করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলাদেশে

নতুন আক্রান্ত মোট আক্রান্ত সুস্থ মৃত্যু
৫৬৯ ৫,২৭,৬৩২ ৪,৭২,৪৩৭ ৭৯০৬

যাবজ্জীবন মানে ৩০ বছর কারাদণ্ড,তবে আদালত চাইলে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিতে পারবেন

যাবজ্জীবন মানে ৩০ বছর কারাদণ্ড। তবে আদালত, ট্রাইব্যুনাল চাইলে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে ৩০ বছরের বিধান প্রযোজ্য হবে না।‘যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মানে আমৃত্যু কারাবাস’ বলে আপিল বিভাগের মতামতের রায়টির পুনর্বিবেচনার আবেদন সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।আসামিপক্ষের পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদনের বিপরীতে রায় ঘোষণায় আপিল বিভাগের রায়টি বহাল রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ ভার্চ্যুয়াল আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।ভার্চুয়াল আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেনন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ। আর আসামি পক্ষে ছিলেন খন্দকার মাহবুব হোসেন ও আইনজীবী শিশির মনির।

এর আগে গত ২৪ নভেম্বর প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির ভার্চুয়াল আপিল বেঞ্চ ১ ডিসেম্বর রায়ের দিন ধার্য করেছিলেন।অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, সুপ্রিম কোর্ট তাদের সংক্ষিপ্ত আদেশে বলেছেন (সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে), যাবজ্জীবন বলতে ‘প্রাইমা ফেসি’ বোঝা যাচ্ছে যে সারাজীবনই হবে। আমৃত্যু হবে। তবে বিভিন্ন আইন, ধারা উপধারা বিশ্লেষণ করে আদালত বলছেন যে এটা (যাবজ্জীবন) ৩০ বছর। ধারাগুলো যদি বিশ্লেষণ করি, তাহলে ৩০ বছর। কিন্তু যদি কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কোনো মামলায় কারো যদি আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন, সে ক্ষেত্রে ৩০ বছরের বিধানটি হবে না। আমৃত্যু হবে।

খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, আমরা বলেছিলাম, বর্তমান আইনের বিধানে যাবজ্জীবন ৩০ বছর। কেননা ৩০ বছর যদি না হয়, আইনের অন্য বিধানগুলো যেমন ৩৫এ, জেলকোড সব বাতিল হয়ে যাবে। আজকের রায়ে আপিল বিভাগ বলেছেন, যদিও যাবজ্জীবন বলতে একজন মানুষের স্বাভাবিক জীবন যতদিন ততদিন। কিন্তু আইনের বিধান অনুযায়ী একজন যাবজ্জীবন আসামির সাজা ৩০ বছর ভোগ করতে হবে। সে ক্ষেত্রে আইনের অন্যান্য রেয়াত যেগুলো আছে, ৩৫এসহ অন্যান্য রেয়াত পাবে। যদি না আদালত বিশেষভাবে আদেশ দেন তাকে আমৃত্যু জেলখানায় থাকতে হবে।
এর আগে গত বছরের ১১ জুলাই প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চে শুনানি শেষে সিএভি (রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ) রেখেছিলেন।একটি হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে ২০০৩ সালের ১৫ অক্টোবর রায় দেন বিচারিক আদালত। এই রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন। তাদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য হাইকোর্টে আসে। শুনানি নিয়ে ২০০৭ সালের ৩০ অক্টোবর হাইকোর্ট রায়ে দুজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। তারা হলেন আতাউর মৃধা ওরফে আতাউর ও আনোয়ার হোসেন।

এই রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা আপিল বিভাগে আপিল করেন। ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সে সঙ্গে আদালত যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাস বলে সাত দফা অভিমত দেন।

তবে আপিল বিভাগের দেওয়া এ রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করে আসামি আতাউর মৃধা।
ঢাকা,মঙ্গলবার,০১ ডিসেম্বর,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

সর্বশেষ আপডেট



» নতুন করে আরও ৫৬৯ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত,মৃত্যু ২৩ জন

» গ্লোব বায়োটেকের করোনা ভ্যাকসিন ‘বঙ্গভ্যাক্স’ ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অনুমোদনের জন্য আবেদন

» চলচ্চিত্র শিল্পকে টিকিয়ে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার

» বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমানের স্ত্রী বুলাহ আহম্মেদ আর নেই

» রাজধানীর গুলশানের শাহজাদপুরে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় এক ব্যক্তি নিহত

