করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলাদেশে

নতুন আক্রান্ত মোট আক্রান্ত সুস্থ মৃত্যু
১৮৬২ ১৫,৩৮,২০৩ ১৪,৯৪,০৯০ ২৭,১০৯

উপকূল থেকে বিলুপ্তির পথে জাতীয় পাখি দোয়েল

কলাপাড়া(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি,২৮ সেপ্টেম্বর।।জাতীয় পাখি দোয়েল। বেশির ভাগই একাকী এর বিচরণ। এটি অত্যন্ত অস্থির পাখি। কোথাও একদন্ড বসে থাকার সময় নেই, সারাদিন ওড়াউড়ি। এক সময় সমুদ্র উপকূলবর্তী পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার গ্রামগঞ্জের বন-জঙ্গলে গাছের ডালে ডালে অবাধ বিচরন ছিল। চিরচেনা এ পাখি এখন আর দেখা যায়না। কানে বাজে না এর সু-মিষ্টি সুর। ক্রমশ পরিবেশ দূষণ, নির্বিচারে বন থেকে গাছ কাটা, জমিতে অধিক পরিমানে কিটনাশক ব্যবহার, পাখির
বিচরণ ক্ষেত্র আর খাদ্য সংকট সহ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দোয়ল পাখি
আজ প্রায় বিলুপ্তির পথে যেতে বসেছে। জানা গেছে, বাংলাদেশের পাখির তালিকায় মোট ৭৪৪ টি পাখি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ সমস্ত পাখির মধ্যে গত দুই শতকে বাংলাদেশে ছিল (কিন্তু এখন নেই) এবং বর্তমানে আছে এমন পাখির সংখ্যা মোট ৬৫০টি। এর মধ্যে ৩০টি বর্তমানে বিলুপ্ত। অবশিষ্ট ৬২০টি প্রজাতির পাখি
সাম্প্রতিককালে এদেশে দেখা গেছে বলে অনলাইন উইকিপিডিয়াতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে পাখি গবেষকরা। পরিবেশবীদরা জানান, পাখি কমে যাওয়ার কারন শুধুই প্রাকৃতিক বিপর্যয় নয়, এখানে মানব সৃষ্ট অনেক কারন রয়েছে। এর মধ্যে ফলজ গাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে, তাই সমস্যায় পড়েছে পাখিরা। পাখির বাচ্চারা বিভিন্ন ধরনের
ছোট ছোট পোকামাকড় খায়। পোকামাকড়ের সংখ্যা কমে যাওয়ায় তাদের
জীবনধারণও সঙ্কটে পরে আনেক পাখি অন্যত্র চলে গেছে।
জীববিজ্ঞানবীদ শিক্ষক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, গত এক দশক আগেও এ অঞ্চলে দোয়েল পাখি বুক ফুলিয়ে মিষ্টি সুরে ডেকে বেড়াতো।
আর সব সময় মানুষের সান্নিধ্যে থাকতে দেখা যেত এ পাখি। আবার মাটিতে লাফিয়ে লাফিয়ে খাদ্য সংগ্রহ করতো। কিন্তু আজ কালের পরিক্রমায় প্রায় বিলুপ্তির পথে। যেন চোখের আড়াল হয়ে গেছে। জাতীয় পুরুস্কার প্রাপ্ত পাখী প্রেমী মো.হান্নান খান বলেন, দোয়েল আমদের জাতীয় পাখি। এখন নাই বললেই চলে। এর কারন হিসাবে তিনি আরো বলেন, শিল্পায়ন, নগরায়ন ও যানবাহনের শব্দদূষনে প্রতিনিয়ত পাখিরা অন্যত্র চলে যাচ্ছে। এছাড়া নির্বিচারে বৃক্ষনিধনের মাধ্যমে পাখিদের আবাসস্থল ধ্বংস হচ্ছে। কৃষকরা অধিক ফসল পাওয়ার আসায় ক্ষেতে ক্ষতিকারণ কীটনাশক প্রয়োগে খাদ্য সংকটও দেখা দিয়েছে। আবার পাখি শিকারীরা বেশ পাখি মেরে ফেলেছে। এর ফলে দিন দিন এ অঞ্চল থেকে চিরচেনা অনেক প্রজাতির পাখিই প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
উত্তম কুমার হাওলাদার, (কলাপাড়া)প্রতিনিধি
পটুয়াখালী,শুক্রবার,২৮ সেপ্টম্বর,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

সর্বশেষ আপডেট



» নতুন করে আরও ১৩৮৩ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত,মৃত্যু ৪৩ জন

» ফোনে আড়িপাতা বন্ধে করা রিটের আদেশ ২৯শে সেপ্টেম্বর

» সাবেক ডিআইজি প্রিজন্স পার্থগোপাল বণিকেকে আত্মসমর্পণের পর কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত

» ইভ্যালির রাসেল দম্পতির বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় আরেক মামলা

