করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলাদেশে

নতুন আক্রান্ত মোট আক্রান্ত সুস্থ মৃত্যু
৬৭৯ ২০,২৪,৪৮৯ ১৯,৬৪,৫০১ ২৯,৩৬২

মাস্টার কার্ড ও ভিসা-ক্রেডিট কার্ডে কারসাজির মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া প্রতারক চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার

মাস্টার কার্ড ও ভিসা-ক্রেডিট কার্ডে কারসাজির মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া একটি প্রতারক চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা (ডিবি) গুলশান বিভাগ।

গ্রেফতার প্রতারক চক্রের সদস্যরা হলেন—মো. সোহেল মীর, মো. নাজমুল হোসেন, পারুল ও মো. তারা মিয়া।

শুক্রবার থেকে শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ভোর পর্যন্ত রাজধানী ঢাকা, ফরিদপুর ও সাভার এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে প্রতারক চক্রের এই চার সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।

শনিবার দুপুরে ডিএমপির ডিবি কম্পাউন্ডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি জানান, বর্তমান ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগে ভিসা ও মাস্টার কার্ড ব্যবহার করে পৃথিবীর যেকোনো দেশে ইলেকট্রনিক পেমেন্ট, কেনাকাটা, এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন ও মোবাইল রিচার্জসহ বিভিন্ন কাজ করা যায়। এই কার্ড ব্যবহার করে বিকাশ অ্যাকাউন্টে টাকা লোডও করা যায়। আর এই সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে এসব কার্ড ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে আসছিল একটি প্রতারক চক্র। এ ধরনে কয়েকটি ঘটনায় গুলশান, বনানী ও হাতিরঝিল থানায় একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। গোয়েন্দা গুলশান বিভাগ ছায়া তদন্ত করে এই চক্রটিকে শনাক্ত করে। পরবর্তীতে রাজধানী ঢাকা, ফরিদপুর ও সাভার এলাকায় অভিযান চালিয়ে সোহেল, নাজমুল, পারুল ও তারা মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।প্রতারণার কৌশল সম্পর্কে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, চক্রের এক সদস্য বিভিন্ন কার্ডধারীদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহের কাজ করেন। পরে এসব নম্বর নাজমুল ও সোহেলের কাছে পাঠাতেন। সোহেল ও নাজমুল স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও ব্রাক ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকের কার্ড ডিভিশনের কর্মকর্তা সেজে ভিসা এবং মাস্টার কার্ড ব্যবহারকারীদের নম্বরে ফোন দিয়ে তথ্য হালনাগাদ, কার্ডের পাসওয়ার্ড চার ডিজিটের পরিবর্তে ছয় ডিজিট ও ই-মেইল আপডেট না করার কারণে কার্ডের কার্যক্রম বন্ধ হয়েছে—এমন বিষয়গুলো জানাতেন। অনেক কার্ডধারীর অ্যাকাউন্টে বড় অংকের ব্যালেন্স থাকায় আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ে প্রতারকদের কথা অনুযায়ী কাজ করতেন।

পুরিশ কর্মকর্তা আরও জানান, এভাবে সংগ্রহ করা তথ্য থেকে ১৬ ডিজিটের নম্বর, কার্ডের মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ, কার্ডের বিপরীত পাশে উল্লিখিত ৩ ডিজিটের সিকিউরিটি পিন নম্বর সংরক্ষণ করা হতো। পরে গ্রাহকদের কাছে ওটিপি কোড পাঠায়। কৌশলে প্রেরিত ওটিপি কোড সংগ্রহ করে বিকাশ অ্যাপে ঢুকে ‘কার্ড টু বিকাশ অ্যাড মানি’ অপশনের মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করতো এই চক্রটি।গ্রেফতার প্রতারক চক্রের সদস্যদের রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
ঢাকা,শনিবার ১৭ সেপ্টেম্বর এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

সর্বশেষ আপডেট



» ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবির ৪২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী কেক কেটে পালিত॥

» নতুন করে আরও ৬৭৯ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত,দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

» গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও ৫০৬ জন নতুন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি

» আবারও লাঠি নিয়ে মাঠে নামলে বিএনপির খবর আছে জাতীয় পতাকার অবমাননা করে রাজনীতি মেনে নেয়া হবে না

» তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আর ফিরে আসার সুযোগ নেই

» রাজধানীতে অজ্ঞানপার্টির খপ্পরে পড়ে এক ব্যবসায়ী মারা গেছেন

» পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় জাতীয় পার্টির নেতাকে কুপিয়ে পা বিচ্ছিন্ন করেছে সন্ত্রাসীরা

» মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চির আরও ৩ বছরের কারাদণ্ড

» ৭৬ পাউন্ড কেক কেটে প্রধান মন্ত্রীর  জন্মদিন পালন করল মাধবদী শহর আওয়ামীলীগ।

» অভিনব কায়দায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাসা-বাড়ি ও দোকানের গ্রিল কেটে চুরি করতেন আজিজুল

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

 

 

 

প্রকাশক ও সম্পাদক: কাজী আবু তাহের মো. নাছির।

 

প্রধান নির্বাহী সম্পাদক: আফতাব খন্দকার (রনি)

 

সহ বার্তা সম্পাদক: কাজী আতিকুর রহমান আতিক (আবির)

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ, ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

মাস্টার কার্ড ও ভিসা-ক্রেডিট কার্ডে কারসাজির মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া প্রতারক চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার




মাস্টার কার্ড ও ভিসা-ক্রেডিট কার্ডে কারসাজির মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া একটি প্রতারক চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা (ডিবি) গুলশান বিভাগ।

গ্রেফতার প্রতারক চক্রের সদস্যরা হলেন—মো. সোহেল মীর, মো. নাজমুল হোসেন, পারুল ও মো. তারা মিয়া।

শুক্রবার থেকে শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ভোর পর্যন্ত রাজধানী ঢাকা, ফরিদপুর ও সাভার এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে প্রতারক চক্রের এই চার সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।

শনিবার দুপুরে ডিএমপির ডিবি কম্পাউন্ডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি জানান, বর্তমান ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগে ভিসা ও মাস্টার কার্ড ব্যবহার করে পৃথিবীর যেকোনো দেশে ইলেকট্রনিক পেমেন্ট, কেনাকাটা, এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন ও মোবাইল রিচার্জসহ বিভিন্ন কাজ করা যায়। এই কার্ড ব্যবহার করে বিকাশ অ্যাকাউন্টে টাকা লোডও করা যায়। আর এই সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে এসব কার্ড ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে অর্থ হাতিয়ে নিয়ে আসছিল একটি প্রতারক চক্র। এ ধরনে কয়েকটি ঘটনায় গুলশান, বনানী ও হাতিরঝিল থানায় একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। গোয়েন্দা গুলশান বিভাগ ছায়া তদন্ত করে এই চক্রটিকে শনাক্ত করে। পরবর্তীতে রাজধানী ঢাকা, ফরিদপুর ও সাভার এলাকায় অভিযান চালিয়ে সোহেল, নাজমুল, পারুল ও তারা মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।প্রতারণার কৌশল সম্পর্কে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, চক্রের এক সদস্য বিভিন্ন কার্ডধারীদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহের কাজ করেন। পরে এসব নম্বর নাজমুল ও সোহেলের কাছে পাঠাতেন। সোহেল ও নাজমুল স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও ব্রাক ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকের কার্ড ডিভিশনের কর্মকর্তা সেজে ভিসা এবং মাস্টার কার্ড ব্যবহারকারীদের নম্বরে ফোন দিয়ে তথ্য হালনাগাদ, কার্ডের পাসওয়ার্ড চার ডিজিটের পরিবর্তে ছয় ডিজিট ও ই-মেইল আপডেট না করার কারণে কার্ডের কার্যক্রম বন্ধ হয়েছে—এমন বিষয়গুলো জানাতেন। অনেক কার্ডধারীর অ্যাকাউন্টে বড় অংকের ব্যালেন্স থাকায় আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ে প্রতারকদের কথা অনুযায়ী কাজ করতেন।

পুরিশ কর্মকর্তা আরও জানান, এভাবে সংগ্রহ করা তথ্য থেকে ১৬ ডিজিটের নম্বর, কার্ডের মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ, কার্ডের বিপরীত পাশে উল্লিখিত ৩ ডিজিটের সিকিউরিটি পিন নম্বর সংরক্ষণ করা হতো। পরে গ্রাহকদের কাছে ওটিপি কোড পাঠায়। কৌশলে প্রেরিত ওটিপি কোড সংগ্রহ করে বিকাশ অ্যাপে ঢুকে ‘কার্ড টু বিকাশ অ্যাড মানি’ অপশনের মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করতো এই চক্রটি।গ্রেফতার প্রতারক চক্রের সদস্যদের রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
ঢাকা,শনিবার ১৭ সেপ্টেম্বর এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

প্রকাশক ও সম্পাদক: কাজী আবু তাহের মো. নাছির।

 

প্রধান নির্বাহী সম্পাদক: আফতাব খন্দকার (রনি)

 

সহ বার্তা সম্পাদক: কাজী আতিকুর রহমান আতিক (আবির)

প্রধান কার্যালয়: গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২ | ব্রাঞ্চ অফিস: ২৪৭ পশ্চিম মনিপুর, ২য় তলা, মিরপুর-২, ঢাকা -১২১৬।

Phone: +8801714043198, Email: hbnews24@gmail.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © HBnews24.com