করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলাদেশে

নতুন আক্রান্ত মোট আক্রান্ত সুস্থ মৃত্যু
২৫৯ ২০,০৯,১২৯ ১৯,৫১,৭৩৭ ২৯,৩১৪

কমেছে লঞ্চ ভাড়া, ডেকে ১০০ টাকা, কেবিনে ৬০০

পদ্মা সেতু চালুর পর ঢাকা-বরিশাল নৌরুটের লঞ্চগুলোতে ব্যাপক যাত্রী সংকট দেখা দিলেও ধীরে ধীরে যাত্রীসংখ্যা বাড়ছে এই রুটের বিলাসবহুল লঞ্চগুলোতে। আগের রূপে ফিরেছে বরিশাল নদীবন্দরও। তবে যাত্রী বাগাতে ভাড়া কমিয়েছে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ। লঞ্চ ছাড়ার সময় যত ঘনিয়ে আসে ভাড়াও ধীরে ধীরে কমতে থাকে। রোববার ও সোমবার রাতে বরিশাল নদীবন্দরে নোঙর করা মোট ১৪টি লঞ্চেই যাত্রী ছিল।

আগের হিসাব অনুযায়ী, রোব ও সোমবার যাত্রী চাপ না থাকার কথা থাকলেও প্রতিটি লঞ্চেই এই দিন ডেক ছিল পরিপূর্ণ। স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে আরও কিছু দিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন লঞ্চ মালিকরা।

রোববার সুরভী-৮ লঞ্চের সামনে গিয়ে ডেকের ভাড়া ১৫০ টাকা করে নেওয়ার চিত্র দেখা যায়। এ ছাড়া পারাবত-১২ লঞ্চের সামনে ডেকের ভাড়া ১৫০ টাকা করে যাত্রীদের ডাকা হয়। তবে লঞ্চ ছাড়ার ১০ মিনিট আগে থেকেই পারাবত লঞ্চের কলম্যানরা ১০০ টাকা করে ডেকের ভাড়া ঘোষণা দিয়ে যাত্রী তুলতে থাকে।

এদিকে লঞ্চে যাত্রী ধরে রাখতে ইতোমধ্যে ভাড়া কমিয়ে ফেলেছে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ। সিঙ্গেল কেবিনের ভাড়া ছিল ১৩০০ থেকে ১৫০০ টাকা। সেই ভাড়া এখন নেওয়া হচ্ছে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা। আর ডাবল কেবিনের ভাড়াও কমিয়ে নেওয়া হচ্ছে ১৫০০ থেকে ২০০০ হাজার টাকা।

অপর দিকে ভিআইপি কেবিনগুলোর ভাড়াও কমানো হয়েছে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা করে। সুরভী-৮ লঞ্চের কলম্যান মোরশেদ হাসান বলেন, তিনজন লোক এসে কেবিন চাইছে ডাবল। ২২০০ টাকার কেবিন অনেক অনুরোধ কইরা ১৫০০ টাকায় দেওয়া হইছে। ডাবল কেবিনে তো দুজনের ভাড়া রাখা হয়, কিন্তু বাকি একজনের ভাড়া বাকি ছিল সেটাও ফ্রি করে দেওয়া হইছে।

কীর্তণখোলা ১০ লঞ্চের স্টাফ মাইনুল বলেন, আগের থেকে যাত্রী বাড়তেছে। স্বাভাবিক হইয়া যাইবে শিগগিরই। লঞ্চের কেবিন সব বিক্রি হয় নাই, তাই সিঙ্গেল কেবিন ৬০০ টাকা করে বিক্রির জন্য লঞ্চ ঘাটে ঘুরতেছি। এই সিঙ্গেল কেবিনে যদি দুজন ওঠে তাহলে একজনের ভাড়াও ফ্রি। মানে শুধু ৬০০ টাকাই ভাড়া নেওয়া হবে, এক্সট্রা কোনো ভাড়া দেওয়ার দরকার নেই। পারাবত লঞ্চের স্টাফ শহীদুল ইসলাম বলেন, ১৫০ টাকা করে আমরা সন্ধ্যা থেকে যাত্রী তুলছি। লঞ্চ ছাড়ার আগে ১০০ টাকা করে যাত্রী তুলছি। যা ভাড়া পাই তাই লাভ। যাত্রী ছাইড়া দিয়া তো লাভ নাই।

সুরভী লঞ্চ কোম্পানির ম্যানেজার রাশেদুল ইসলাম বলেন, পদ্মা সেতু চালুর পর লঞ্চে যাত্রী সংকট ছিল প্রচুর। অনেক সময় লোকসানও হয়েছে। তবে দিন যত যাচ্ছে তত ভিড় বাড়ছে। কেননা বৃহস্পতি ও শুক্রবার বাদে ঢাকা বরিশালের লঞ্চে এমনিতেই তেমন চাপ থাকে না। তবে রোববার সে তুলনায় সব লঞ্চেই যাত্রী ভালো ছিল। ডেক ভরা ছিল সব লঞ্চেই। তবে কয়েকটি লঞ্চে কেবিন খালি থাকতে পারে। তিনি বলেন, সরকার নির্ধারিত ডেক অর্থাৎ তৃতীয় শ্রেণির ভাড়া ৩৫২ টাকা হলেও আমরা ১৫০ টাকা করে ডেকে ভাড়া নিচ্ছি এখন। অন্য অনেক লঞ্চেই ভাড়া নিচ্ছে ২০০ টাকা করে। সিঙ্গেল কেবিন ৮০০ আর ডাবল ২০০০ টাকা। আশা করছি লঞ্চে যাত্রী আগামী এক মাসের মধ্যে স্বাভাবিক হবে।