» সাংবাদিকদের ব্যাংক হিসাব তলবের প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাবে সমাবেশ

» বিএনপির ৩৯ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ২১শে নভেম্বর

» খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে

» বান্দরবানে দর্শনার্থীদের জিপকে লক্ষ্য করে গুলি সন্ত্রাসীদের গুলি, আহত ২

» নতুন করে আরও ১১৯০ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত,মৃত্যু ৩৫ জন

» ১২ থেকে ১৭ বছরের শিক্ষার্থীদের খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে ফাইজারের টিকা দেওয়া হবে

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

 

 

সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রিষ্টাব্দ, ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

উপকূল থেকে বিলুপ্তির পথে জাতীয় পাখি দোয়েল




কলাপাড়া(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি,২৮ সেপ্টেম্বর।।জাতীয় পাখি দোয়েল। বেশির ভাগই একাকী এর বিচরণ। এটি অত্যন্ত অস্থির পাখি। কোথাও একদন্ড বসে থাকার সময় নেই, সারাদিন ওড়াউড়ি। এক সময় সমুদ্র উপকূলবর্তী পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার গ্রামগঞ্জের বন-জঙ্গলে গাছের ডালে ডালে অবাধ বিচরন ছিল। চিরচেনা এ পাখি এখন আর দেখা যায়না। কানে বাজে না এর সু-মিষ্টি সুর। ক্রমশ পরিবেশ দূষণ, নির্বিচারে বন থেকে গাছ কাটা, জমিতে অধিক পরিমানে কিটনাশক ব্যবহার, পাখির
বিচরণ ক্ষেত্র আর খাদ্য সংকট সহ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দোয়ল পাখি
আজ প্রায় বিলুপ্তির পথে যেতে বসেছে। জানা গেছে, বাংলাদেশের পাখির তালিকায় মোট ৭৪৪ টি পাখি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ সমস্ত পাখির মধ্যে গত দুই শতকে বাংলাদেশে ছিল (কিন্তু এখন নেই) এবং বর্তমানে আছে এমন পাখির সংখ্যা মোট ৬৫০টি। এর মধ্যে ৩০টি বর্তমানে বিলুপ্ত। অবশিষ্ট ৬২০টি প্রজাতির পাখি
সাম্প্রতিককালে এদেশে দেখা গেছে বলে অনলাইন উইকিপিডিয়াতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে পাখি গবেষকরা। পরিবেশবীদরা জানান, পাখি কমে যাওয়ার কারন শুধুই প্রাকৃতিক বিপর্যয় নয়, এখানে মানব সৃষ্ট অনেক কারন রয়েছে। এর মধ্যে ফলজ গাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে, তাই সমস্যায় পড়েছে পাখিরা। পাখির বাচ্চারা বিভিন্ন ধরনের
ছোট ছোট পোকামাকড় খায়। পোকামাকড়ের সংখ্যা কমে যাওয়ায় তাদের
জীবনধারণও সঙ্কটে পরে আনেক পাখি অন্যত্র চলে গেছে।
জীববিজ্ঞানবীদ শিক্ষক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, গত এক দশক আগেও এ অঞ্চলে দোয়েল পাখি বুক ফুলিয়ে মিষ্টি সুরে ডেকে বেড়াতো।
আর সব সময় মানুষের সান্নিধ্যে থাকতে দেখা যেত এ পাখি। আবার মাটিতে লাফিয়ে লাফিয়ে খাদ্য সংগ্রহ করতো। কিন্তু আজ কালের পরিক্রমায় প্রায় বিলুপ্তির পথে। যেন চোখের আড়াল হয়ে গেছে। জাতীয় পুরুস্কার প্রাপ্ত পাখী প্রেমী মো.হান্নান খান বলেন, দোয়েল আমদের জাতীয় পাখি। এখন নাই বললেই চলে। এর কারন হিসাবে তিনি আরো বলেন, শিল্পায়ন, নগরায়ন ও যানবাহনের শব্দদূষনে প্রতিনিয়ত পাখিরা অন্যত্র চলে যাচ্ছে। এছাড়া নির্বিচারে বৃক্ষনিধনের মাধ্যমে পাখিদের আবাসস্থল ধ্বংস হচ্ছে। কৃষকরা অধিক ফসল পাওয়ার আসায় ক্ষেতে ক্ষতিকারণ কীটনাশক প্রয়োগে খাদ্য সংকটও দেখা দিয়েছে। আবার পাখি শিকারীরা বেশ পাখি মেরে ফেলেছে। এর ফলে দিন দিন এ অঞ্চল থেকে চিরচেনা অনেক প্রজাতির পাখিই প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
উত্তম কুমার হাওলাদার, (কলাপাড়া)প্রতিনিধি
পটুয়াখালী,শুক্রবার,২৮ সেপ্টম্বর,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

© Hbnews24 || Phone: +8801714043198, email: hbnews24@gmail.com