করোনা ভাইরাস লাইভ

বাংলাদেশে

নতুন আক্রান্ত মোট আক্রান্ত সুস্থ মৃত্যু
৬৭৯ ২০,২৪,৪৮৯ ১৯,৬৪,৫০১ ২৯,৩৬২

নেপালকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে নতুন ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। নেপালকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। তবে এবার আর কোনো আক্ষেপ নয়, দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট জিতে নিয়েছে সাবিনা-সানজিদা ও মারিয়ারা।কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ম্যাচটি জিতেছে ৩-১ গোলের ব্যবধানে। দলের হয়ে জোড়া গোল করেন কৃষ্ণা রানি সরকার। একটি গোল করেন শামসুন্নাহার জুনিয়র। প্রতিপক্ষের হয়ে একটি গোল শোধ করেন অনিতা বাসনেত।

নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয় করায় বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আলাদা বার্তায় নারী ফুটবলারদের অভিনন্দন জানান রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।

এদিন ম্যাচ শুরুর প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দিতে থাকে বাংলাদেশ। প্রতিআক্রমণে নেপালও হানা দিয়েছে সাবিনাদের রক্ষণভাগে। কিন্তু বৃষ্টিভেজা মাঠে পাস ঠিকঠাক না এগোনোয় উভয়পক্ষই বারবার বল হারাচ্ছিল। ম্যাচের ১০ মিনিটে সিরাত জাহান স্বপ্নাকে তুলে মাঠে নামানো হয় শামসুন্নাহার জুনিয়রকে।

মূলত আগের ম্যাচে কিছুটা চোট পাওয়ায় নেপালের বিপক্ষে মাঠে নামার পর স্বপ্নার মধ্যে ফিটনেস ঘাটতি দেখা যাচ্ছিল। যার কারণে কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন তাকে তুলে নেন। কোচের সিদ্ধান্তের সঠিকতা প্রমাণে খুব বেশি সময় নেননি শামসুন্নাহার। ম্যাচের ১৪ মিনিটে মনিকা চাকমার বাম কর্নার থেকে পাঠানো উঁচু শট পায়ের আলতো ছোঁয়ায় জালবন্দি করেন এ তরুণ ফরোয়ার্ড।

ম্যাচের ২৪ মিনিটে প্রতিপক্ষের দূরপাল্লার শট প্রথম প্রচেষ্টায় ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হন রূপনা চাকমা। পরক্ষণেই ঝাঁপিয়ে পড়ে গ্লাভসবন্দি করে দলকে বিপদমক্ত করেন বাংলাদেশের এ গোলকিপার। ২৬ মিনিটে ডি বক্সের ভেতর থেকে শামসুন্নাহারের নেয়া দুর্বল শট চলে যায় নেপালের গোলকিপারের হাতে। অবশ্য রক্ষণে থাকা পুনামের বাধায় তিনি ঠিকঠাক শট নিতে পারেননি।

দুই মিনিট পর ডি বক্সের বাইরে থেকে নেপাল ফরোয়ার্ড অনিতার নেয়া শট গ্লাভসবন্দি করেন রূপনা। পরের ১০ মিনিটে আরও তিনটি শট ফিরিয়ে স্বাগতিকদের হতাশ করেন রূপনা। প্রতিপক্ষের চাপ সামলে ৩৯ মিনিটে আক্রমণে ওঠে ছোটনের শিষ্যরা। তিন মিনিট পর বাংলাদেশকে ২-০ গোলের লিড এনে দেন কৃষ্ণা রানি সরকার। সাবিনার পাস নিজের দখলে নিয়ে প্রতিপক্ষের ডি বক্সে ক্ষিপ্রতার সঙ্গে ঢুকে পড়েন কৃষ্ণা। এরপর পেনাল্টি এরিয়া থেকে নেপালের গোলরক্ষক অঞ্জলিকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান তিনি।বিরতির পর প্রতিআক্রমণে উঠে গোলের দারুণ সুযোগ নষ্ট করে নেপাল। ডান প্রান্ত থেকে অনিতার পাঠানো উঁচু শট, ডি বক্সে অরক্ষিত অবস্থায় পেয়ে যান রাশমি। কিন্তু তার হেড থাকেনি লক্ষ্যে। ৫৬ মিনিটে বাংলাদেশকে আরও একবার ডি বক্সের আক্রমণ থেকে বিপদমুক্ত করেন আঁখি খাতুন। দুই মিনিট পর সানজিদার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন রিতুপর্ণা চাকমা।

