রাজধানীর অনেক অভিজাত ক্লাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে মদ আনা হচ্ছে-শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক

সিনিয়ার নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: আমাদের কাছে তথ্য আছে শুধুমাত্র উত্তরা ক্লাব নয়, রাজধানীর অনেক অভিজাত ক্লাবে অবৈধভাবে ও শুল্ক ফাঁকি দিয়ে মদ আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) ড. মো. সহিদুল ইসলাম।
আজ মঙ্গলবার (১০ জুলাই ২০১৮ ) দুপুর পৌনে ১২টায় রাজধানীর কাকরাইলস্থ আইডিইবি ভবনে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে উত্তরা ক্লাবে অভিযান ও সাম্প্রতিক সময়ে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের চলমান কার্যক্রম জানাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের
মহাপরিচালক একথা বলেন। চোরাই বা শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা মদ রাজধানীর অনেক অভিজাত ক্লাবে আছে বলে জানিয়ে শুল্ক গোয়েন্দার
ডিজি বলেন, রাজধানীর অনেক অভিজাত ক্লাবের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে মাদক আমদানি,শুল্ক ফাঁকি ও চোরাচালানের মাধ্যমে মাদক এনে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।আমরা তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করছি। সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেলে ঐসব ক্লাবেও অভিযান চলবে। শুল্ক ফাঁকি দিয়ে কেনা গাড়ি জব্দের অভিযান সম্পর্কে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক বলেন, রাস্তায় একটি গাড়িতে আঁচড় লাগলে মালিক ক্ষেপে যায়, অথচ আমাদের সাম্প্রতিক অভিযানে দেখছি
মানুষ রাস্তায় গাড়ি ফেলে যাচ্ছে। যারা এখনও শুল্কমুক্ত সুবিধায়, শুল্ক ফাঁকি কিংবা কম শুল্ক পরিশোধ করে গাড়ি কিনছেন। এমন বেশ কয়েকটি গাড়ি আটকের কাছাকাছি চলে এসেছি আমরা। এর সঙ্গে জড়িত সবাইকেই আইনের আওতায় আনা হবে। সংবাদ সম্মেলনে শুল্ক ফাঁকি বা চোরাইভাাবে আনা বিলাসবহুল গাড়ি সম্পর্কে শুল্ক গোয়েন্দার ডিজি বলেন, যারা এসব অসৎ উপায় ব্যবহার করে বিলাসবহুল গাড়ি নিয়ে আসছেন তাদের বিরুদ্ধে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ
করছি। ইতিমধ্যে অপনারা দেখেছেন বেশ কয়েকটি অভিযানে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা গাড়ি আটক করেছি।
অনেকে আবার ভয়ে গাড়ি রাস্তায় ফেলে রেখে চলে গেছে। সংবাদ সম্মেলনে উত্তরা ক্লাবের আটককৃত ৫ কোটি টাকার মদের অভিযানের বিষয়ে ডিজি বলেন, ক্লাবটি শুল্ক ফাঁকি দিয়ে মদ এনে ব্যবসায় করতো বলে আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য ছিল। আমরা আগেই ক্লাবটি রেকি করি।
অভিযান চালাতে গেলে প্রথমে তাদের সহযোগিতা পাইনি। পরে অভিযানে হুইস্কি, ওয়াইন, ভোদকাসহ বিভিন্ন ব্রান্ডের ৩০৪৫ বোতল মদ ও ২৫০০ ক্যান বিয়া জব্দ করা হয়। আটককৃত মদের বিপরীতে কোনো ধরণের কাগজ দেখাতে পারেনি উত্তরা ক্লাব। তাদের এখানে বারের লাইসেন্স থাকলেও অনেক দিন ধরে মদ আমদানি করে না। আর এখন পর্যন্ত এগুলো আমদানির স্বপক্ষে উত্তরা ক্লাব কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি।
সংবাদ সম্মেলনে ড. সহিদুল ইসলাম বলেন,আমাদের কাছে অনেক ক্লাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসে। কিন্তু আমরা চাইলেই সব ক্লাবে অভিযান পরিচালনা করতে পারি না। আমাদের গোয়েন্দারা সেসব অভিযুক্ত ক্লাবের বিরুদ্ধে তথ্য সংগ্রহে কাজ করছেন। সেসব তথ্য হাতে পেয়ে নিশ্চিত হয়ে অভিযান পরিচালনা করা হবে। তবে এখনি সেসব ক্লাবের নাম প্রকাশ করে কার্যক্রমের ব্যাঘাত ঘটাতে চাই না।
বড় বড় ক্লাবগুলোর ওপর নজরদারি করা হচ্ছে কিনা- জানতে চাইলে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক বলেন, ক্লাবগুলোতে এসব বিক্রির নিয়মিত নজরদারির জন্য আলাদা অধিদফতর (মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর) রয়েছে। আমাদের কাছে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে মাদক আনা ও বিক্রির অভিযোগ আসলেই কেবল তদন্ত করি।
উত্তরা ক্লাবে এতো মদের বোতল আসল কিভাবে? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক বলেন,হতে পারে তারা ডিপ্লোম্যাটিক বন্ডেড সুবিধার মাধ্যমে এগুলো এনেছে অথবা চোরাচালানের মাধ্যমে। কিন্তু যেভাবেই এনে থাকুক না কেন দীর্ঘক্ষণ সময় দেয়ার পরও তারা এগুলোর স্বপক্ষে কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। এছাড়া আমরা তদন্ত করে দেখলাম দীর্ঘদিন ধরে তারা কোনো মদই আমদানি করেনি। এগুলো কীভাবে এল তা আমরা তদন্ত করে বলতে পারবো। সংবাদ সম্মেলনে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের ডিজি আরও বলেন, ক্লাবটিতে মোট ১৩৫০ জন
সদস্য। সবাই এর সঙ্গে যুক্ত না। আমরা তদন্ত করছি। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও শুল্ক আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ড. মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় দেশ থেকে বিদেশে অর্থপাচার বেড়ে গেছে ।তবে এ বিষয়ে আমরা নিয়মিত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। ইতিমধ্যেই মানিলন্ডারিং এর সঙ্গে জড়িত কিছু প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করেছি। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় সংবাদ সম্মেলনে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মোঃ মাসুদ হাসান মোল্লা রিদম,
ঢাকা, মঙ্গলবার,১০ জুলাই,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

