বুদ্ধিজীবীদের নাম কেউ মুছে ফেলতে পারেনি, তেমনি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসও কেউ মুছে ফেলতে পারবে না

Spread the love

বুদ্ধিজীবীদের নাম কেউ মুছে ফেলতে পারেনি, তেমনি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসও কেউ মুছে ফেলতে পারবে না। ভবিষ্যতে যেকোনো ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে নতুন প্রজন্মকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।তিনি বলেন, বাংলাদেশকে পাকিস্তানের একটা প্রদেশ হিসেবে গড়ে তোলাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য। আর যে কারণে আমাদের যারা জ্ঞানী গুণী বুদ্ধিজীবী সমাজের যারা মাথা তাদেরকে হত্যা করে নিশ্চিহ্ন করে এ সমাজটাকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল। আর ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলা আর মিথ্যা একটা ইতিহাস তৈরি করা, মানুষকে বিভ্রান্ত করাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য। কিন্তু সত্যকে কেউ কখনো একেবারে মুছে ফেলতে পারে না, আজকে সেটা প্রমাণ হয়েছে সারা বিশ্বে। আজকে প্রমাণ হয়েছে বাংলাদেশের জনগণের কাছে। আজকের প্রজন্ম সঠিক ইতিহাস জানার সুযোগ পেয়েছে।

বুদ্ধিজীবীদের নাম কেউ মুছে ফেলতে পারেনি, তেমনি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসও কেউ মুছে ফেলতে পারবে না। ভবিষ্যতে যেকোনো ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে নতুন প্রজন্মকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা আরো বলেন, আজ যেসব বুদ্ধিজীবী জীবন দিয়ে গিয়েছেন এদেশের জন্য, ‍যাদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে তাদের নামটাও মুছে ফেলা হয়েছে। যে স্বাধীন দেশ জাতির পিতা দিয়ে গিয়েছেন সেই স্বাধীনতাকে সমন্নত রেখে, বাংলাদেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে অর্থনৈতিকভাবে, রাজনৈতিকভাবে সেভাবেই এগিয়ে যাবে। বিশ্বে বাংলাদেশের সবাই যেন মর্যাদা নিয়ে চলতে পারে তাহলে লাখো শহীদের আত্মত্যাগ ও তাদের যে মহান অবদান সেটা শিরধার্য হয়ে থাকবে।

বাংলার মাটিতে বার বার মীর জাফরদের জন্ম হয়েছে এবং তারা দেশকে ধ্বংস করতে চেয়েছে কিন্তু পারেনি। এ দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব যারা বিশ্বাস করে, তারাই জয়ী হয়েছে বলে জানান আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, এ দেশে মোশতাক, জিয়ার মতো মীর জাফররা আর যেন কোনো দিন ক্ষমতায় না আসতে পারে এবং দেশের উন্নয়ন যেন বাধাগ্রস্ত না করতে পারে সেদিকে সবার দৃষ্টি দিতে হবে।

জিয়াউর রহমানের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, যারা এ দেশের স্বাধীনতা চায়নি, স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে, হত্যা, খুন, সন্ত্রাস আর লুটপাট করেছে তাদের রাজনীতি করার অধিকার দিয়েছেন জিয়া। বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিরা পালিয়েছিল তাদের ধরে এনে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়েছেন। বেগম খালেদা জিয়া আরও এক ধাপ এগিয়ে যুদ্ধাপরাধী ও বুদ্ধিজীবী হত্যাকারীদের মন্ত্রী বানিয়েছেন। তাদের গাড়িতে লাখো শহীদের রক্তে রঞ্জিত পতাকা লাগিয়ে দিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় জামায়াতসহ ধর্মান্ধ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। তারা আলবদর, আলশামস ও রাজাকার বাহিনী গঠন করে পাক বাহিনীকে সহায়তার পাশাপাশি হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুট করে।তিনি বলেন, বাঙালি জাতির বিজয়ের প্রাক্কালে তারা দেশের শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, আইনজীবী, শিল্পী, প্রকৌশলীসহ বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দেশের একজন মানুষও যেন খাদ্যে কষ্ট না পায় সে লক্ষে সরকার কাজ করছে।
ঢাকা,শনিবার,১৪ ডিসেম্বর,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

সর্বশেষ আপডেট



» খুলনা টাইগার্সকে ২১ রানে হারিয়ে বঙ্গবন্ধু বিপিএলের শিরোপা জিতল রাজশাহী রয়্যালস

» চলন্ত বাস থেকে একজন যাত্রীকে ফেলে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে বাসের হেলপারের বিরুদ্ধে

» রাজধানীর বাড্ডার আফতাবনগর থেকে এক নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার

» ময়মনসিংহের গৌরীপুরে মালবাহী একটি ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত

» নির্বাচন পেছানোর দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঢাবি ভিসির একাত্মতা প্রকাশ

