করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলাদেশে

নতুন আক্রান্ত মোট আক্রান্ত সুস্থ মৃত্যু
১৪৪ ২০,০৮,৬৪৪ ১৯,৫০,৮৪৩ ২৯,৩১২

ক্ষমতা বা ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়া নয়, এই বিজয় দেশের জন্য কাজ করার দায়বদ্ধতা

ক্ষমতা বা ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়া নয়, এই বিজয় দেশের জন্য কাজ করার দায়বদ্ধতা।সরকারের ধারাবাহিতকায় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আরো বাড়বে বলেও প্রত্যাশা করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।আজ সোমবার বিকেলে গণভবনে নির্বাচন দেখতে আসা দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক এবং বিদেশি গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়ে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচনে ধানের শীষের তেমন কোনো প্রচার-প্রচারণাই ছিল না, সাতটি আসন পেয়েছে ঐক্যফ্রন্টের নিজেদের দোষে। তিনি বলেন, এটি নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠা উচিত নয়।নির্বাচন উপলক্ষে আসা বিদেশি পর্যবেক্ষক আর গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে শেখ হাসিনা তাদের বাংলাদেশ সফরের অভিজ্ঞতা এবং একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে জানতে চান। সভায় বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকরা নির্বাচনে বিএনপির সাতটি আসন পাওয়া নিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতিকে প্রশ্ন করেন। এসব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ জয় ও বিএনপি-জামায়াত জোটের শোচনীয় পরাজয়ের কারণগুলোও তুলে ধরেন তিনি।
এ বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচনে বিএনপি সাতটি আসন পেয়েছে তাদের নিজেদের কারণে। নির্বাচনে অংশ নিলেও তাদের প্রধান কে হবে তা তারা দেখাতে পারেনি। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের দিকে তাকালে আপনারা দেখবেন-কংগ্রেসও গত নির্বাচনের আগে দেখাতে পারেনি তাদের প্রধান কে হবেন? তারা মানুষকে ওইভাবে আকৃষ্ট করতে পারেনি। ঐক্যফ্রন্টের ক্ষেত্রেও তাই-ই হযেছে।
ভোটে পরাজয়ের কারণগুলো তুলে ধরে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বিএনপি তাদের জোটে মানবতাবিরোধীদের নমিনেশন দিয়েছে। একাত্তরে মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য জামায়াত ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সেই দলের ২৫ জনকে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট মনোনয়ন দিয়েছে, এজন্য তাদের মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে।
‘আর বিএনপির মূল লিডাররা দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের দায়ে অভিযুক্ত এবং আদালতের রায়ে অভিযুক্ত। তাদের একজন কারাগারে ও অন্যজন পলাতক। সুতরাং তাদের মূল নেতৃত্বের অভাব ছিলো। পরাজয়ের এটিও একটি কারণ।’সভায় নির্বাচন ও জয় পাওয়ার বিভিন্ন দিকও তুলে ধরেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। শেখ হাসিনা বলেন, এই নির্বাচনটা খুবই শান্তিপুর্ণ হয়েছে। এর আগে কখনও এতটা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়নি। আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা খুবই খারাপ।
‘এই নির্বাচনে আমাদের জনগণ অবাধে ও ভীতিহীনভাবে ভোট দিতে পেরেছে। কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা হয়েছে নির্বাচনে। এতে আমাদের দলের কিছু কর্মীও মারা গেছে। এজন্য আমরা দুঃখ ও সমবেদনা প্রকাশ করছি।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের পর সব দলেরই তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম চালানোর অধিকার রয়েছে। তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনে কেউ তাদের বাধা দিতে যাবে না। ওসব আমাদের লক্ষ্য নয়, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের উন্নয়ন করা। তবে আমাদের খুব বাজে অতীত অভিজ্ঞতা রয়েছে।
ঢাকা,সোমবার,৩১ ডিসেম্বর,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

সর্বশেষ আপডেট



» জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ফুলবাড়ীতে রচনা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা।

» ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নে মৎস বিল সমন্বিত কৃষি প্রশিক্ষন কেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন॥

» টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সাকিবের নেতৃত্বে খেলবে বাংলাদেশ

» নতুন করে আরও ১৪৪ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত, দেশে কারো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

» ডিপ্লোমা কোর্স তিন বছরে শেষ করা সম্ভব তাকে চার বছরে টেনে নিয়ে যাওয়ার কোনো মানে হয় না

» নওগাঁর মহাদেবপুর প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে স্বামী-স্ত্রী নিহত

» সঙ্কট উত্তরণে ‌আপ্রাণ চেষ্টা করছেন প্রধানমন্ত্রী: কাদের

» দেশের মানুষ বেহেশতে আছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্য তামাশার সামিল

» তুরাগের কামারপাড়ায় রিকশার গ্যারেজ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একে একে ৮ জনের মৃত্যু