৫৯ মিনিটে ডিফেন্ডারদের ভুলে ব্যাকপাস পেয়ে যান নেপালের ফরোয়ার্ড অনিতা। তবে তার দূরপাল্লার শট পরাস্ত করতে পারেনি রূপনাকে। তিন মিনিট পর বাম কর্নার ধরে মাঝমাঠ থেকে ক্ষিপ্র গতিতে বল নিয়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে ঢুকে পড়েন রিতুপর্ণা। তার পাস পেনাল্টি এরিয়ায় পেলেও, গোলের জন্য শট নিতে ব্যর্থ হন শামসুন্নাহার। ছয় মিনিট পর প্রতিআক্রমণে উঠলেও, বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি শামসুন্নাহার-রিতুপর্ণা।

একের পর এক আক্রমণে দিশেহারা সাবিনারা অবশেষে ম্যাচের ৭০ মিনিটে একটি গোল হজম করে। বাংলাদেশ দলের এক ডিফেন্ডারের পায়ে বল লেগে চলে যায় ডি বক্সে থাকা অনিতার কাছে। নিখুঁত শটে তিনি এবার রূপনাকে পরাস্ত করতে সফল হন। ৭৩ মিনিটে ডি বক্সের বাইরের বল ঝুঁকিমুক্ত করতে গিয়ে নিজেই ইনজুরি ঝুঁকিতে পড়েন রূপনা। ৭৬ মিনিটে কৃষ্ণা নেপালের ডি বক্সের বাইরে বল পেলেও, ডিফেন্ডারদের বাধায় সুযোগ পাননি বল দখলে রেখে শট নেয়ার। পরের মিনিটে ফের আক্রমণে উঠে সে আক্ষেপ ঝাড়েন কৃষ্ণা।

মাঝ মাঠ থেকে সতীর্থের পাস ধরে ঢুকে পড়েন নেপালের ডি বক্সে। অঞ্জলির সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান পজিশনে গোল করে বাংলাদেশের শিরোপার স্বপ্ন অনেকটা নিশ্চিত করে ফেলেন কৃষ্ণা। আসরে এ নিয়ে চারটি গোল করেছেন এ ফরোয়ার্ড। বাকি সময়ে অনেক চেষ্টা করেও আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের জয়ে ইতিহাস গড়ে মাঠ ছেড়েছেন সাবিনা-কৃষ্ণারা।
ক্রীড়া ডেস্ক,সোমবার ১৯ সেপ্টেম্বর,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

সর্বশেষ আপডেট



» ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবির ৪২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী কেক কেটে পালিত॥

» নতুন করে আরও ৬৭৯ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত,দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

» গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও ৫০৬ জন নতুন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি

» আবারও লাঠি নিয়ে মাঠে নামলে বিএনপির খবর আছে জাতীয় পতাকার অবমাননা করে রাজনীতি মেনে নেয়া হবে না

» তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আর ফিরে আসার সুযোগ নেই

» রাজধানীতে অজ্ঞানপার্টির খপ্পরে পড়ে এক ব্যবসায়ী মারা গেছেন

» পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় জাতীয় পার্টির নেতাকে কুপিয়ে পা বিচ্ছিন্ন করেছে সন্ত্রাসীরা

» মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চির আরও ৩ বছরের কারাদণ্ড

» ৭৬ পাউন্ড কেক কেটে প্রধান মন্ত্রীর  জন্মদিন পালন করল মাধবদী শহর আওয়ামীলীগ।

» অভিনব কায়দায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাসা-বাড়ি ও দোকানের গ্রিল কেটে চুরি করতেন আজিজুল

