তিস্তা চুক্তি নিয়েও দুশ্চিস্তার কিছু নেই। আমরা চেয়েছি পানি, তারা দিচ্ছে বিদ্যুৎ

Spread the love

শেষ বিচার করবেন আল্লাহ রাব্বুল আল-আমিন। কে ভালো মুসলমান, আর কে ভালো মুসলমান নয়। কে সঠিক, কে সঠিক না বা কে ভালো কাজ করছে, কে করছে না। এটার বিচার করার দায়িত্ব কিন্তু আল্লাহ আমাদের দেন নাই। আপনারা পবিত্র কোরআনের সবগুলো সুরা পড়েন, দেখবেন সব জায়গায় আল্লাহ বলেছেন, শেষ বিচার তিনি করবেন।কোথায় লেখা আছে, মানুষ খুন করলে বেহেশতে যাবে? রোববার গণভবনে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে জাপান, সৌদি আরব ও ফিনল্যান্ডে তার সরকারি সফরের আদ্যোপান্ত তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, জাপান ও ফিনল্যান্ড নানান ক্ষেত্রে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আগ্রহ দেখিয়েছে। মূল বক্তব্য পাঠের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন শেখ হাসিনা।
শেখ হাসিনা বলেন, শেষ বিচার করার ক্ষমতা তো আল্লাহ রাব্বুল আল-আমিনের। আর নিরীহ মানুষ মারলেই একবারে বেহেশতে চলে যাবে, এটা তো কোনো দিন হয় না। এটা কোথাও লেখা নেই। মানুষকে মারার ক্ষমতা ওই লোককে কে দিয়েছে? কেউ দেয়নি। আল্লাহ তো সেই বিচারের দায়িত্ব কাউকে দেয়নি। শেষ বিচারের সম্পূর্ণ দায়িত্ব আল্লাহর হাতে। আল্লাহর ওপর ভরসা কেন রাখতে পারছেন না? আমরা যেটা শুনি নানা ধরনের কথা। মানুষ হাঁটতে হাঁটতে বলে এই যে দুই কদম, বেহেশতের কাছে পৌঁছালাম। বেহেশতে কে পৌঁছাইছে? যারা মানুষ খুন করেছে একজনও কি পৌঁছাতে পেরেছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন সোশ্যাল মিডিয়াতে তো এত ম্যাসেজ পাঠায়, এত নিউজ দেয়, এত আইটেম দেয়। কেউ কি বেহেশত থেকে একটাও আইটেম পাঠিয়েছে? বা কোনো ম্যাসেজ পাঠিয়েছে মানুষ খুন করে বেহেশতে বসে আরামে আঙ্গুর ফল খাচ্ছি? পেয়েছে কেউ? এক সময় ধারণা করা হতো আমাদের দেশের শুধু কওমি মাদ্রাসার ছেলেরাই সন্ত্রাস করে। এখন আমরা কি দেখি ইংরেজি মিডিয়ামে পড়া, উচ্চবিত্ত, জীবনে চাওয়া পাওয়ার কিছু বাকি নেই, বাপ-মা সব দিয়ে দিয়েছে। হঠাৎ তাদের মনে হলো বেহেশতে যেতে হবে। আরে বেহেশতে যদি যেতে হয় আল্লাহ-রসুলের নাম নেও, নামাজ পড়ো, মানুষকে সাহায্য করো। তোমার ধনসম্পদ দরিদ্রদের বণ্টন করো। আল্লাহ তোমাকে এমনিতেই বেহেশতে টেনে নিবে।শেখ হাসিনা বলেন, আমরা মুসলমানরা আত্মঘাতী সংঘাত করে যাচ্ছি। একে অপরকে আমরা খুন করছি। আর রণক্ষেত্র হচ্ছে সমস্ত মুসলিম দেশ। মুসলিম দেশগুলোর মধ্যেই খুনাখুনি হচ্ছে। লাভবান কে হচ্ছে? অস্ত্র যারা তৈরি করছে তারা, অস্ত্র যারা সরবরাহ করছে তারা, অস্ত্র যারা দিচ্ছে তারা। আরেক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ঈদের সময় আমি দেশের বাইরে ছিলাম। চিন্তিত ছিলাম ঈদের জামাত নিয়ে। কোনো সমস্যা যেন না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখেছি। আমি দেশের বাইরে থাকলেও সবসময় যোগাযোগ রাখি। যখন যে তথ্য পাই তদন্ত করার নির্দেশ দেই। আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও সুন্দরভাবে কাজ করেছে। আসলে আমাদের জনগণ কিন্তু যথেষ্ট সচেতন। জনগণকে সম্পৃক্ত করেই আমরা এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে চাই। এজন্য আমরা সবার সহযোগিতা চাই।’
