করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলাদেশে

নতুন আক্রান্ত মোট আক্রান্ত সুস্থ মৃত্যু
৩০৫০ ৮,২৯,৯৭২ ৭,৬৮,৮৩০ ১৩,১৭২

ঈদ উদযাপন যেন করোনা ভাইরাস সংক্রমণ বাড়ার উপলক্ষ না হয়ে উঠে

ঈদ উদযাপন যেন করোনা ভাইরাস সংক্রমণ বাড়ার উপলক্ষ না হয়ে উঠে সেদিকে খেয়াল রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের জনগণকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানান। সেই সঙ্গে তিনি বিশ্ববাসীকেও ঈদের শুভেচ্ছা জানান।
বৃহস্পতিবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।প্রধানমন্ত্রী জনগণের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘আবেগের বশবর্তী হয়ে আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে ঈদের ছুটি কাটাতে যাবেন না। অনেকের কোনো বাহ্যিক লক্ষণ না থাকায় আপনি বুঝতে পারবেন না পাশের ব্যক্তিটিই করোনা ভাইরাস বহন করছে। এর ফলে আপনি যেমন করোনা ভাইরাসের ঝুঁকিতে পড়বেন, তেমনি আপনার নিকটাত্মীয় বা প্রতিবেশিকে ঝুঁকির মুখে ফেলবেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের মাধ্যমে এ ভাইরাস ছড়ায়। কাজেই জনসমাগম এড়াতে না পারলে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব নয়। এ কারণে কষ্ট হবে জেনেও আমরা বাধ্য হয়েছি মানুষের স্বাভাবিক চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করতে। দোকান-পাট, শপিংমলসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালু রাখতে হচ্ছে। একই কারণে গণপরিবহন চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এমনি এক অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে এবারও আমাদের ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে হচ্ছে। আমরা ঈদ উদযাপন করবো, তবে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে। কোনোভাবেই এ ঈদ উদযাপন যাতে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ বাড়ার উপলক্ষ হয়ে না উঠে, সেদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। মনে রাখবেন, সবার ওপরে মানুষের জীবন। বেঁচে থাকলে আসছে বছর আবার আমরা আনন্দঘন পরিবেশে ঈদ উদযাপন করতে পারবো।

করোনার বিস্তার প্রতিরোধে মসজিদে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের নামাজ আদায় করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘যে যেখানে আছি, সেখান থেকেই ঈদের আনন্দ উপভোগ করি।’ এ ছাড়া বিত্তবানদের তিনি দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
সংক্রমণ ঠেকাতে সবকে সামাজিক দূরুত্ব বজায় রাখতে এবং মাস্ক ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে নাগরিক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি। এ ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে মাস্কের ব্যবহার অত্যন্ত ফলপ্রসু বলে প্রমাণিত। কাজেই বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করবেন। পাশাপাশি যথাসম্ভব ঘন ঘন সাবান পানি দিয়ে হাত ধুইয়ে নিন অথবা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত জীবানুমুক্ত করুন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। সেই সঙ্গে আপনারা নিজেরা গরম পানির ভাপ নিতে পারেন।

তিনি বলেন, সবচেয়ে কার্যকর এবং পরীক্ষিত অক্সফোর্ড-এস্ট্রাজেনেকার টিকা দিয়েই আমরা গণটিকাদান কার্যক্রম শুরু করেছি। আপনারা জেনেছেন, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ টিকা রপ্তানির ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কিছুটা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় আমরা বিকল্প উৎস থেকে টিকা সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছি। এরই মধ্যে রাশিয়া এবং চীনের টিকা উৎপাদনকারী সংস্থার সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে। উপহার হিসেবে চীনের কাছ থেকে টিকা এরই মধ্যে আমরা পেয়েছি। আমরা টিকা পাওয়ার জন্য আমেরিকার কাছেও অনুরোধ জানিয়েছি। বিশ্ব টিকাদান সংস্থা কোভ্যাক্সের কাছ থেকেও আমরা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ টিকা পাব। বিভিন্ন উৎস থেকে আমরা এক কোটি টিকা কেনার উদ্যোগ নিয়েছি। খুব শিগগিরই দেশে টিকা আসতে শুরু করবে। তাছাড়া, দেশেই যাতে টিকা উৎপাদন করতে পারি, সে ব্যবস্থা করেছি। নিজেদের টিকা তৈরিতে কয়েক মাস সময় লাগবে। আমরা দেশের সব নাগরিককে টিকার আওতায় নিয়ে আসব, ইনশাআল্লাহ।

করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়তে দেওয়া যাবে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস শুধু মানুষের জীবন কেড়ে নিচ্ছে না, এ ভাইরাস বিশ্ব অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করে ফেলেছে। সংক্রমণ এড়াতে লকডাউন বা সাধারণ ছুটি বহাল রাখতে হয়েছে। আমরা গত বছর একটানা দুই মাসেরও বেশি সময় সাধারণ ছুটি দিয়েছিলাস। দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানার পর গত ৫ এপ্রিল থেকে পর্যায়ক্রমে ‘লকডাউন’ কার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে অগণিত মানুষের রুটি-রুজির ওপর আঘাত এসেছে। কিন্তু এ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া বিকল্প কোন উপায় ছিল না। কারণ, আমাদের স্মরণ রাখতে হবে, প্রতিটি দেশেরই স্বাস্থ্য অবকাঠামোর একটি নির্দিষ্ট সক্ষমতা রয়েছে। হঠাৎ করে দ্রুতগতিতে রোগী বাড়তে থাকলে, তখন সেবা দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। আপনারা দেখেছেন, উন্নত দেশগুলো পর্যন্ত করোনা রোগীর সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে। সেজন্য আমাদের কোনোভাবেই রোগীর সংখ্যা বাড়তে দেওয়া যাবে না।
ঢাকা,বৃহস্পতিবার,১৩ মে,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments Box

সর্বশেষ আপডেট



» নতুন করে আরও ৩০৫০ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত,মৃত্যু ৫৪ জন

» সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা জামালউদ্দিন আহম্মদ মারা গেছেন

» কুষ্টিয়ায় প্রকাশ্যে স্ত্রী-ছেলেসহ নিহত ৩ জনের দাফন সম্পন্ন

» খালেদা জিয়ার কিডনি ও লিভার ঠিকভাবে কাজ করছে না,তাই বারবার তার জ্বর আসছে

» পরীমনির অভিযোগে নাছির মাহমুদসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার

» থানায় বা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মামলা দায়ের করলে বাদীর এনআইডি বাধ্যতামূলক

» মোহাম্মদ নাসিমের মতো দলের জন্য নিবেদিত প্রাণকর্মী আমরা খুব কমই দেখেছি

» ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি

» চীন থেকে সিনোফার্মের ছয় লাখ উপহারের টিকা ঢাকায় এসেছে

» আমাকে ধর্ষণ এবং হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে: বিচার চাইলেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে-পরীমনি

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

 

 

সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ সোমবার, ১৪ জুন ২০২১ খ্রিষ্টাব্দ, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

ঈদ উদযাপন যেন করোনা ভাইরাস সংক্রমণ বাড়ার উপলক্ষ না হয়ে উঠে

ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

ঈদ উদযাপন যেন করোনা ভাইরাস সংক্রমণ বাড়ার উপলক্ষ না হয়ে উঠে সেদিকে খেয়াল রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের জনগণকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানান। সেই সঙ্গে তিনি বিশ্ববাসীকেও ঈদের শুভেচ্ছা জানান।
বৃহস্পতিবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।প্রধানমন্ত্রী জনগণের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘আবেগের বশবর্তী হয়ে আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে ঈদের ছুটি কাটাতে যাবেন না। অনেকের কোনো বাহ্যিক লক্ষণ না থাকায় আপনি বুঝতে পারবেন না পাশের ব্যক্তিটিই করোনা ভাইরাস বহন করছে। এর ফলে আপনি যেমন করোনা ভাইরাসের ঝুঁকিতে পড়বেন, তেমনি আপনার নিকটাত্মীয় বা প্রতিবেশিকে ঝুঁকির মুখে ফেলবেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের মাধ্যমে এ ভাইরাস ছড়ায়। কাজেই জনসমাগম এড়াতে না পারলে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব নয়। এ কারণে কষ্ট হবে জেনেও আমরা বাধ্য হয়েছি মানুষের স্বাভাবিক চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করতে। দোকান-পাট, শপিংমলসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালু রাখতে হচ্ছে। একই কারণে গণপরিবহন চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এমনি এক অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে এবারও আমাদের ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে হচ্ছে। আমরা ঈদ উদযাপন করবো, তবে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে। কোনোভাবেই এ ঈদ উদযাপন যাতে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ বাড়ার উপলক্ষ হয়ে না উঠে, সেদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। মনে রাখবেন, সবার ওপরে মানুষের জীবন। বেঁচে থাকলে আসছে বছর আবার আমরা আনন্দঘন পরিবেশে ঈদ উদযাপন করতে পারবো।