কেন্দ্রীয় লঞ্চ মালিক সমিতির সহসভাপতি ও সুন্দরবন লঞ্চ কোম্পানির চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু বলেন, দক্ষিণাঞ্চলবাসীর স্বপ্নের পদ্মা সেতু চালুর পর ঢাকা-বরিশাল রুটের লঞ্চে যাত্রী অনেকটা কম ছিল। অনেকে সেতু দেখতে বা প্রথম প্রথম সড়কপথে ঢাকা গেছেন। যাদের জরুরি তারা তো সড়কপথেই যাবেন। আর যারা বিলাসী, তারা কিন্তু বিলাসবহুল লঞ্চগুলোতে চরেই ঢাকায় যান। ভাড়া কমানো হয়েছে অনেক। বাসের ভাড়ার সঙ্গে লঞ্চের ভাড়ার একটা ভালো গ্যাপ তৈরি হয়েছে। আশা করছি, খুব দ্রুতই লঞ্চে সেই আগের মতো যাত্রী হবে।

সর্বশেষ আপডেট



» নতুন করে আরও ২৫৯ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত, ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

» কলাপাড়ায় জাতীয় শোক দিবস পালিত।। দুস্থ, অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঝে খাবার বিতরণ

» আমতলীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালিত

» রাজধানীর উত্তরায় ক্রেন থেকে গার্ডার পড়ে প্রাইভেটকারে থাকা ৩ জন যাত্রী নিহত

» রাজধানীর চকবাজারে পলিথিন কারখানায় লাগা আগুনে ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার

» রাজধানীর চকবাজারে পলিথিন কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে

» জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাড্ডা ২১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের খাবার বিতরন

» মাধবদী তে বঙ্গবন্ধুর ৪৭তমসাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত।

» ঢাকা -১৬ আসনসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অসহায় ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ

» রাজধানীর চকবাজারে পলিথিন কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

 

 

 

প্রকাশক ও সম্পাদক: কাজী আবু তাহের মো. নাছির।

 

প্রধান নির্বাহী সম্পাদক: আফতাব খন্দকার (রনি)

 

বার্তা সম্পাদক: কামাল হোসেন খান

 

সহ বার্তা সম্পাদক: কাজী আতিকুর রহমান আতিক (আবির)

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ সোমবার, ১৫ আগস্ট ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ, ৩১শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

কমেছে লঞ্চ ভাড়া, ডেকে ১০০ টাকা, কেবিনে ৬০০




পদ্মা সেতু চালুর পর ঢাকা-বরিশাল নৌরুটের লঞ্চগুলোতে ব্যাপক যাত্রী সংকট দেখা দিলেও ধীরে ধীরে যাত্রীসংখ্যা বাড়ছে এই রুটের বিলাসবহুল লঞ্চগুলোতে। আগের রূপে ফিরেছে বরিশাল নদীবন্দরও। তবে যাত্রী বাগাতে ভাড়া কমিয়েছে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ। লঞ্চ ছাড়ার সময় যত ঘনিয়ে আসে ভাড়াও ধীরে ধীরে কমতে থাকে। রোববার ও সোমবার রাতে বরিশাল নদীবন্দরে নোঙর করা মোট ১৪টি লঞ্চেই যাত্রী ছিল।

আগের হিসাব অনুযায়ী, রোব ও সোমবার যাত্রী চাপ না থাকার কথা থাকলেও প্রতিটি লঞ্চেই এই দিন ডেক ছিল পরিপূর্ণ। স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে আরও কিছু দিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন লঞ্চ মালিকরা।

রোববার সুরভী-৮ লঞ্চের সামনে গিয়ে ডেকের ভাড়া ১৫০ টাকা করে নেওয়ার চিত্র দেখা যায়। এ ছাড়া পারাবত-১২ লঞ্চের সামনে ডেকের ভাড়া ১৫০ টাকা করে যাত্রীদের ডাকা হয়। তবে লঞ্চ ছাড়ার ১০ মিনিট আগে থেকেই পারাবত লঞ্চের কলম্যানরা ১০০ টাকা করে ডেকের ভাড়া ঘোষণা দিয়ে যাত্রী তুলতে থাকে।