প্রধানমন্ত্রীকে আনতে যাওয়া বিমানের পাইলটের পাসপোর্ট না নেওয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটা কষ্টের বিষয়। বিমানকে ভালো করছি আর যখনই বিমানে উঠি, একটা সমস্যা তৈরি হয়। পাসপোর্ট নেওয়া ভুল হতে পারে। কিন্তু ইমিগ্রেশন করে কী? কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এখন থেকে সবার ক্ষেত্রে পাসপোর্ট, ভিসা আছে কি-না, ভালোভাবে দেখতে হবে। যখন একটা ভালো অবস্থায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি, তখন একটা সমস্যা দেখা দেয়। এর আগেতো কিছুই ছিলো না। এক সময় বিমানে সিট খালি যেতো, তবু বলা হতো টিকিট নেই। সেটা দূর করেছি। যারা এর সঙ্গে জড়িত ছিলো তারা ষড়যন্ত্র করতে পারে। আমাকে বলা হয়, বিমানে যাওয়া যাবে না। আমি বলেছি বিমানেই যাবো, মরলে নিজের বিমানেই মরবো।’রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও খোদ মিয়ানমারই চায় না, রোহিঙ্গারা ফিরে যাক।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক সংস্থা যারা এখানে ভলান্টিয়ারের কাজ করে, এরা কোনদিনই চায় না কোনো রিফিউজি তাদের দেশে ফিরে যাক। সমস্যা মিয়ানমারকে নিয়ে। তারা কিছুতেই চায় না এদেরকে নিতে।
আগামী জুলাই মাসে শি জিনপিং এর আমন্ত্রণে চীন সফরে গিয়ে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, তিস্তা চুক্তি নিয়েও দুশ্চিস্তার কিছু নেই।তিস্তার পানি সমস্যা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা চেয়েছি পানি, তারা দিচ্ছে বিদ্যুৎ, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকে কাজে লাগিয়ে আমরা দেশের উন্নয়ন করছি। পানি তো আমরা বৃষ্টিতে পাই। সে পানি কীভাবে ধরে রাখা যায় সে ব্যবস্থা করছি। পানি যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হলে পানির জন্য বাংলাদেশকে অন্য কারো কাছে যেতে হবে না।শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি ডেল্টা (দেশ)। সমস্ত নদী হিমালয়ের প্রবাহ থেকে সৃষ্টি হয়ে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। তাই আমরা যদি পানির যথাযথ সংরক্ষণ করতে পারি তাহলে পানির জন্য অন্যের কাছে যেতে হবে না।’
ঢাকা,রোববার,০৯ জুন,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments
Download WordPress Themes
Download Premium WordPress Themes Free
Download Best WordPress Themes Free Download
Download WordPress Themes Free
online free course