» ডোনাল্ড ট্রাম্পের বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে অতি গোপনীয় নথি জব্দ

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

 

 

 

প্রকাশক ও সম্পাদক: কাজী আবু তাহের মো. নাছির।

 

প্রধান নির্বাহী সম্পাদক: আফতাব খন্দকার (রনি)

 

বার্তা সম্পাদক: কামাল হোসেন খান

 

সহ বার্তা সম্পাদক: কাজী আতিকুর রহমান আতিক (আবির)

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ শনিবার, ১৩ আগস্ট ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ, ২৯শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ক্ষমতা বা ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়া নয়, এই বিজয় দেশের জন্য কাজ করার দায়বদ্ধতা




ক্ষমতা বা ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়া নয়, এই বিজয় দেশের জন্য কাজ করার দায়বদ্ধতা।সরকারের ধারাবাহিতকায় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আরো বাড়বে বলেও প্রত্যাশা করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।আজ সোমবার বিকেলে গণভবনে নির্বাচন দেখতে আসা দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক এবং বিদেশি গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়ে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচনে ধানের শীষের তেমন কোনো প্রচার-প্রচারণাই ছিল না, সাতটি আসন পেয়েছে ঐক্যফ্রন্টের নিজেদের দোষে। তিনি বলেন, এটি নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠা উচিত নয়।নির্বাচন উপলক্ষে আসা বিদেশি পর্যবেক্ষক আর গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে শেখ হাসিনা তাদের বাংলাদেশ সফরের অভিজ্ঞতা এবং একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে জানতে চান। সভায় বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকরা নির্বাচনে বিএনপির সাতটি আসন পাওয়া নিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতিকে প্রশ্ন করেন। এসব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ জয় ও বিএনপি-জামায়াত জোটের শোচনীয় পরাজয়ের কারণগুলোও তুলে ধরেন তিনি।
এ বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচনে বিএনপি সাতটি আসন পেয়েছে তাদের নিজেদের কারণে। নির্বাচনে অংশ নিলেও তাদের প্রধান কে হবে তা তারা দেখাতে পারেনি। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের দিকে তাকালে আপনারা দেখবেন-কংগ্রেসও গত নির্বাচনের আগে দেখাতে পারেনি তাদের প্রধান কে হবেন? তারা মানুষকে ওইভাবে আকৃষ্ট করতে পারেনি। ঐক্যফ্রন্টের ক্ষেত্রেও তাই-ই হযেছে।
ভোটে পরাজয়ের কারণগুলো তুলে ধরে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বিএনপি তাদের জোটে মানবতাবিরোধীদের নমিনেশন দিয়েছে। একাত্তরে মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য জামায়াত ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সেই দলের ২৫ জনকে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট মনোনয়ন দিয়েছে, এজন্য তাদের মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে।
‘আর বিএনপির মূল লিডাররা দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের দায়ে অভিযুক্ত এবং আদালতের রায়ে অভিযুক্ত। তাদের একজন কারাগারে ও অন্যজন পলাতক। সুতরাং তাদের মূল নেতৃত্বের অভাব ছিলো। পরাজয়ের এটিও একটি কারণ।’সভায় নির্বাচন ও জয় পাওয়ার বিভিন্ন দিকও তুলে ধরেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। শেখ হাসিনা বলেন, এই নির্বাচনটা খুবই শান্তিপুর্ণ হয়েছে। এর আগে কখনও এতটা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়নি। আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা খুবই খারাপ।
‘এই নির্বাচনে আমাদের জনগণ অবাধে ও ভীতিহীনভাবে ভোট দিতে পেরেছে। কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা হয়েছে নির্বাচনে। এতে আমাদের দলের কিছু কর্মীও মারা গেছে। এজন্য আমরা দুঃখ ও সমবেদনা প্রকাশ করছি।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের পর সব দলেরই তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম চালানোর অধিকার রয়েছে। তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনে কেউ তাদের বাধা দিতে যাবে না। ওসব আমাদের লক্ষ্য নয়, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের উন্নয়ন করা। তবে আমাদের খুব বাজে অতীত অভিজ্ঞতা রয়েছে।
ঢাকা,সোমবার,৩১ ডিসেম্বর,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

প্রকাশক ও সম্পাদক: কাজী আবু তাহের মো. নাছির।

 

প্রধান নির্বাহী সম্পাদক: আফতাব খন্দকার (রনি)

 

বার্তা সম্পাদক: কামাল হোসেন খান

 

সহ বার্তা সম্পাদক: কাজী আতিকুর রহমান আতিক (আবির)

প্রধান কার্যালয়: গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২ | ব্রাঞ্চ অফিস: ২৪৭ পশ্চিম মনিপুর, ২য় তলা, মিরপুর-২, ঢাকা -১২১৬।

Phone: +8801714043198, Email: hbnews24@gmail.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © HBnews24.com