করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলাদেশে

নতুন আক্রান্ত মোট আক্রান্ত সুস্থ মৃত্যু
২৫৯ ২০,০৯,১২৯ ১৯,৫১,৭৩৭ ২৯,৩১৪

১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা জাতির জন্য সবচেয়ে কলঙ্কিত ঘটনা

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা জাতির জন্য সবচেয়ে কলঙ্কিত ঘটনা। মানুষের ভালোবাসার টানে নিজের পুরো জীবন উৎসর্গ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। অথচ তাকেই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যা করা হয়, যা ছিল জাতির জন্য সবচেয়ে কলঙ্কিত ঘটনা এমনটি বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।সোমবার (১ আগস্ট) সকালে গণভবনে কৃষকলীগের স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার নাম মুছে ফেলা হলো ইতিহাস থেকে। ৭ মার্চের ভাষণ হলো নিষিদ্ধ। ইতিহাস হলো বিকৃত। মহান মুক্তিযুদ্ধে আমরা যে বিজয়ী জাতি, সেই গৌরব নস্যাৎ হয়ে গিয়েছিল। আমাদের সংগ্রাম করতে হয়েছে, আন্দোলন করতে হয়েছে। আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগের নেতাকর্মী জীবন দিয়েছে; রক্ত দিয়েছে। এই আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের মধ্য দিয়েই আমরা গণতন্ত্র পুনরায় ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রকৃত গণতন্ত্র থাকলে যে মানুষের উন্নতি হয়, আজকের বাংলাদেশে তার দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছি। যে দল জনগণের মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠে, যে দল এত আত্মত্যাগ করতে পারে; একটা জাতির জন্য এত জেল-জুলুম সহ্য করতে পারে সেই দল যদি তাদের নীতি ও আদর্শকে ধারণ করে তবে সেই জাতির ভাগ্যে পরিবর্তন ঘটে। আওয়ামী লীগ তা বাস্তবায়ন ও প্রমাণ করেছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার আগ পর্যন্ত যারা ক্ষমতায় ছিল ২০০১-০৬ সালে, তারা মানুষের জন্য কী করে গেছে? বরং, ১৯৯৬-০১ পর্যন্ত আমরা যা কিছু অর্জন করেছিলাম, দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলাম, বিদ্যুৎ ১৬০০ মেগাওয়াট থেকে ৪ হাজার ৩শ’ মেগাওয়াটে উন্নীত করেছিলাম। রাস্তাঘাট, পুল, ব্রিজ থেকে অবকাঠামোগত উন্নয়ন করেছিলাম। শিক্ষার বিস্তার ঘটানো, স্বাক্ষরতার হার ৪৫ থেকে ৬৫ শতাংশে উন্নীত করা, চিকিৎসা সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার জন্য কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করা, ভূমিহীনদের ঘর দেয়ার জন্য জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা- এসব কিন্তু আমরা একে একে শুরু করি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে ২০০১ সালে আমরা ক্ষমতায় আসতে পারিনি। সেটাই ছিল চক্রান্ত। কিন্তু তাতে কী হয়েছে? বিদ্যুৎ ৪ হাজার ৩ শ’ মেগাওয়াট থেকে কমে ৩ হাজার ২ শ’ মেগাওয়াটে নেমেছে। ৪০ লক্ষ্য মেট্রিক টন খাদ্য ঘাটতি নিয়ে আমরা ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করি আর ২০০১ সালে ২৬ লক্ষ্য মেট্রিক টন খাদ্য আমরা উদ্বৃত্ত রেখে এসেছিলাম। ২০০৯ সালে যখন সরকার গঠন করি তখন আবার দেখি ৩০ লক্ষ্য মেট্রিক টন খাদ্য ঘাটতি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশে খাদ্য ঘাটতি তৈরি করে বিদেশের কাছে ভিক্ষুক জাতি হিসেবে পরিচিত করে ভিক্ষা চেয়ে নিয়া আসাই ছিল বিএনপির কাজ। অবশ্য ভিক্ষা চাওয়া না, এটাও একটা ব্যবসা। খাদ্য কিনবে, ব্যবসা করবে আর কমিশন খাবে-এটিই ছিল বিএনপির নীতি। অস্ত্র চোরাকারবারির সাথেও তাদের সম্পর্ক। দেশকে সম্পূর্ণভাবে পরনির্ভরশীল করা ও দেশের মানুষের নিরাপত্তা ধ্বংস করা, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসে মদদ দেয়া- এসবই ছিল বিএনপির নীতি। প্রতিটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছিল অস্ত্রের ঝনঝনানি। শিক্ষার পরিবেশ হয়েছিল সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস। তাদের মানি লন্ডারিংয়ের টাকা দেশে ফিরিয়ে এনেছি আমরা। এখন তাদের মুখেও নীতিকথা শুনতে হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা চেয়েছিলেন দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে; তারা যেন সম্মানের সাথে চলতে পারে। কারো কাছে যেন হাত পেতে চলতে না হয়। কারণ, ভিক্ষুক জাতির ইজ্জত থাকে না।বঙ্গবন্ধুর মতো অসহযোগ আন্দোলন থেকে পৃথিবীর কোনো নেতা করতে পারেনি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে মানুষের জন‌্য কাজ করেছেন। তার জীবনে ক্ষমতার কোনো লোভ ছিল না। তিনি দেশের মানুষের জন‌্য আত্মত‌্যাগের নজির রেখে গেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শত কষ্টের পরও কোথাও অন‌্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি বঙ্গবন্ধু। পূর্ব বাংলার মানুষের কষ্ট তিনি সহ‌্য করতে পারেননি। ক্ষমতা, পদ-পদবীর লোভের ঊর্ধ্বে থেকে তিনি মানুষের জন‌্য কাজ করে গেছেন।