সর্বশেষ আপডেট



» জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামালের গাড়িতে হামলার ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থা-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

» মঙ্গলবার সকালে হোটেল সোনারগাঁওয়ে আওয়ামী লীগের ইশতেহার ঘোষণা করবেন দলটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

» জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট যুদ্ধাপরাধী, জঙ্গিগোষ্ঠী, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও দুর্বৃত্তায়নকে পুনর্বাসিত করছে

» শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মাহিন্দা রাজাপক্ষে

» ড. কামাল যে দম্ভোক্তি করেছেন তাতেই প্রমাণ করছেন তিনি বাংলাদেশের নষ্ট রাজনীতির প্রবক্তা

» সরকার আবারো একতরফা নির্বাচন করতে চায়-মির্জা ফখরুল

» শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন বিতর্কিত নেতা মাহিন্দা রাজাপক্ষে

» শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে সৃষ্ট ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন ড. কামাল হোসেন

» সাংবাদিকদের উদ্দেশে ‘বিরূপ’ মন্তব্য করায় ড. কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

» ২৪শে ডিসেম্বর থেকে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত ১০ দিন স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

 

 

সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
,

রাজধানীর অনেক অভিজাত ক্লাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে মদ আনা হচ্ছে-শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক

সিনিয়ার নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: আমাদের কাছে তথ্য আছে শুধুমাত্র উত্তরা ক্লাব নয়, রাজধানীর অনেক অভিজাত ক্লাবে অবৈধভাবে ও শুল্ক ফাঁকি দিয়ে মদ আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) ড. মো. সহিদুল ইসলাম।
আজ মঙ্গলবার (১০ জুলাই ২০১৮ ) দুপুর পৌনে ১২টায় রাজধানীর কাকরাইলস্থ আইডিইবি ভবনে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে উত্তরা ক্লাবে অভিযান ও সাম্প্রতিক সময়ে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের চলমান কার্যক্রম জানাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের
মহাপরিচালক একথা বলেন। চোরাই বা শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা মদ রাজধানীর অনেক অভিজাত ক্লাবে আছে বলে জানিয়ে শুল্ক গোয়েন্দার
ডিজি বলেন, রাজধানীর অনেক অভিজাত ক্লাবের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে মাদক আমদানি,শুল্ক ফাঁকি ও চোরাচালানের মাধ্যমে মাদক এনে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।আমরা তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করছি। সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেলে ঐসব ক্লাবেও অভিযান চলবে। শুল্ক ফাঁকি দিয়ে কেনা গাড়ি জব্দের অভিযান সম্পর্কে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক বলেন, রাস্তায় একটি গাড়িতে আঁচড় লাগলে মালিক ক্ষেপে যায়, অথচ আমাদের সাম্প্রতিক অভিযানে দেখছি
মানুষ রাস্তায় গাড়ি ফেলে যাচ্ছে। যারা এখনও শুল্কমুক্ত সুবিধায়, শুল্ক ফাঁকি কিংবা কম শুল্ক পরিশোধ করে গাড়ি কিনছেন। এমন বেশ কয়েকটি গাড়ি আটকের কাছাকাছি চলে এসেছি আমরা। এর সঙ্গে জড়িত সবাইকেই আইনের আওতায় আনা হবে। সংবাদ সম্মেলনে শুল্ক ফাঁকি বা চোরাইভাাবে আনা বিলাসবহুল গাড়ি সম্পর্কে শুল্ক গোয়েন্দার ডিজি বলেন, যারা এসব অসৎ উপায় ব্যবহার করে বিলাসবহুল গাড়ি নিয়ে আসছেন তাদের বিরুদ্ধে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ
করছি। ইতিমধ্যে অপনারা দেখেছেন বেশ কয়েকটি অভিযানে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা গাড়ি আটক করেছি।
অনেকে আবার ভয়ে গাড়ি রাস্তায় ফেলে রেখে চলে গেছে। সংবাদ সম্মেলনে উত্তরা ক্লাবের আটককৃত ৫ কোটি টাকার মদের অভিযানের বিষয়ে ডিজি বলেন, ক্লাবটি শুল্ক ফাঁকি দিয়ে মদ এনে ব্যবসায় করতো বলে আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য ছিল। আমরা আগেই ক্লাবটি রেকি করি।
অভিযান চালাতে গেলে প্রথমে তাদের সহযোগিতা পাইনি। পরে অভিযানে হুইস্কি, ওয়াইন, ভোদকাসহ বিভিন্ন ব্রান্ডের ৩০৪৫ বোতল মদ ও ২৫০০ ক্যান বিয়া জব্দ করা হয়। আটককৃত মদের বিপরীতে কোনো ধরণের কাগজ দেখাতে পারেনি উত্তরা ক্লাব। তাদের এখানে বারের লাইসেন্স থাকলেও অনেক দিন ধরে মদ আমদানি করে না। আর এখন পর্যন্ত এগুলো আমদানির স্বপক্ষে উত্তরা ক্লাব কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি।
সংবাদ সম্মেলনে ড. সহিদুল ইসলাম বলেন,আমাদের কাছে অনেক ক্লাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসে। কিন্তু আমরা চাইলেই সব ক্লাবে অভিযান পরিচালনা করতে পারি না। আমাদের গোয়েন্দারা সেসব অভিযুক্ত ক্লাবের বিরুদ্ধে তথ্য সংগ্রহে কাজ করছেন। সেসব তথ্য হাতে পেয়ে নিশ্চিত হয়ে অভিযান পরিচালনা করা হবে। তবে এখনি সেসব ক্লাবের নাম প্রকাশ করে কার্যক্রমের ব্যাঘাত ঘটাতে চাই না।
বড় বড় ক্লাবগুলোর ওপর নজরদারি করা হচ্ছে কিনা- জানতে চাইলে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক বলেন, ক্লাবগুলোতে এসব বিক্রির নিয়মিত নজরদারির জন্য আলাদা অধিদফতর (মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর) রয়েছে। আমাদের কাছে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে মাদক আনা ও বিক্রির অভিযোগ আসলেই কেবল তদন্ত করি।
উত্তরা ক্লাবে এতো মদের বোতল আসল কিভাবে? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক বলেন,হতে পারে তারা ডিপ্লোম্যাটিক বন্ডেড সুবিধার মাধ্যমে এগুলো এনেছে অথবা চোরাচালানের মাধ্যমে। কিন্তু যেভাবেই এনে থাকুক না কেন দীর্ঘক্ষণ সময় দেয়ার পরও তারা এগুলোর স্বপক্ষে কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। এছাড়া আমরা তদন্ত করে দেখলাম দীর্ঘদিন ধরে তারা কোনো মদই আমদানি করেনি। এগুলো কীভাবে এল তা আমরা তদন্ত করে বলতে পারবো। সংবাদ সম্মেলনে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের ডিজি আরও বলেন, ক্লাবটিতে মোট ১৩৫০ জন
সদস্য। সবাই এর সঙ্গে যুক্ত না। আমরা তদন্ত করছি। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও শুল্ক আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ড. মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় দেশ থেকে বিদেশে অর্থপাচার বেড়ে গেছে ।তবে এ বিষয়ে আমরা নিয়মিত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। ইতিমধ্যেই মানিলন্ডারিং এর সঙ্গে জড়িত কিছু প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করেছি। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় সংবাদ সম্মেলনে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মোঃ মাসুদ হাসান মোল্লা রিদম,
ঢাকা, মঙ্গলবার,১০ জুলাই,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

© Copyright BY HBnews24.Com

Design & Developed BY PopularITLimited