লাইক দিয়ে সংযুক্ত থাকুন

 

 

 

প্রকাশক ও সম্পাদক: কাজী আবু তাহের মো. নাছির।

 

প্রধান নির্বাহী সম্পাদক: আফতাব খন্দকার (রনি)

 

সহ বার্তা সম্পাদক: কাজী আতিকুর রহমান আতিক (আবির)

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
আজ বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ, ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

নেপালকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা




নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে নতুন ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। নেপালকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। তবে এবার আর কোনো আক্ষেপ নয়, দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট জিতে নিয়েছে সাবিনা-সানজিদা ও মারিয়ারা।কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ম্যাচটি জিতেছে ৩-১ গোলের ব্যবধানে। দলের হয়ে জোড়া গোল করেন কৃষ্ণা রানি সরকার। একটি গোল করেন শামসুন্নাহার জুনিয়র। প্রতিপক্ষের হয়ে একটি গোল শোধ করেন অনিতা বাসনেত।

নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয় করায় বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আলাদা বার্তায় নারী ফুটবলারদের অভিনন্দন জানান রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।

এদিন ম্যাচ শুরুর প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দিতে থাকে বাংলাদেশ। প্রতিআক্রমণে নেপালও হানা দিয়েছে সাবিনাদের রক্ষণভাগে। কিন্তু বৃষ্টিভেজা মাঠে পাস ঠিকঠাক না এগোনোয় উভয়পক্ষই বারবার বল হারাচ্ছিল। ম্যাচের ১০ মিনিটে সিরাত জাহান স্বপ্নাকে তুলে মাঠে নামানো হয় শামসুন্নাহার জুনিয়রকে।

মূলত আগের ম্যাচে কিছুটা চোট পাওয়ায় নেপালের বিপক্ষে মাঠে নামার পর স্বপ্নার মধ্যে ফিটনেস ঘাটতি দেখা যাচ্ছিল। যার কারণে কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন তাকে তুলে নেন। কোচের সিদ্ধান্তের সঠিকতা প্রমাণে খুব বেশি সময় নেননি শামসুন্নাহার। ম্যাচের ১৪ মিনিটে মনিকা চাকমার বাম কর্নার থেকে পাঠানো উঁচু শট পায়ের আলতো ছোঁয়ায় জালবন্দি করেন এ তরুণ ফরোয়ার্ড।

ম্যাচের ২৪ মিনিটে প্রতিপক্ষের দূরপাল্লার শট প্রথম প্রচেষ্টায় ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হন রূপনা চাকমা। পরক্ষণেই ঝাঁপিয়ে পড়ে গ্লাভসবন্দি করে দলকে বিপদমক্ত করেন বাংলাদেশের এ গোলকিপার। ২৬ মিনিটে ডি বক্সের ভেতর থেকে শামসুন্নাহারের নেয়া দুর্বল শট চলে যায় নেপালের গোলকিপারের হাতে। অবশ্য রক্ষণে থাকা পুনামের বাধায় তিনি ঠিকঠাক শট নিতে পারেননি।