সর্বশেষ আপডেট



» কৃষি খাতে অবদানের স্বীকৃতি প্রদান কৃষি খাতের জন্য ইতিবাচক দিক: কৃষিমন্ত্রী

» কলাবাগান ক্রীড়াচক্র থেকে সভাপতিসহ পাঁচজনকে আটক,অস্ত্র-গুলি, ইয়াবা উদ্ধার

» রাজধানীর ধানমন্ডি ক্লাব ২৪ ঘণ্টার জন্য সিলগালা করে দিয়েছে র‌্যাব

» আটদিনের সরকারি সফরে যুক্তরাষ্ট্রের পথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

» ৭ দেহরক্ষীসহ জি কে শামীমকে আটক করেছে র‌্যাব অস্ত্র উদ্ধার

» ছয় দেহরক্ষীসহ যুবলীগ নেতা জি কে শামীমকে আটক করেছে র‌্যাব

» খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে যুবলীগ

» প্রধানমন্ত্রী অপকর্মের ব্যাপারে দলীয় কর্মীদেরও কোনো ছাড় দিচ্ছেন না-ওবায়দুল কাদের

» এ সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থ। আজ প্রমাণ হয়ে গেছে এ দেশকে লুটপাট করে তারা শ্মশানে পরিণত করেছে

» রাজধানীর নিকেতনে যুবলীগ নেতা জি কে শামীমের কার্যালয় ঘিরে অভিযান চালাচ্ছে র‌্যাব।

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

 

 

সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ, ৬ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

তিস্তা চুক্তি নিয়েও দুশ্চিস্তার কিছু নেই। আমরা চেয়েছি পানি, তারা দিচ্ছে বিদ্যুৎ