করোনার বিস্তার প্রতিরোধে মসজিদে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের নামাজ আদায় করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘যে যেখানে আছি, সেখান থেকেই ঈদের আনন্দ উপভোগ করি।’ এ ছাড়া বিত্তবানদের তিনি দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
সংক্রমণ ঠেকাতে সবকে সামাজিক দূরুত্ব বজায় রাখতে এবং মাস্ক ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে নাগরিক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি। এ ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে মাস্কের ব্যবহার অত্যন্ত ফলপ্রসু বলে প্রমাণিত। কাজেই বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করবেন। পাশাপাশি যথাসম্ভব ঘন ঘন সাবান পানি দিয়ে হাত ধুইয়ে নিন অথবা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত জীবানুমুক্ত করুন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। সেই সঙ্গে আপনারা নিজেরা গরম পানির ভাপ নিতে পারেন।

তিনি বলেন, সবচেয়ে কার্যকর এবং পরীক্ষিত অক্সফোর্ড-এস্ট্রাজেনেকার টিকা দিয়েই আমরা গণটিকাদান কার্যক্রম শুরু করেছি। আপনারা জেনেছেন, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ টিকা রপ্তানির ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কিছুটা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় আমরা বিকল্প উৎস থেকে টিকা সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছি। এরই মধ্যে রাশিয়া এবং চীনের টিকা উৎপাদনকারী সংস্থার সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে। উপহার হিসেবে চীনের কাছ থেকে টিকা এরই মধ্যে আমরা পেয়েছি। আমরা টিকা পাওয়ার জন্য আমেরিকার কাছেও অনুরোধ জানিয়েছি। বিশ্ব টিকাদান সংস্থা কোভ্যাক্সের কাছ থেকেও আমরা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ টিকা পাব। বিভিন্ন উৎস থেকে আমরা এক কোটি টিকা কেনার উদ্যোগ নিয়েছি। খুব শিগগিরই দেশে টিকা আসতে শুরু করবে। তাছাড়া, দেশেই যাতে টিকা উৎপাদন করতে পারি, সে ব্যবস্থা করেছি। নিজেদের টিকা তৈরিতে কয়েক মাস সময় লাগবে। আমরা দেশের সব নাগরিককে টিকার আওতায় নিয়ে আসব, ইনশাআল্লাহ।

করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়তে দেওয়া যাবে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস শুধু মানুষের জীবন কেড়ে নিচ্ছে না, এ ভাইরাস বিশ্ব অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করে ফেলেছে। সংক্রমণ এড়াতে লকডাউন বা সাধারণ ছুটি বহাল রাখতে হয়েছে। আমরা গত বছর একটানা দুই মাসেরও বেশি সময় সাধারণ ছুটি দিয়েছিলাস। দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানার পর গত ৫ এপ্রিল থেকে পর্যায়ক্রমে ‘লকডাউন’ কার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে অগণিত মানুষের রুটি-রুজির ওপর আঘাত এসেছে। কিন্তু এ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া বিকল্প কোন উপায় ছিল না। কারণ, আমাদের স্মরণ রাখতে হবে, প্রতিটি দেশেরই স্বাস্থ্য অবকাঠামোর একটি নির্দিষ্ট সক্ষমতা রয়েছে। হঠাৎ করে দ্রুতগতিতে রোগী বাড়তে থাকলে, তখন সেবা দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। আপনারা দেখেছেন, উন্নত দেশগুলো পর্যন্ত করোনা রোগীর সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে। সেজন্য আমাদের কোনোভাবেই রোগীর সংখ্যা বাড়তে দেওয়া যাবে না।
ঢাকা,বৃহস্পতিবার,১৩ মে,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments Box

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



সম্পাদক-কাজী আবু তাহের মো. নাছির।
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক,আফতাব খন্দকার (রনি)

ফোন:+88 01714043198

গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২
Email: hbnews24@gmail.com

© Hbnews24 || Phone: +8801714043198, email: hbnews24@gmail.com

Translate »
error: Alert: Content is protected !!