দুই মিনিট পর ডি বক্সের বাইরে থেকে নেপাল ফরোয়ার্ড অনিতার নেয়া শট গ্লাভসবন্দি করেন রূপনা। পরের ১০ মিনিটে আরও তিনটি শট ফিরিয়ে স্বাগতিকদের হতাশ করেন রূপনা। প্রতিপক্ষের চাপ সামলে ৩৯ মিনিটে আক্রমণে ওঠে ছোটনের শিষ্যরা। তিন মিনিট পর বাংলাদেশকে ২-০ গোলের লিড এনে দেন কৃষ্ণা রানি সরকার। সাবিনার পাস নিজের দখলে নিয়ে প্রতিপক্ষের ডি বক্সে ক্ষিপ্রতার সঙ্গে ঢুকে পড়েন কৃষ্ণা। এরপর পেনাল্টি এরিয়া থেকে নেপালের গোলরক্ষক অঞ্জলিকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান তিনি।বিরতির পর প্রতিআক্রমণে উঠে গোলের দারুণ সুযোগ নষ্ট করে নেপাল। ডান প্রান্ত থেকে অনিতার পাঠানো উঁচু শট, ডি বক্সে অরক্ষিত অবস্থায় পেয়ে যান রাশমি। কিন্তু তার হেড থাকেনি লক্ষ্যে। ৫৬ মিনিটে বাংলাদেশকে আরও একবার ডি বক্সের আক্রমণ থেকে বিপদমুক্ত করেন আঁখি খাতুন। দুই মিনিট পর সানজিদার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন রিতুপর্ণা চাকমা।

৫৯ মিনিটে ডিফেন্ডারদের ভুলে ব্যাকপাস পেয়ে যান নেপালের ফরোয়ার্ড অনিতা। তবে তার দূরপাল্লার শট পরাস্ত করতে পারেনি রূপনাকে। তিন মিনিট পর বাম কর্নার ধরে মাঝমাঠ থেকে ক্ষিপ্র গতিতে বল নিয়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে ঢুকে পড়েন রিতুপর্ণা। তার পাস পেনাল্টি এরিয়ায় পেলেও, গোলের জন্য শট নিতে ব্যর্থ হন শামসুন্নাহার। ছয় মিনিট পর প্রতিআক্রমণে উঠলেও, বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি শামসুন্নাহার-রিতুপর্ণা।

একের পর এক আক্রমণে দিশেহারা সাবিনারা অবশেষে ম্যাচের ৭০ মিনিটে একটি গোল হজম করে। বাংলাদেশ দলের এক ডিফেন্ডারের পায়ে বল লেগে চলে যায় ডি বক্সে থাকা অনিতার কাছে। নিখুঁত শটে তিনি এবার রূপনাকে পরাস্ত করতে সফল হন। ৭৩ মিনিটে ডি বক্সের বাইরের বল ঝুঁকিমুক্ত করতে গিয়ে নিজেই ইনজুরি ঝুঁকিতে পড়েন রূপনা। ৭৬ মিনিটে কৃষ্ণা নেপালের ডি বক্সের বাইরে বল পেলেও, ডিফেন্ডারদের বাধায় সুযোগ পাননি বল দখলে রেখে শট নেয়ার। পরের মিনিটে ফের আক্রমণে উঠে সে আক্ষেপ ঝাড়েন কৃষ্ণা।

মাঝ মাঠ থেকে সতীর্থের পাস ধরে ঢুকে পড়েন নেপালের ডি বক্সে। অঞ্জলির সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান পজিশনে গোল করে বাংলাদেশের শিরোপার স্বপ্ন অনেকটা নিশ্চিত করে ফেলেন কৃষ্ণা। আসরে এ নিয়ে চারটি গোল করেছেন এ ফরোয়ার্ড। বাকি সময়ে অনেক চেষ্টা করেও আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের জয়ে ইতিহাস গড়ে মাঠ ছেড়েছেন সাবিনা-কৃষ্ণারা।
ক্রীড়া ডেস্ক,সোমবার ১৯ সেপ্টেম্বর,এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

প্রকাশক ও সম্পাদক: কাজী আবু তাহের মো. নাছির।

 

প্রধান নির্বাহী সম্পাদক: আফতাব খন্দকার (রনি)

 

সহ বার্তা সম্পাদক: কাজী আতিকুর রহমান আতিক (আবির)

প্রধান কার্যালয়: গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা লিংকরোড ঢাকা-১২১২ | ব্রাঞ্চ অফিস: ২৪৭ পশ্চিম মনিপুর, ২য় তলা, মিরপুর-২, ঢাকা -১২১৬।

Phone: +8801714043198, Email: hbnews24@gmail.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © HBnews24.com