» রাজধানীর উত্তরায় বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত

» টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বিল থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার

» একই দিনে নির্বাচন এবং সরস্বতী পূজার বিষয়টি সিদ্ধান্ত নেবেন নির্বাচন কমিশন-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

» শুক্রবার সকাল থেকেই নির্বাচনের গণসংযোগ শুরু করেন বিভিন্ন দলের মেয়র প্রার্থীরা

» নির্বাচন আগানো বা পেছানো নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার-ওবায়দুল কাদের

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

 

 

সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ শনিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২০ খ্রিষ্টাব্দ, ৫ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বুদ্ধিজীবীদের নাম কেউ মুছে ফেলতে পারেনি, তেমনি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসও কেউ মুছে ফেলতে পারবে না

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:
Spread the love

বুদ্ধিজীবীদের নাম কেউ মুছে ফেলতে পারেনি, তেমনি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসও কেউ মুছে ফেলতে পারবে না। ভবিষ্যতে যেকোনো ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে নতুন প্রজন্মকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।তিনি বলেন, বাংলাদেশকে পাকিস্তানের একটা প্রদেশ হিসেবে গড়ে তোলাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য। আর যে কারণে আমাদের যারা জ্ঞানী গুণী বুদ্ধিজীবী সমাজের যারা মাথা তাদেরকে হত্যা করে নিশ্চিহ্ন করে এ সমাজটাকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল। আর ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলা আর মিথ্যা একটা ইতিহাস তৈরি করা, মানুষকে বিভ্রান্ত করাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য। কিন্তু সত্যকে কেউ কখনো একেবারে মুছে ফেলতে পারে না, আজকে সেটা প্রমাণ হয়েছে সারা বিশ্বে। আজকে প্রমাণ হয়েছে বাংলাদেশের জনগণের কাছে। আজকের প্রজন্ম সঠিক ইতিহাস জানার সুযোগ পেয়েছে।

বুদ্ধিজীবীদের নাম কেউ মুছে ফেলতে পারেনি, তেমনি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসও কেউ মুছে ফেলতে পারবে না। ভবিষ্যতে যেকোনো ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে নতুন প্রজন্মকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা আরো বলেন, আজ যেসব বুদ্ধিজীবী জীবন দিয়ে গিয়েছেন এদেশের জন্য, ‍যাদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে তাদের নামটাও মুছে ফেলা হয়েছে। যে স্বাধীন দেশ জাতির পিতা দিয়ে গিয়েছেন সেই স্বাধীনতাকে সমন্নত রেখে, বাংলাদেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে অর্থনৈতিকভাবে, রাজনৈতিকভাবে সেভাবেই এগিয়ে যাবে। বিশ্বে বাংলাদেশের সবাই যেন মর্যাদা নিয়ে চলতে পারে তাহলে লাখো শহীদের আত্মত্যাগ ও তাদের যে মহান অবদান সেটা শিরধার্য হয়ে থাকবে।

বাংলার মাটিতে বার বার মীর জাফরদের জন্ম হয়েছে এবং তারা দেশকে ধ্বংস করতে চেয়েছে কিন্তু পারেনি। এ দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব যারা বিশ্বাস করে, তারাই জয়ী হয়েছে বলে জানান আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, এ দেশে মোশতাক, জিয়ার মতো মীর জাফররা আর যেন কোনো দিন ক্ষমতায় না আসতে পারে এবং দেশের উন্নয়ন যেন বাধাগ্রস্ত না করতে পারে সেদিকে সবার দৃষ্টি দিতে হবে।

জিয়াউর রহমানের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, যারা এ দেশের স্বাধীনতা চায়নি, স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে, হত্যা, খুন, সন্ত্রাস আর লুটপাট করেছে তাদের রাজনীতি করার অধিকার দিয়েছেন জিয়া। বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিরা পালিয়েছিল তাদের ধরে এনে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়েছেন। বেগম খালেদা জিয়া আরও এক ধাপ এগিয়ে যুদ্ধাপরাধী ও বুদ্ধিজীবী হত্যাকারীদের মন্ত্রী বানিয়েছেন। তাদের গাড়িতে লাখো শহীদের রক্তে রঞ্জিত পতাকা লাগিয়ে দিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় জামায়াতসহ ধর্মান্ধ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। তারা আলবদর, আলশামস ও রাজাকার বাহিনী গঠন করে পাক বাহিনীকে সহায়তার পাশাপাশি হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুট করে।তিনি বলেন, বাঙালি জাতির বিজয়ের প্রাক্কালে তারা দেশের শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, আইনজীবী, শিল্পী, প্রকৌশলীসহ বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দেশের একজন মানুষও যেন খাদ্যে কষ্ট না পায় সে লক্ষে সরকার কাজ করছে।
ঢাকা,শনিবার,১৪ ডিসেম্বর,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

© Copyright BY HBnews24.Com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com