কুমার হাওলাদার, কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি
পটুয়াখালী,বুধবার,২৯ নভেম্বর, এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

সর্বশেষ আপডেট



» বিতর্কে না জড়িয়ে আন্দোলনে আসেন। দেশে গণতন্ত্র নেই, দ্রব্যমূল্য কমছে না আলেমদের উদ্দেশে জাফরুল্লাহ

» মানিকগঞ্জে বাস-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে সাতজন নিহত

» ১ হাজার ৬৪২ জন রোহিঙ্গা নোয়াখালীর ভাসানচরে পৌঁছালেন

» টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বাসের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষে ছয়জন নিহত

» নতুন করে আরও ২২৫২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত,মৃত্যু ২৪ জন

» পদ্মা সেতুতে বসলো ৪০তম স্প্যান। এখন দৃশ্যমান ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার

» দেশে ভাস্কর্য নিয়ে অহেতুক একটি বিতর্ক সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে

» অস্ত্র ও মাদকদ্রব্যের তিন মামলায় গোল্ডেন মনিরের নয় দিনের রিমান্ড

» আন্দোলনে ব্যর্থ বিএনপি এখন অন্যের উপর নির্ভর করে ক্ষমতায় যেতে অন্ধকারের চোরাগলি খুঁজছে

» নতুন করে আরও ২৩১৬ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত,মৃত্যু ৩৫ জন

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

 

 

সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com




আজ শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২০ খ্রিষ্টাব্দ, ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ডিজিটাল অ্যাটেনডেন্সে শিক্ষার্থীরা আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে প্রবেশ করছে শ্রেণী কক্ষে

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অবাধ ব্যবহারে এই প্রথম বারের মত চলু হয়েছে পটুয়াখালীর কলাপাড়া লতাচাপলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রতিদিন শিক্ষার্থীরা সুশৃঙ্খভাবে লাইনে দাড়িয়ে ডিজিটাল অ্যাটেনডেন্সে আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে শ্রেণী কক্ষে প্রবেশ করছে। কোন শিক্ষার্থী অনুপস্থিতি থাকলে অভিভাবকের মোবাইল ফোনে পৌঁছে যায় এসএমএস বার্তা। ১০টি সিসি ক্যামেরার নজরদারিতে চলছে শ্রেনী কক্ষের পাঠদান। ক্লাস নেওয়া হচ্ছে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরে মাধ্যমে। সাউন্ড সিস্টেমের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষিকা নজরদারি করছেন শ্রেণী কক্ষের পাঠদান। দিচ্ছেন প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা। অনলাইনের মাধ্যমে জানানো হচ্ছে পরীক্ষার ফলাফল। আধুনিক পাঠদান ও ২৭টি উদ্ভাবনী শিক্ষা পদ্ধতি বিদ্যালয়টিকে করে তুলেছে অনন্য। এরই মধ্যে ডিজিটাল মডেল স্কুল হিসাবে পরিচিত হয়ে উঠেছে সবার কাছে। পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটার একমাত্র শিশু বান্ধব বিদ্যালটিতে প্ররেশের সাথে সাথেই চোখে পড়ে শিক্ষার্থীদের কলকাকলিতে মুখরিত প্রাঙ্গন। আনন্দে উচ্ছসিত শিক্ষার্থীরা ব্যস্ত দোলনা, সৃস্টিসহ নানা খেলার উপকরন নিয়ে। নজর কেড়ে নেয় দেয়ালের রংতুলির বর্নিল নির্বাক চিত্র। দেয়াল জুড়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ৫২’র ভাষা আন্দোলন থেকে সকল ইতিহাসসহ বর্তমান বাংলাদেশের উন্নয়নের নানা চিত্র এবং বিবরন। রয়েছে দেশ-বিদেশের বিখ্যাত মনীষীদের প্রতিকৃতি, জীবনী, উক্তি। কম্পিউটার ল্যাবে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ল্যাপটপ চালিয়ে জানার চেষ্টা করছে বিশ্বকে। এছাড়া অবিভাবকদের বিনোদন কক্ষসহ পাঠাগার সহ ভৌগলিক কর্নার, প্রযুক্তি কর্নার, গ্রন্থাগার, স্পোর্টস কর্নার,
বিজ্ঞানাগার, সততা স্টোর, গনিত ল্যাব, সততা কুটির, মহানুভবতার জ্ঞানসহ ফুল, ফল,সবজির বাগান সাজানো গোছানো রয়েছে। প্রতিদিন ডিজিটাল অ্যাটেনডেন্সে আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে শিক্ষার্থীদের শ্রেণী কক্ষে প্রবেশ করতে হয় বলে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন। বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শতভাগ পাসের হারসহ ক্রীড়া-সংস্কৃতি প্রতিযোগিতায় জেলা, উপজেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রয়েছে ধারাবাহিক সাফল্য।
ইতোমধ্যে ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরিতে বাংলাদেশে চতুর্থ লাভ করেছে বিদ্যালয়টি। বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি অনন্ত মুর্খাজী বলেন, সাগর পাড়ের অনাগ্রসর জনগোষ্ঠীকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য ১৯৩৬সালে রাখাইন বাচিন তালুকদার প্রতিষ্ঠা করেন এ বিদ্যালয়টি। বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষিকা যোগদান করার পর দিয়েছেন বিদ্যালয়ের এক ভিন্ন রূপ। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নাজমুস সাকিব খান কনা বলেন, একসময়ের এ অপরিপাটি বিদ্যালয়টিকে প্রথমে মডেল বিদ্যালয় উন্নীত করি। এখন রূপ দেয়া হয়েছে বিজ্ঞানের
অগ্রযাত্রার আলোয়। সম্পূর্ন ডিজিটাল পব্দতিতে চলছে বিদ্যালয়ের পাঠদান। এরফলে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে। ঝড়ে পড়ার হার শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। পাশের হার হয়েছে শতভাগ। গ্রামীন জনপদের শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে আধুনিক বিজ্ঞানের জ্ঞান। যা তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষা জীবনের পথা চলাকে সহজ করে দেবে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হোসনে ইয়াসমিন করিমী বলেন, জেলার প্রথম মডেল বিদ্যালয় লতাচাপলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আদলে পর্যায়ক্রমে সকল বিদ্যালয়কে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
উত্তম কুমার হাওলাদার, কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি
পটুয়াখালী,বুধবার,২৯ নভেম্বর, এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

© Copyright BY HBnews24.Com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com

Translate »