তিনি আরও বলেন, বাঙালির বিজয় যে নিশ্চিত হবে তাতে তিনি নিশ্চিত ছিলেন। এ কারণে তিনি কারাগারে থাকা অবস্থায়ও মনোবল হারাননি। অথচ এই আগস্টেই জাতির কাছ থেকে বঙ্গবন্ধুকে কেড়ে নিয়েছিলেন ঘাতকের দল। বাংলাদেশ যেন কখনও ভিক্ষুক জাতি না হয়; সেই লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। করোনা মহামারির পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে সারা বিশ্বেই মূল্যস্ফীতি দেখা দিয়েছে। কিন্তু সকল চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
ঢাকা,সোমবার ০১ আগষ্ট,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

সর্বশেষ আপডেট



» নতুন করে আরও ২৫৯ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত, ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

» কলাপাড়ায় জাতীয় শোক দিবস পালিত।। দুস্থ, অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঝে খাবার বিতরণ

» আমতলীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালিত

» রাজধানীর উত্তরায় ক্রেন থেকে গার্ডার পড়ে প্রাইভেটকারে থাকা ৩ জন যাত্রী নিহত

» রাজধানীর চকবাজারে পলিথিন কারখানায় লাগা আগুনে ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার

» রাজধানীর চকবাজারে পলিথিন কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে

» জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাড্ডা ২১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের খাবার বিতরন

» মাধবদী তে বঙ্গবন্ধুর ৪৭তমসাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত।

» ঢাকা -১৬ আসনসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অসহায় ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ

» রাজধানীর চকবাজারে পলিথিন কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

 

 

 

প্রকাশক ও সম্পাদক: কাজী আবু তাহের মো. নাছির।

 

প্রধান নির্বাহী সম্পাদক: আফতাব খন্দকার (রনি)

 

বার্তা সম্পাদক: কামাল হোসেন খান

 

সহ বার্তা সম্পাদক: কাজী আতিকুর রহমান আতিক (আবির)

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ সোমবার, ১৫ আগস্ট ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ, ৩১শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা জাতির জন্য সবচেয়ে কলঙ্কিত ঘটনা