এদিকে লঞ্চে যাত্রী ধরে রাখতে ইতোমধ্যে ভাড়া কমিয়ে ফেলেছে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ। সিঙ্গেল কেবিনের ভাড়া ছিল ১৩০০ থেকে ১৫০০ টাকা। সেই ভাড়া এখন নেওয়া হচ্ছে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা। আর ডাবল কেবিনের ভাড়াও কমিয়ে নেওয়া হচ্ছে ১৫০০ থেকে ২০০০ হাজার টাকা।

অপর দিকে ভিআইপি কেবিনগুলোর ভাড়াও কমানো হয়েছে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা করে। সুরভী-৮ লঞ্চের কলম্যান মোরশেদ হাসান বলেন, তিনজন লোক এসে কেবিন চাইছে ডাবল। ২২০০ টাকার কেবিন অনেক অনুরোধ কইরা ১৫০০ টাকায় দেওয়া হইছে। ডাবল কেবিনে তো দুজনের ভাড়া রাখা হয়, কিন্তু বাকি একজনের ভাড়া বাকি ছিল সেটাও ফ্রি করে দেওয়া হইছে।

কীর্তণখোলা ১০ লঞ্চের স্টাফ মাইনুল বলেন, আগের থেকে যাত্রী বাড়তেছে। স্বাভাবিক হইয়া যাইবে শিগগিরই। লঞ্চের কেবিন সব বিক্রি হয় নাই, তাই সিঙ্গেল কেবিন ৬০০ টাকা করে বিক্রির জন্য লঞ্চ ঘাটে ঘুরতেছি। এই সিঙ্গেল কেবিনে যদি দুজন ওঠে তাহলে একজনের ভাড়াও ফ্রি। মানে শুধু ৬০০ টাকাই ভাড়া নেওয়া হবে, এক্সট্রা কোনো ভাড়া দেওয়ার দরকার নেই। পারাবত লঞ্চের স্টাফ শহীদুল ইসলাম বলেন, ১৫০ টাকা করে আমরা সন্ধ্যা থেকে যাত্রী তুলছি। লঞ্চ ছাড়ার আগে ১০০ টাকা করে যাত্রী তুলছি। যা ভাড়া পাই তাই লাভ। যাত্রী ছাইড়া দিয়া তো লাভ নাই।

সুরভী লঞ্চ কোম্পানির ম্যানেজার রাশেদুল ইসলাম বলেন, পদ্মা সেতু চালুর পর লঞ্চে যাত্রী সংকট ছিল প্রচুর। অনেক সময় লোকসানও হয়েছে। তবে দিন যত যাচ্ছে তত ভিড় বাড়ছে। কেননা বৃহস্পতি ও শুক্রবার বাদে ঢাকা বরিশালের লঞ্চে এমনিতেই তেমন চাপ থাকে না। তবে রোববার সে তুলনায় সব লঞ্চেই যাত্রী ভালো ছিল। ডেক ভরা ছিল সব লঞ্চেই। তবে কয়েকটি লঞ্চে কেবিন খালি থাকতে পারে। তিনি বলেন, সরকার নির্ধারিত ডেক অর্থাৎ তৃতীয় শ্রেণির ভাড়া ৩৫২ টাকা হলেও আমরা ১৫০ টাকা করে ডেকে ভাড়া নিচ্ছি এখন। অন্য অনেক লঞ্চেই ভাড়া নিচ্ছে ২০০ টাকা করে। সিঙ্গেল কেবিন ৮০০ আর ডাবল ২০০০ টাকা। আশা করছি লঞ্চে যাত্রী আগামী এক মাসের মধ্যে স্বাভাবিক হবে।

কেন্দ্রীয় লঞ্চ মালিক সমিতির সহসভাপতি ও সুন্দরবন লঞ্চ কোম্পানির চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু বলেন, দক্ষিণাঞ্চলবাসীর স্বপ্নের পদ্মা সেতু চালুর পর ঢাকা-বরিশাল রুটের লঞ্চে যাত্রী অনেকটা কম ছিল। অনেকে সেতু দেখতে বা প্রথম প্রথম সড়কপথে ঢাকা গেছেন। যাদের জরুরি তারা তো সড়কপথেই যাবেন। আর যারা বিলাসী, তারা কিন্তু বিলাসবহুল লঞ্চগুলোতে চরেই ঢাকায় যান। ভাড়া কমানো হয়েছে অনেক। বাসের ভাড়ার সঙ্গে লঞ্চের ভাড়ার একটা ভালো গ্যাপ তৈরি হয়েছে। আশা করছি, খুব দ্রুতই লঞ্চে সেই আগের মতো যাত্রী হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

প্রকাশক ও সম্পাদক: কাজী আবু তাহের মো. নাছির।

 

প্রধান নির্বাহী সম্পাদক: আফতাব খন্দকার (রনি)

 

বার্তা সম্পাদক: কামাল হোসেন খান

 

সহ বার্তা সম্পাদক: কাজী আতিকুর রহমান আতিক (আবির)

প্রধান কার্যালয়: গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২ | ব্রাঞ্চ অফিস: ২৪৭ পশ্চিম মনিপুর, ২য় তলা, মিরপুর-২, ঢাকা -১২১৬।

Phone: +8801714043198, Email: hbnews24@gmail.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © HBnews24.com