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

শেষ বিচার করবেন আল্লাহ রাব্বুল আল-আমিন। কে ভালো মুসলমান, আর কে ভালো মুসলমান নয়। কে সঠিক, কে সঠিক না বা কে ভালো কাজ করছে, কে করছে না। এটার বিচার করার দায়িত্ব কিন্তু আল্লাহ আমাদের দেন নাই। আপনারা পবিত্র কোরআনের সবগুলো সুরা পড়েন, দেখবেন সব জায়গায় আল্লাহ বলেছেন, শেষ বিচার তিনি করবেন।কোথায় লেখা আছে, মানুষ খুন করলে বেহেশতে যাবে? রোববার গণভবনে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে জাপান, সৌদি আরব ও ফিনল্যান্ডে তার সরকারি সফরের আদ্যোপান্ত তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, জাপান ও ফিনল্যান্ড নানান ক্ষেত্রে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আগ্রহ দেখিয়েছে। মূল বক্তব্য পাঠের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন শেখ হাসিনা।
শেখ হাসিনা বলেন, শেষ বিচার করার ক্ষমতা তো আল্লাহ রাব্বুল আল-আমিনের। আর নিরীহ মানুষ মারলেই একবারে বেহেশতে চলে যাবে, এটা তো কোনো দিন হয় না। এটা কোথাও লেখা নেই। মানুষকে মারার ক্ষমতা ওই লোককে কে দিয়েছে? কেউ দেয়নি। আল্লাহ তো সেই বিচারের দায়িত্ব কাউকে দেয়নি। শেষ বিচারের সম্পূর্ণ দায়িত্ব আল্লাহর হাতে। আল্লাহর ওপর ভরসা কেন রাখতে পারছেন না? আমরা যেটা শুনি নানা ধরনের কথা। মানুষ হাঁটতে হাঁটতে বলে এই যে দুই কদম, বেহেশতের কাছে পৌঁছালাম। বেহেশতে কে পৌঁছাইছে? যারা মানুষ খুন করেছে একজনও কি পৌঁছাতে পেরেছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন সোশ্যাল মিডিয়াতে তো এত ম্যাসেজ পাঠায়, এত নিউজ দেয়, এত আইটেম দেয়। কেউ কি বেহেশত থেকে একটাও আইটেম পাঠিয়েছে? বা কোনো ম্যাসেজ পাঠিয়েছে মানুষ খুন করে বেহেশতে বসে আরামে আঙ্গুর ফল খাচ্ছি? পেয়েছে কেউ? এক সময় ধারণা করা হতো আমাদের দেশের শুধু কওমি মাদ্রাসার ছেলেরাই সন্ত্রাস করে। এখন আমরা কি দেখি ইংরেজি মিডিয়ামে পড়া, উচ্চবিত্ত, জীবনে চাওয়া পাওয়ার কিছু বাকি নেই, বাপ-মা সব দিয়ে দিয়েছে। হঠাৎ তাদের মনে হলো বেহেশতে যেতে হবে। আরে বেহেশতে যদি যেতে হয় আল্লাহ-রসুলের নাম নেও, নামাজ পড়ো, মানুষকে সাহায্য করো। তোমার ধনসম্পদ দরিদ্রদের বণ্টন করো। আল্লাহ তোমাকে এমনিতেই বেহেশতে টেনে নিবে।শেখ হাসিনা বলেন, আমরা মুসলমানরা আত্মঘাতী সংঘাত করে যাচ্ছি। একে অপরকে আমরা খুন করছি। আর রণক্ষেত্র হচ্ছে সমস্ত মুসলিম দেশ। মুসলিম দেশগুলোর মধ্যেই খুনাখুনি হচ্ছে। লাভবান কে হচ্ছে? অস্ত্র যারা তৈরি করছে তারা, অস্ত্র যারা সরবরাহ করছে তারা, অস্ত্র যারা দিচ্ছে তারা। আরেক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ঈদের সময় আমি দেশের বাইরে ছিলাম। চিন্তিত ছিলাম ঈদের জামাত নিয়ে। কোনো সমস্যা যেন না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখেছি। আমি দেশের বাইরে থাকলেও সবসময় যোগাযোগ রাখি। যখন যে তথ্য পাই তদন্ত করার নির্দেশ দেই। আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও সুন্দরভাবে কাজ করেছে। আসলে আমাদের জনগণ কিন্তু যথেষ্ট সচেতন। জনগণকে সম্পৃক্ত করেই আমরা এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে চাই। এজন্য আমরা সবার সহযোগিতা চাই।’
প্রধানমন্ত্রীকে আনতে যাওয়া বিমানের পাইলটের পাসপোর্ট না নেওয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটা কষ্টের বিষয়। বিমানকে ভালো করছি আর যখনই বিমানে উঠি, একটা সমস্যা তৈরি হয়। পাসপোর্ট নেওয়া ভুল হতে পারে। কিন্তু ইমিগ্রেশন করে কী? কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এখন থেকে সবার ক্ষেত্রে পাসপোর্ট, ভিসা আছে কি-না, ভালোভাবে দেখতে হবে। যখন একটা ভালো অবস্থায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি, তখন একটা সমস্যা দেখা দেয়। এর আগেতো কিছুই ছিলো না। এক সময় বিমানে সিট খালি যেতো, তবু বলা হতো টিকিট নেই। সেটা দূর করেছি। যারা এর সঙ্গে জড়িত ছিলো তারা ষড়যন্ত্র করতে পারে। আমাকে বলা হয়, বিমানে যাওয়া যাবে না। আমি বলেছি বিমানেই যাবো, মরলে নিজের বিমানেই মরবো।’রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও খোদ মিয়ানমারই চায় না, রোহিঙ্গারা ফিরে যাক।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক সংস্থা যারা এখানে ভলান্টিয়ারের কাজ করে, এরা কোনদিনই চায় না কোনো রিফিউজি তাদের দেশে ফিরে যাক। সমস্যা মিয়ানমারকে নিয়ে। তারা কিছুতেই চায় না এদেরকে নিতে।
আগামী জুলাই মাসে শি জিনপিং এর আমন্ত্রণে চীন সফরে গিয়ে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, তিস্তা চুক্তি নিয়েও দুশ্চিস্তার কিছু নেই।তিস্তার পানি সমস্যা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা চেয়েছি পানি, তারা দিচ্ছে বিদ্যুৎ, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকে কাজে লাগিয়ে আমরা দেশের উন্নয়ন করছি। পানি তো আমরা বৃষ্টিতে পাই। সে পানি কীভাবে ধরে রাখা যায় সে ব্যবস্থা করছি। পানি যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হলে পানির জন্য বাংলাদেশকে অন্য কারো কাছে যেতে হবে না।শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি ডেল্টা (দেশ)। সমস্ত নদী হিমালয়ের প্রবাহ থেকে সৃষ্টি হয়ে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। তাই আমরা যদি পানির যথাযথ সংরক্ষণ করতে পারি তাহলে পানির জন্য অন্যের কাছে যেতে হবে না।’
ঢাকা,রোববার,০৯ জুন,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

© Copyright BY HBnews24.Com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com