১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা জাতির জন্য সবচেয়ে কলঙ্কিত ঘটনা। মানুষের ভালোবাসার টানে নিজের পুরো জীবন উৎসর্গ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। অথচ তাকেই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যা করা হয়, যা ছিল জাতির জন্য সবচেয়ে কলঙ্কিত ঘটনা এমনটি বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।সোমবার (১ আগস্ট) সকালে গণভবনে কৃষকলীগের স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার নাম মুছে ফেলা হলো ইতিহাস থেকে। ৭ মার্চের ভাষণ হলো নিষিদ্ধ। ইতিহাস হলো বিকৃত। মহান মুক্তিযুদ্ধে আমরা যে বিজয়ী জাতি, সেই গৌরব নস্যাৎ হয়ে গিয়েছিল। আমাদের সংগ্রাম করতে হয়েছে, আন্দোলন করতে হয়েছে। আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগের নেতাকর্মী জীবন দিয়েছে; রক্ত দিয়েছে। এই আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের মধ্য দিয়েই আমরা গণতন্ত্র পুনরায় ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রকৃত গণতন্ত্র থাকলে যে মানুষের উন্নতি হয়, আজকের বাংলাদেশে তার দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছি। যে দল জনগণের মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠে, যে দল এত আত্মত্যাগ করতে পারে; একটা জাতির জন্য এত জেল-জুলুম সহ্য করতে পারে সেই দল যদি তাদের নীতি ও আদর্শকে ধারণ করে তবে সেই জাতির ভাগ্যে পরিবর্তন ঘটে। আওয়ামী লীগ তা বাস্তবায়ন ও প্রমাণ করেছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার আগ পর্যন্ত যারা ক্ষমতায় ছিল ২০০১-০৬ সালে, তারা মানুষের জন্য কী করে গেছে? বরং, ১৯৯৬-০১ পর্যন্ত আমরা যা কিছু অর্জন করেছিলাম, দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলাম, বিদ্যুৎ ১৬০০ মেগাওয়াট থেকে ৪ হাজার ৩শ’ মেগাওয়াটে উন্নীত করেছিলাম। রাস্তাঘাট, পুল, ব্রিজ থেকে অবকাঠামোগত উন্নয়ন করেছিলাম। শিক্ষার বিস্তার ঘটানো, স্বাক্ষরতার হার ৪৫ থেকে ৬৫ শতাংশে উন্নীত করা, চিকিৎসা সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার জন্য কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করা, ভূমিহীনদের ঘর দেয়ার জন্য জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা- এসব কিন্তু আমরা একে একে শুরু করি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে ২০০১ সালে আমরা ক্ষমতায় আসতে পারিনি। সেটাই ছিল চক্রান্ত। কিন্তু তাতে কী হয়েছে? বিদ্যুৎ ৪ হাজার ৩ শ’ মেগাওয়াট থেকে কমে ৩ হাজার ২ শ’ মেগাওয়াটে নেমেছে। ৪০ লক্ষ্য মেট্রিক টন খাদ্য ঘাটতি নিয়ে আমরা ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করি আর ২০০১ সালে ২৬ লক্ষ্য মেট্রিক টন খাদ্য আমরা উদ্বৃত্ত রেখে এসেছিলাম। ২০০৯ সালে যখন সরকার গঠন করি তখন আবার দেখি ৩০ লক্ষ্য মেট্রিক টন খাদ্য ঘাটতি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশে খাদ্য ঘাটতি তৈরি করে বিদেশের কাছে ভিক্ষুক জাতি হিসেবে পরিচিত করে ভিক্ষা চেয়ে নিয়া আসাই ছিল বিএনপির কাজ। অবশ্য ভিক্ষা চাওয়া না, এটাও একটা ব্যবসা। খাদ্য কিনবে, ব্যবসা করবে আর কমিশন খাবে-এটিই ছিল বিএনপির নীতি। অস্ত্র চোরাকারবারির সাথেও তাদের সম্পর্ক। দেশকে সম্পূর্ণভাবে পরনির্ভরশীল করা ও দেশের মানুষের নিরাপত্তা ধ্বংস করা, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসে মদদ দেয়া- এসবই ছিল বিএনপির নীতি। প্রতিটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছিল অস্ত্রের ঝনঝনানি। শিক্ষার পরিবেশ হয়েছিল সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস। তাদের মানি লন্ডারিংয়ের টাকা দেশে ফিরিয়ে এনেছি আমরা। এখন তাদের মুখেও নীতিকথা শুনতে হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা চেয়েছিলেন দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে; তারা যেন সম্মানের সাথে চলতে পারে। কারো কাছে যেন হাত পেতে চলতে না হয়। কারণ, ভিক্ষুক জাতির ইজ্জত থাকে না।বঙ্গবন্ধুর মতো অসহযোগ আন্দোলন থেকে পৃথিবীর কোনো নেতা করতে পারেনি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে মানুষের জন‌্য কাজ করেছেন। তার জীবনে ক্ষমতার কোনো লোভ ছিল না। তিনি দেশের মানুষের জন‌্য আত্মত‌্যাগের নজির রেখে গেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শত কষ্টের পরও কোথাও অন‌্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি বঙ্গবন্ধু। পূর্ব বাংলার মানুষের কষ্ট তিনি সহ‌্য করতে পারেননি। ক্ষমতা, পদ-পদবীর লোভের ঊর্ধ্বে থেকে তিনি মানুষের জন‌্য কাজ করে গেছেন।

তিনি আরও বলেন, বাঙালির বিজয় যে নিশ্চিত হবে তাতে তিনি নিশ্চিত ছিলেন। এ কারণে তিনি কারাগারে থাকা অবস্থায়ও মনোবল হারাননি। অথচ এই আগস্টেই জাতির কাছ থেকে বঙ্গবন্ধুকে কেড়ে নিয়েছিলেন ঘাতকের দল। বাংলাদেশ যেন কখনও ভিক্ষুক জাতি না হয়; সেই লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। করোনা মহামারির পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে সারা বিশ্বেই মূল্যস্ফীতি দেখা দিয়েছে। কিন্তু সকল চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
ঢাকা,সোমবার ০১ আগষ্ট,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

প্রকাশক ও সম্পাদক: কাজী আবু তাহের মো. নাছির।

 

প্রধান নির্বাহী সম্পাদক: আফতাব খন্দকার (রনি)

 

বার্তা সম্পাদক: কামাল হোসেন খান

 

সহ বার্তা সম্পাদক: কাজী আতিকুর রহমান আতিক (আবির)

প্রধান কার্যালয়: গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২ | ব্রাঞ্চ অফিস: ২৪৭ পশ্চিম মনিপুর, ২য় তলা, মিরপুর-২, ঢাকা -১২১৬।

Phone: +8801714043198, Email: hbnews24@gmail.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © HBnews24.com