» কাকরাইলে আলোচিত মা ও ছেলেকে গলা কেটে হত্যা মামলায় তিনজনের ফাঁসির আদেশ

» বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন সাড়ে ৯ কোটি

» যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শপথ গ্রহণ: সশস্ত্র বিক্ষোভের শঙ্কায় ৫০ অঙ্গরাজ্যে সতর্কতা

» বাংলা সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেত্রী সুচিত্রা সেনের সপ্তম প্রয়াণ দিবস আজ

» দেশের ৬০ টি পৌরসভা নির্বাচনে ৪২টিতে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

 

 

সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ রবিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২১ খ্রিষ্টাব্দ, ৩রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

যাবজ্জীবন মানে ৩০ বছর কারাদণ্ড,তবে আদালত চাইলে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিতে পারবেন

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

যাবজ্জীবন মানে ৩০ বছর কারাদণ্ড। তবে আদালত, ট্রাইব্যুনাল চাইলে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে ৩০ বছরের বিধান প্রযোজ্য হবে না।‘যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মানে আমৃত্যু কারাবাস’ বলে আপিল বিভাগের মতামতের রায়টির পুনর্বিবেচনার আবেদন সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।আসামিপক্ষের পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদনের বিপরীতে রায় ঘোষণায় আপিল বিভাগের রায়টি বহাল রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ ভার্চ্যুয়াল আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।ভার্চুয়াল আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেনন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ। আর আসামি পক্ষে ছিলেন খন্দকার মাহবুব হোসেন ও আইনজীবী শিশির মনির।

এর আগে গত ২৪ নভেম্বর প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির ভার্চুয়াল আপিল বেঞ্চ ১ ডিসেম্বর রায়ের দিন ধার্য করেছিলেন।অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, সুপ্রিম কোর্ট তাদের সংক্ষিপ্ত আদেশে বলেছেন (সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে), যাবজ্জীবন বলতে ‘প্রাইমা ফেসি’ বোঝা যাচ্ছে যে সারাজীবনই হবে। আমৃত্যু হবে। তবে বিভিন্ন আইন, ধারা উপধারা বিশ্লেষণ করে আদালত বলছেন যে এটা (যাবজ্জীবন) ৩০ বছর। ধারাগুলো যদি বিশ্লেষণ করি, তাহলে ৩০ বছর। কিন্তু যদি কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কোনো মামলায় কারো যদি আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন, সে ক্ষেত্রে ৩০ বছরের বিধানটি হবে না। আমৃত্যু হবে।

খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, আমরা বলেছিলাম, বর্তমান আইনের বিধানে যাবজ্জীবন ৩০ বছর। কেননা ৩০ বছর যদি না হয়, আইনের অন্য বিধানগুলো যেমন ৩৫এ, জেলকোড সব বাতিল হয়ে যাবে। আজকের রায়ে আপিল বিভাগ বলেছেন, যদিও যাবজ্জীবন বলতে একজন মানুষের স্বাভাবিক জীবন যতদিন ততদিন। কিন্তু আইনের বিধান অনুযায়ী একজন যাবজ্জীবন আসামির সাজা ৩০ বছর ভোগ করতে হবে। সে ক্ষেত্রে আইনের অন্যান্য রেয়াত যেগুলো আছে, ৩৫এসহ অন্যান্য রেয়াত পাবে। যদি না আদালত বিশেষভাবে আদেশ দেন তাকে আমৃত্যু জেলখানায় থাকতে হবে।
এর আগে গত বছরের ১১ জুলাই প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চে শুনানি শেষে সিএভি (রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ) রেখেছিলেন।একটি হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে ২০০৩ সালের ১৫ অক্টোবর রায় দেন বিচারিক আদালত। এই রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন। তাদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য হাইকোর্টে আসে। শুনানি নিয়ে ২০০৭ সালের ৩০ অক্টোবর হাইকোর্ট রায়ে দুজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। তারা হলেন আতাউর মৃধা ওরফে আতাউর ও আনোয়ার হোসেন।

এই রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা আপিল বিভাগে আপিল করেন। ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সে সঙ্গে আদালত যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাস বলে সাত দফা অভিমত দেন।

তবে আপিল বিভাগের দেওয়া এ রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করে আসামি আতাউর মৃধা।
ঢাকা,মঙ্গলবার,০১ ডিসেম্বর,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

© Copyright BY HBnews24.Com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com

Translate »
error: Alert: Content is protected !!